তৌহিদ বেলাল
কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।।
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণ উদঘাটিত হয়নি। রহস্যময় এই অগ্নিকান্ডের কারণ উদঘাটনে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটিকে ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
রোববার দুপুরে লাগা আগুনে পুড়ে যাওয়া দুই সহস্রাধিক রোহিঙ্গা পরিবার অনেকটা মানবেতর সময় পার করছে। অনেকে আশপাশের শিবিরগুলোতে আশ্রয় নিলেও বেশিরভাগ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এখনো খোলা আকাশের নিচে। ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অবস্থিত ট্রানজিট ক্যাম্পে কিছু পরিবার আশ্রয় নিতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া খাবারের সংকটে রয়েছে পরিবারগুলো।
এদিকে রোববারের অগ্নিকাণ্ডের পর গতকাল সোমবারও অনেক জায়গায় কিছু কিছু ধোঁয়া বেরোতে দেখা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানের ক্ষতচিহ্ন দেখতে ভুক্তভোগী, পাশের আশ্রয় শিবিরের বাসিন্দা ও স্থানীয় লোকদের ভিড় পরিলক্ষিত হয়েছে।
রোববার (৫ মার্চ) দুপুরে উখিয়া উপজেলার বালুখালির ১১নং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে আগুন লেগে অন্তত দুই হাজার বসতি পুড়ে যায়। ওই শিবিরের ডি/১৫ ব্লক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানিয়েছে দমকল বাহিনী। সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সমন্বিত প্রচেষ্টায় তিন ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এই অগ্নিকাণ্ডে দুই হাজার পরিবারের প্রায় ১২ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, ইতোপূর্বে ২০২১ সালের ২২ মার্চে উখিয়া উপজেলার বালুখালির ওই ১১নং ক্যাম্পসহ পাশের আরো তিনটি ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিলো। ওইসময় ১০ হাজারেরও অধিক বসতি আগুনে পুড়ে যায়। সেসময় অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী গৃহহারা হয়ে পড়েছিলো। ওই অগ্নিকাণ্ডে দুই শিশুসহ ৭ রোহিঙ্গা মারা গিয়েছিলো।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮