
মো.ইমরান হোসেন,
কালিয়াকৈর ( গাজীপুর) প্রতিনিধি।।
২০৪১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্কাউট সদস্যদের উদ্দেশ্যে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তোমরাই পারবে আগামীতে দেশকে এগিয়ে নিতে। তোমাদের মাঝ থেকেই তো সেই নেতৃত্ব গড়ে উঠবে। সেই ভরসা আমার আছে। তোমরা সেটা পারবে।
আজ বুধবার সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাকে ৩২তম এশিয়া প্যাসিফিক ও একাদশ জাতীয় স্কাউট জাম্বুরির সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন এসব কথা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করেছি। এ সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনকালীন সময়ে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের মর্যাদা পেয়েছে। এখানেই থেমে থাকলে চলবে না, বাংলাদেশকে অনেক দূর এগিয়ে যেতে হবে।
অনুষ্ঠান শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে বাংলাদেশ স্কাউটের প্রধান জাতীয় কমিশনার ও জাম্বুরি সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি ড. মো. মোজাম্মেল হক খান ও বাংলাদেশ স্কাউটের সভাপতি মো.আবুল কালাম আজাদ প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। পরে প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জ্ঞাপন, স্কার্ফ, ব্যাচ ও ওয়াগল প্রদান করা হয়। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্তকরণ, শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড বিতরণ ও এপিআর স্কাউট পতাকা হস্তান্তর করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারক প্রদান করা হয়।
স্কাউটদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তোমাদের মধ্যেই সুপ্ত আছে, আমাদের দেশের ভবিষ্যত, রাজনৈতিক নেতা, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, অর্থনীতিবিদ, প্রকৌশলী, কবি-সাহিত্যিক, প্রশাসক শিক্ষক, প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য, যারা দেশের সেবা করছে। তোমাদের মাঝ থেকেই সকলে উঠে আসবে।
তিনি বলেন, দেশের স্কাউট সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিশু কিশোরদের আত্মনির্ভরশীল সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবো। আমি চাই, আমাদের প্রত্যেক শিক্ষার্থী এর আওতায় আসুক। এখন ২২ লাখ সদস্য আছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ লাখ সদস্য হবে।
স্কাউটের কাজের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্কাউট-ই নতুন প্রজন্মকে নৈতিক ও জীবনধর্মী প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। আর তরুণদের মধ্যে আধুনিক সৃজনশীল গুণাবলী বিকশিত হয়। ফলে স্কাউট সদস্যরা সেবার মন্ত্রে দীক্ষিত হচ্ছে ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলছে। পরোপকারী হিসেবে সমাজ সেবার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখে যাচ্ছে। প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অতিমারি করোনায় তাদের আন্তরিকতা আমরা দেখতে পেয়েছি। এই স্কাউট আন্দোলন আরও ব্যাপকভাবে গড়ে উঠুক। এজন্য আমরা নানা উদ্যোগ নিয়েছি।

















