এস চাঙমা সত্যজিৎ
বিশেষ প্রতিনিধি ।।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালা উপজেলার মাইনী নদীর সেতু পরিদর্শন করলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার ২৯৮ নং আসনের সংসদ সদস্য ও ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরনার্থী প্রত্যাবাসন ও পূনর্বাসন এবং আভ্যন্তরিণ উদ্ভাস্তু নির্দিষ্টকরণ ও পূনর্বাসন টাস্কফোর্স বিষয়ক চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা সম্পন্ন) কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি। দীঘিনালার মাইনী নদীর বেইলি সেতুটি পাথর বোঝাই ট্রাকসহ ধসে পরায় রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা ও বাঘাইহাট সাজেক বাবুছড়া সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এই ভেঙ্গে যাওয়া সেতু পরিদর্শনকালে এমপির সফর সঙ্গী ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মোঃ সহিদুজ্জামান, পুলিশ সুপার মোঃ নাইমুল হক ও সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরের কর্মকর্তাসহ প্রশাসনিক বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা।
পরিদর্শনকালে দ্রুত সময়ের মধ্যে ভেঙ্গে যাওয়া বেইলি সেতুটি সচল করার আশ্বাস দিয়েছেন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরের কর্মকর্তারা। একই সাথে বিকল্প ব্রিজ দিয়ে চলছে পর্যটকবাহী ছোট ছোট যানবাহনগুলো।
দীঘিনালা উপজেলা ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, আজ ৭ মার্চ ২০২৩ মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টায় পাথর বোঝাই একটি ট্রাক উঠে পড়লে বেইলি সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে যায় এবং পাথর বোঝাই ট্রাকসহ মাইনী নদীতে পড়ে যায়। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আরাফাতুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেতুটি মেরামত করে যান চলাচলের জন্য সংশ্লিষ্ট সড়ক ও জনপথ বিভাগকে অনুরোধ করেছেন।
তিনি আরও জানান, বিকল্প হিসেবে সাজেক ফেরত পর্যটকদের গাড়িবহর থানা বাজারের ফুট ব্রীজ দিয়ে পারাপারের ব্যবস্থ করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা জানান, ধসে পড়া বেইলি সেতুটি দ্রুত সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ৩ দশক (আশির দশকে নির্মিত) আগে অস্থায়ীভাবে নির্মিত মাইনী নদীর বেইলি সেতুটি। ইতোপূর্বেও ২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর কাঠ বোঝাই ট্রাকসহ আরও একবার ভেঙ্গে পড়েছিল এই সেতুটি। সে সময় সাজেক পর্যটন কেন্দ্রসহ রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ ৭ দিন পর্যন্ত বন্ধ ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮