তৌহিদ বেলাল
কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।।
কক্সবাজারে পুলিশের এসপি, এডিসি এবং ওসির নামে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ঈদগাঁও'র আওয়ামী লীগ নেতা হাসান আলি। এই ঘটনায় প্রতারণার শিকার ছৈয়দ আলম ঈদগাঁও থানায় মামলা করেছেন সরকার দলীয় ওই নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত হাসান আলি ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ধর্মেরছড়া গ্রামের মৃত আলি হোসেনের পুত্র। তিনি ঈদগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। বর্তমানে দলটির ইসলামপুর ইউনিয়ন শাখার সহসভাপতি।
মামলাটির (নং- ০৯/২৩) বাদী মুহাম্মদ ছৈয়দ আলম স্থানীয় বাঁশকাটা গ্রামের মৃত খুইল্যা মিয়ার পুত্র এবং ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য (এমইউপি)।
ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ গোলাম কবির মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন- 'আসামি হাসান আলিকে গ্রেফতারে পুলিশ তৎপরতা চালাচ্ছে'।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার গোমাতলি মৌজার 'হাফেজের ঘোনা' নামক চিংড়িঘের ও ইসলামপুরের নাপিতখালি মৌজার 'কৈলাশের ঘোনা' নামের চিংড়িঘেরের পানি চলাচলের খাল নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। বিষয়টির সমাধানের উদ্যোগ নিতে হাসান আলির দ্বারস্থ হন ছৈয়দ আলম। পরে হাসান আলি পুলিশ সুপারকে (এসপি) এক লক্ষ টাকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে (এডিসি) এক লক্ষ টাকা ও ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) এক লক্ষ টাকা দিয়ে ম্যানেজ করার আশ্বাস দেন। সেই অনুযায়ী বাদী ছৈয়দ আলম ও চিংড়িঘেরের অন্য মালিকেরা হাসান আলির হাতে গত ২ জানুয়ারি ৩৫ হাজার টাকা, পরদিন ১ লক্ষ টাকা ও ৫ জানুয়ারি তৃতীয় দফায় ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন। পরে জানতে পারেন, প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে এসব টাকা হাসান আলি নিজেই হাতিয়ে নিয়েছেন।
মামলায় আনীত অভিযোগের বিষয়ে হাসান আলি বলেন, ‘মামলাটির বাদীর কিছু জমি একটি পক্ষ দখল করে নিয়েছে। তার পক্ষ হয়ে কাজ করিনি বলে আমার নামে ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে একটি মিথ্যা মামলা করেছেন'।
এবিষয়ে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম বলেন- 'পুলিশের নাম ভাঙিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার পেছনে যেই জড়িত থাকুক সকলকে আইনের আওয়াতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না'।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮