Dhaka , Wednesday, 29 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।। মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।। শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা কালে জনতার হাতে যুবক আটক।। রামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আরাফাতের  নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার।। রূপগঞ্জে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ।। তিতাসের জিয়ারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেনের শিক্ষকতার দুই যুগপূর্তি।। কোম্পানীগঞ্জে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার- স্বামী পলাতক।। নরসিংদী বৃষ্টির কারনে পশুর হাটে বেচা কেনা কম।। মায়ের সামনে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু।। ঈদুল আযহা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৮ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ।। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিংয়ে সারাদেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাজাপুরের মশিউর রহমান তামিম।। সুন্দরগঞ্জের দহবন্দ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ।। কুমিল্লা পিটিআই কর্তৃক সততা নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন- তানজুরুন নাহার।। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর শুভ সূচনা।। সড়কতো নয় যেন ধান শুকানোর চাতাল।। তিতাসে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত।। ঈদ উপলক্ষে হিলিতে বিনামূল্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে চাল বিতারণ।।  পাবনায় হত্যায় মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।। আই-ইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সভাপতি পিয়াস সম্পাদক ইকবাল।। পাবনা জেলা স্কুল জাতীয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়।। সিলেটে বৃস্পতিবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত-ফের জলাবদ্ধতার শঙ্কা।। জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রফিক আমার নামে মিথ্যাচার চালাচ্ছে- আবুল বাশার  বাদশা।। নিখোঁজের দুদিন পর মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ঘাটলার নিচে।। ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন।। সুন্দরগঞ্জে পশুর হাট নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৩ রাউন্ড গুলি বিনিময়- পুলিশসহ আহত ১০।। নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু।। পাবনায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ জন নিহত আহত -৭ জন।। রূপগঞ্জ কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী রফিক সমর্থকদের উপর হামলা।। ৩৬ দিন পর যুবকের লাশ উত্তোলন- ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের।। শিবচরে আগুনে ১৩ গরু মারা গেছে।।

তৃণমূলে জনপ্রিয়তাই যার শক্তি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:05:35 pm, Thursday, 25 August 2022
  • 114 বার পড়া হয়েছে

তৃণমূলে জনপ্রিয়তাই যার শক্তি

গোপাল হালদার, পটুয়াখালী।।

 

পটুয়াখালীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে ঢেলে সাজাতে চান একাত্তরের রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. সুলতান আহমেদ মৃধা। পটুয়াখালী আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে কখনো পৌর চেয়ারম্যান আবার কখনো উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দলীয় নেতা-কর্মীসহ এলাকার মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

তিনি ছাত্রজীবন থেকে এ পর্যন্ত শক্ত হাতে আওয়ামী লীগকে ধরে রেখেছেন এবং দলের প্রতি তাঁর ত্যাগ ও আন্তরিকতার কারণে সুলতান আহমেদ মৃধা একজন কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। এমনকি আওয়ামী লীগের রাজনীতির জন্য বিভিন্ন সময় জেল-জুলুম এবং নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তবুও তিনি পিছু হটেননি এবং মাথা নত করেননি কারও কাছে। হারাতে হয়েছে তাঁর বড় ছেলে জেলা যুবলীগের অন্যতম নেতা শহীদ মাহামুদুল হক পলাশ মৃধাকে।

তারপরও তিনি দমে যাননি। দলের যে কোনো কঠিন ও দুর্যোগ পরিস্থিতিতে দলকে টিকিয়ে রাখতে মাঠের রাজনীতিবিদ হিসেবে সবার কাছে একজন নির্ভরযোগ্য হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণে দলীয়ভাবে সন্তানহারা পিতা অ্যাডভোকেট মো. সুলতান আহমেদ মৃধাকে পুরস্কৃতও করেন দলীয় নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই পুরস্কার হিসেবে দশম জাতীয় সংসদে তাঁর সহধর্মিণীকে করা হয়েছিল সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য।

বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. সুলতান আহমেদ মৃধা বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। এ ছাড়াও তিনি শহরের ৪০টি সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠন ও সংস্থার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত এবং দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সুলতান আহমেদ মৃধা ১৯৯৩ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ওই সময় বরিশাল বিভাগের ছয়জন পৌর চেয়ারম্যানের মধ্যে তিনিই একমাত্র আওয়ামী লীগের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন এবং বাকি পাঁচজন বিএনপিদলীয় পৌর চেয়ারম্যান ছিলেন।

তিনি ছয় বছর (১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত) পৌরসভা চেয়ারম্যান থাকাকালীন পটুয়াখালী পৌর শহরে বিদ্যুৎ, ওয়াটার সাপ্লাই ও স্যানিটেশনের ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেন।

তাঁর একান্ত প্রচেষ্টায় ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে পটুয়াখালী শহরের লঞ্চঘাট সংলগ্ন পৌর মার্কেট নির্মাণ করেন। পৌর নিউ মার্কেটের দ্বিতল ভবন ও মার্কেটের সম্প্রসারণ করে মাত্র ২ হাজার টাকা পৌর কোষাগারে জমা রেখে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে হস্তান্তর করেছেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের মাধ্যমে এমএসপি প্রকল্পের আওতায় নতুন বাসস্ট্যান্ডসহ একাধিক সড়ক ও সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেন। এ ছাড়াও শেরেবাংলা পাঠাগার ও শেরেবাংলা টাউন হল যা কেরিডিয়ান মার্কেট খুলনার আওতায় ছিল সেগুলো ক্যাবিনেট ডিভিশনের হস্তক্ষেপ থেকে নিজস্ব চেষ্টায় পৌরসভার আওতায় নিয়ে আসেন তিনি।

যার মাধ্যমে পৌরসভার নিজস্ব আয়ের উৎস হয়। এ জন্য তিনি পৌরসভা চেয়ারম্যান হিসেবে পৌরবাসীর কাছে উন্নয়নের রূপকার হিসেবে পরিচিত। প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১২ সালে জেলায় শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য একাধিক পদকপ্রাপ্ত হন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. সুলতান আহমেদ মৃধার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনীর কারণে দশম জাতীয় সংসদে তাঁর সহধর্মিণী মিসেস লুৎফুন নেছাকে প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেন।

তিনি পাঁচ বছর সংসদ সদস্য থাকাকালীন এলাকার মসজিদ, মন্দির, মাদরাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।।

তৃণমূলে জনপ্রিয়তাই যার শক্তি

আপডেট সময় : 11:05:35 pm, Thursday, 25 August 2022

গোপাল হালদার, পটুয়াখালী।।

 

পটুয়াখালীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে ঢেলে সাজাতে চান একাত্তরের রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. সুলতান আহমেদ মৃধা। পটুয়াখালী আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে কখনো পৌর চেয়ারম্যান আবার কখনো উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দলীয় নেতা-কর্মীসহ এলাকার মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

তিনি ছাত্রজীবন থেকে এ পর্যন্ত শক্ত হাতে আওয়ামী লীগকে ধরে রেখেছেন এবং দলের প্রতি তাঁর ত্যাগ ও আন্তরিকতার কারণে সুলতান আহমেদ মৃধা একজন কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। এমনকি আওয়ামী লীগের রাজনীতির জন্য বিভিন্ন সময় জেল-জুলুম এবং নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তবুও তিনি পিছু হটেননি এবং মাথা নত করেননি কারও কাছে। হারাতে হয়েছে তাঁর বড় ছেলে জেলা যুবলীগের অন্যতম নেতা শহীদ মাহামুদুল হক পলাশ মৃধাকে।

তারপরও তিনি দমে যাননি। দলের যে কোনো কঠিন ও দুর্যোগ পরিস্থিতিতে দলকে টিকিয়ে রাখতে মাঠের রাজনীতিবিদ হিসেবে সবার কাছে একজন নির্ভরযোগ্য হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণে দলীয়ভাবে সন্তানহারা পিতা অ্যাডভোকেট মো. সুলতান আহমেদ মৃধাকে পুরস্কৃতও করেন দলীয় নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই পুরস্কার হিসেবে দশম জাতীয় সংসদে তাঁর সহধর্মিণীকে করা হয়েছিল সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য।

বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. সুলতান আহমেদ মৃধা বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। এ ছাড়াও তিনি শহরের ৪০টি সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠন ও সংস্থার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত এবং দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সুলতান আহমেদ মৃধা ১৯৯৩ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ওই সময় বরিশাল বিভাগের ছয়জন পৌর চেয়ারম্যানের মধ্যে তিনিই একমাত্র আওয়ামী লীগের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন এবং বাকি পাঁচজন বিএনপিদলীয় পৌর চেয়ারম্যান ছিলেন।

তিনি ছয় বছর (১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত) পৌরসভা চেয়ারম্যান থাকাকালীন পটুয়াখালী পৌর শহরে বিদ্যুৎ, ওয়াটার সাপ্লাই ও স্যানিটেশনের ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেন।

তাঁর একান্ত প্রচেষ্টায় ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে পটুয়াখালী শহরের লঞ্চঘাট সংলগ্ন পৌর মার্কেট নির্মাণ করেন। পৌর নিউ মার্কেটের দ্বিতল ভবন ও মার্কেটের সম্প্রসারণ করে মাত্র ২ হাজার টাকা পৌর কোষাগারে জমা রেখে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে হস্তান্তর করেছেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের মাধ্যমে এমএসপি প্রকল্পের আওতায় নতুন বাসস্ট্যান্ডসহ একাধিক সড়ক ও সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেন। এ ছাড়াও শেরেবাংলা পাঠাগার ও শেরেবাংলা টাউন হল যা কেরিডিয়ান মার্কেট খুলনার আওতায় ছিল সেগুলো ক্যাবিনেট ডিভিশনের হস্তক্ষেপ থেকে নিজস্ব চেষ্টায় পৌরসভার আওতায় নিয়ে আসেন তিনি।

যার মাধ্যমে পৌরসভার নিজস্ব আয়ের উৎস হয়। এ জন্য তিনি পৌরসভা চেয়ারম্যান হিসেবে পৌরবাসীর কাছে উন্নয়নের রূপকার হিসেবে পরিচিত। প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১২ সালে জেলায় শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য একাধিক পদকপ্রাপ্ত হন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. সুলতান আহমেদ মৃধার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনীর কারণে দশম জাতীয় সংসদে তাঁর সহধর্মিণী মিসেস লুৎফুন নেছাকে প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেন।

তিনি পাঁচ বছর সংসদ সদস্য থাকাকালীন এলাকার মসজিদ, মন্দির, মাদরাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন।