
নিজস্ব প্রতিবেধক ভোলা।।
জনগণ আমার প্রাণ,ওনাদের খেদমতের জন্যই আল্লাহ আমাকে চেয়ারম্যান বানিয়েছে, ভোগের জন্য নয়,এবং ওনাদের জন্য সব সময় কিছু করতে পারলে মনে তৃপ্তি পাই এমনটি বললেন,ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুরের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ রাসেল। তিনি আরো বলেন, জনগণ আমাকে যে, কি পরিমাণ ভালোবাসে সেটা আমি তাদের ভোটের মাধ্যমে বুঝতে পেরেছি। আর আমি ও তাদের জন্য মন প্রাণ উজাড় করে দিয়ে কাজ করার জন্য চেষ্টা করে যাব। চেয়ারম্যানি কারো বাবার সম্পতি নয়,এটা জনগণের দেয়া আমানত। আর যে,এই আমানতের খেয়ানত করেছে,নিজে ভোগের জন্য চেয়ারম্যান হয়েছে তারা আজ সমাজে আস্তাকুড়ে অবস্থান করছে। মানুষ আজ তাদের দিকে অত্যন্ত ঘৃণা ভরে তাকাচ্ছে। আমি এমন ভাবে আমার পরিষদ চালাতে চাই,যেখানে কোন মানুষে মানুষে ভেদাভেদ বা পার্থক্য থাকবেনা সকলকে একসমান দৃষ্টিতে দেখা হবে। এখানে কেউ কোলে আবার কেউ কাহে তার স্থান হবেনা। সাহায্য আসলে কেউ বার-বার, আর কেউ একবারওনা এমটি কখনোই হতে দেবনা। আমি এই ইউনিয়নের জনগণের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাই আসলে চেয়ারম্যানী ভোগের জন্য না, ত্যাগের জন্য। আর তাছাড়া মানব সেবা বড় মহৎ কাজ। এটা সকলের ভাগ্যে ঝোটেও না। আমি সেবা করে সারাজীবন সকল মানুষের মনে জায়গা করে নিতে চাই। আমি এই আর্দশ শিখেছি আমার প্রিয় নেতা তজুমদ্দিন ও লালমোহনের মাটি ও মানুষের নেতা নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন কাছ থেকে। তিনি বৈশ্বিক এই মহামারি দূর্যোগের সময় এবং দেশের এমন ক্রান্তিলগ্নে করোনাকে ভয় না করে বেশির ভাগ সময় তার নিজ এলাকায় থেকে কি দিনে-কি রাতে সব সময় গরীব এতিমের দরজায় সাহায্য নিজ হাতে নিয়ে দিয়েছেন,যা আমাদের সকলের চোখে দেখা। আমার এমপির মতো,বাংলাদেশে আর কোন এমপি এত সৎ এবং পরিশ্রমী আছে বলে আমার জানা নেই। যিনি প্রতিবার ভোলায় আসলেই কখনো গাড়ীতে আবার কখনো পায়ে হেঁটে ইউনিয়নে-ইউনিয়নে গিয়ে কার কি অবস্থা,আবার কে কি অবস্থায় আছে,তার খোঁজ খবর নেয়া,এবং নিজের হাতে তাদের সাহায্য সহযোগীতা করা,এমন বিরল ঘটনা আমি আমার জীবনে কোন এমপি করেছে বলে শুনিনি। আল্লাহ আমার এই মহান নেতাকে আজীবন সুস্থ রাখুক যাতে করে এভাবেই মানুষের খেদমত করে যেতে পারেন আমিন।

















