ভোলা প্রতিনিধি।।
ভোলায় ছাত্র এবং তার বাবাকে মারধরের ঘটনাটি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অধ্যক্ষ ইমরানের বিরুদ্ধে। ভূক্তভোগী সাত্তার ঘটনারদিন অধ্যক্ষ ইমরানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে বিচার চাইলেও পরবর্তিতে সে নমনীয়তা প্রকাশ করে শান্ত হয়ে যায়। ঘটনার দিন সাত্তার সাংবাদিকদের ক্যামারার সামনে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা ও নানা পদক্ষেপ নেয়ার কথা বললেও বর্তমানে সে বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। একটি সূত্রে জানাগেছে, অধ্যক্ষ ইমরান কোন উপায়-অন্ত না পেয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সাত্তার ও তার ছেলেকে ম্যানেজ করেন।
উল্লেখ্য ভোলায় রেবা রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ ইমরান হোসেন কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ইমরান হোসেন(১৬) ও তার বাবা আব্দুস সাত্তার(৪৫) কে অবরুদ্ধ করে মারধরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো কলেজ জুড়ে শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় সদর উপজেলার ঘুংগারহাট বাজার সংলগ্ন রেবা রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ ইমরান হোসেন এর সাথে ম্যানেজিং কমিটি ফরম জমা নিয়ে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এ সূত্র ধরে একপর্যায়ে অধ্যক্ষ ইমরান, সমাজ বিজ্ঞানের প্রভাষক জিয়া উদ্দিন জিয়া, কৃষি শিক্ষার প্রভাষক মোঃ মহিবুর রহমান মিলে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন আব্দুস সাত্তার। এ বিষয়ে অভিযোগকারী সাত্তার আরো বলেন, রেবা রহমান ডিগ্রী কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য পদে নির্বাচনী মনোনয়ন ফরম জমা দিতে গেলে প্রস্তাব কারী পছন্দমত না হওয়ায় অপারগতা প্রকাশ করেন অধ্যক্ষ ইমরান হোসেন। ফরম জমা নিয়ে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হলে এক পর্যায়ে আমার উপর চড়াও হয়ে অধ্যক্ষ ইমরান হোসেন সহ আরো দুই শিক্ষক মিলে আমাকে ও এই কলেজে অধ্যায়ন করা আমার ছেলেকে বেধড়ক পিটিয়েছে। এর পর প্রায়ই পাঁচ ঘন্টার অব্দি কলেজে আটকিয়ে রাখা হয়েছে। পক্ষান্তরে সাংবাদিকদের উপস্থিতিত টের পেয়ে বিকাল ৪টায় অবরুদ্ধ হইতে মুক্তি পাই।
অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ ইমরান হোসেন বলেন, অভিভাবক আব্দুস সাত্তার যে বিষয়টি অভিযোগ করেছেন তার সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)এনায়েত হোসেন বলেন, অভিযোগ পেলে ঘটনার তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮