
জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের বাগময়না গ্রামের বাসিন্দা প্রবীণ সাংবাদিক, শালিসি ব্যক্তি, সাবেক শিক্ষক, ক্বারী, সার্ভেয়ার সহ বহুগুণে গুনান্বিত সর্বদা সদালাপী ও সাদা মনের মানুষ আবদুল তাহিদ (৫৬) আর নেই। গত ২৫ মে রাতে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হলে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে রেফার করেন। ওসমানীতে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী-সন্তান সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
২৬ মে বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে বাগময়না শাহী ঈদগাহ মাঠে নামাজে জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা আমির আলী ও দোয়া পরিচালনা করেন ক্বারী নজরুল ইসলাম নিজামী। এ সময় সবার কাছে দোয়া কামনা করে সংক্ষিপ্ত কথা বলেন ও উপস্থিত ছিলেন রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি হাজী সুন্দর আলী, রাণীগঞ্জ কলেজ গভর্নিংবডির সভাপতি মকবুল হোসেন, রাণীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ছদরুল ইসলাম, মাওলানা নিজাম উদ্দিন জালালী, মাওলানা আবু আইয়ূব আনছারী, মাওলানা নুর আহমদ, মাওলানা মহি উদ্দিন এমরান ও প্রয়াত সাংবাদিক আবদুল তাহিদের বড় ছেলে মাহমুদুল হাসান তুহিন প্রমূখ। জানাজা’য় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ হাজারো শোকার্ত জনতা অংশ গ্রহণ করেন।
এদিকে-সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও সবার প্রিয়জন প্রবীণ সাংবাদিক আবদুল তাহিদের মৃত্যুতে সাংবাদিক মহল সহ সর্বত্র শোকের ছায়া বিরাজ করছে। শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে প্রয়াত সাংবাদিক আবদুল তাহিদের রূহের মাগফেরাত কামনা করেছেন সাংবাদিক মহল সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দ।

















