
ফজলে এলাহি ঢালী
ময়মনসিংহ।।
সারাদেশের ন্যায় ময়মনসিংহের তারাকান্দায় বিগত ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে তারাকান্দা দক্ষিণ বাজারে কান্ট্রি ওয়াইড রুরাল মার্কেট ইনফ্রাসট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট-সিআরএমআইডিপি-দেশব্যাপী গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সরকার-জিওবি-র অর্থায়নে চার তলা ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনপূর্বক দুতলা সুপার মার্কেট নির্মাণের কাজ শুরু হলেও চলমান ২০২৪ সালে এসেও তার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।অথচ ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করার কথা।
কাজ শুরুর পর পেরিয়ে গেছে পাঁচটি বছর।এত বছরেও কোটি টাকা ইজারার বাজারটিতে ব্যবসায়ীদের কোন উপকারেই আসছেনা মার্কেটটি।উল্টো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জায়গা দখল করে নির্ণায়মান সুপারমার্কেটটি ব্যবসায়ীদের গলার কাটা হয়ে আছে।এই নির্মীতব্য সুপারমার্কেটটি ঘিরেই পলিথিন টানিয়ে ফুটপাত দখল করে ব্যবসাকার্য চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
তারাকান্দা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল-এলজিইডি-অধিদপ্তরের বরাতে জানা গেছে,২০১৯ সালে চারতলা ফাউন্ডেশনের পর দুতলা মার্কেটটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।যার প্রাক্কলিত ব্যায় ধরা হয় ১ কোটি আটাশি লক্ষ টাকা।সুপারমার্কেটটির চুক্তিমূল্য রয়েছে ১ কোটি ৭৪ লক্ষ ৩৮ হাজার ৮ শত ১৩ টাকা।ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে এসই এন্ড ইইটি-জেভি-নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
তারাকান্দায় স্থানীয় নাবিল এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে কাজটি শুরু করেছে এসই এন্ড ইইটি নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি।নাবিল এন্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির স্বত্তাধিকারী মো. হাসানুল হক জানান,স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মার্কেটটির চারপাশ দখল করে ব্যবসাকার্য পরিচালনা করায় মার্কেটের কাজ করতে অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে।
তবে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবী মার্কেটটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে সুবিধা হতো।ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি অজানা কারণে মার্কেটটির নির্মাণ কাজ ফেলে রেখেছে বছরের পর বছর।
এ বিষয়ে তারাকান্দা উপজেলা প্রকৌশলী-এলজিইডি-মো.জোবায়ের হোসেন বলেন,ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা হয়েছে।অচিরেই মার্কেটটির নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা বলেছেন তারা।এ বিষয়ে তাদের জোড় তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

















