
গোপালগঞ্জ।।
ছাত্ররাজনীতির অর্থই হলো ছাত্রদের অধিকার আদায়,অধ্যয়ন উপযোগী ক্যাম্পাস সৃষ্টি।সাম্য,মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রগঠনে আগামীর যোগ্য জনবল প্রস্তুত কিন্তু বর্তমানে ছাত্ররাজনীতি হয়ে পড়েছে ভোগের।ছাত্রদের অধিকার আদায়ের পরিবর্তে অনার্দশিক সংগঠনের ক্ষমতা চর্চা ও ভোগবিলাসের কারণে ক্যাম্পাসের পরিবেশ হয়ে পড়েছে ভীতিকর ।হল বানিজ্য, মাদক, টেন্ডারবাজী,ও অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ছে ক্যাম্পাসের চারপাশে।আর এমন পরিবেশের পরিবর্তে ক্যাম্পাসকে শিখন উপযোগী করে তুলতে আদর্শিক ছাত্ররাজনীতির বিকল্প নাই।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বশেমুরবিপ্রবি শাখার “বশেমুরবিপ্রবি সম্মেলন-২৩ ও ক্যারিয়ার ভাবনা” অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই কথা বলেন সম্মেলনের প্রধান অতিথি শেখ ফজলুল করিম মারুফ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি নুরুজ্জামানের সভাপতিত্বে উক্ত সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নূরুল বশর আজিজী,কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন- “শিক্ষার গুণগত মান পরিবর্তন করা উচিত, না হলে জাতি সামনে এগিয়ে যেতে পারবে না। শিক্ষা কে সংস্কার করা উচিত। চাকরির ক্ষেত্রে আরো বেশি অ্যাডভান্স হবার জন্য একাডেমিক সিলেবাস নতুন করে প্রনয়ণ করতে হবে “
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ আল আমিন,কেন্দ্রীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক,ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন-” বশেমুরবিপ্রবি বিশ্ববিদ্যালয়ে হল সংকট নিরসন করতে হবে। মেয়েদের জন্য একাডেমিক ভবনে নামাজের দ্রুত ব্যবস্থা করতে হবে। যদিও বার বার প্রশাসনকে এই বিষয়ে দাবি জানানো হলেও তারা বিষয়টিকে বার বার এড়িয়ে যান। মেইন গেট এর কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। ক্যাম্পাস যারা মাদক ব্যবসায়ী আছে তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। মাদক মুক্ত ক্যাম্পাস ঘোষণা করতে হবে। ক্যাম্পাসে আরো লাইটিং এর ব্যবস্থা করতে হবে। ৪ মাসে সেমিস্টার শেষ করতে হবে। গবেষণাকে সহজ করার জন্য দ্রুত ল্যাব সুবিধা আরো বাড়াতে হবে। “
এতে আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটির দায়িত্বশীলসহ বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট, ফ্যাকাল্টি কমিটির দায়িত্বশীলবৃন্দ।
প্রধান বক্তা তার বক্তব্য পরবর্তী ২০২২ সেশনের কমিটি বিলুপ্ত করে ২০২৩ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। নতুন কমিটির সভাপতি মাহমুদুল্লাহ মিলন,সাধারণ সম্পাদক মইনুদ্দিন খান সিফাত এবং সহ-সভাপতি মামনুল হাসান এর নাম ঘোষণা করেন।
সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সম্মেলন সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

















