
মেহেরপুর প্রতিনিধি।।
বেশ কয়েক বছর বøাস্ট রোগের কারণে গাংনীতে কমেছিল গমের আবাদ। এবার অনুকুল আবহাওয়া আর বøাস্ট প্রতিরোধি গমের বীজ সরবরাহ করায় গমের আবাদ বেড়েছে। বাম্পার ফলনের আশাও করছেন চাষীরা। প্রয়োজনীয় পরামর্শও দিচ্ছেন কৃষি বিভাগ।
গাংনী উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলাতে সাত হাজার ৬৫ হেক্টর জমি গম চাষ হয়েছে। গেলো বছরে চাষ হয়েছিলো পাঁচ হাজার ৫০০ হেক্টর। এসব জমিতে বারি ৩৩ এবং বারি ৩০ জাতের গম চাষ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে চাষীদের পরার্মশ অনুযায়ী সার ও বালাইনাশক ব্যবহারে কথা বলা হয়েছে। অনুক‚লে আবহাওয়া থাকলে ভালো ফলেন আশা করছেন কৃষি বিভাগ ও চাষিরা।
হাড়াভাঙ্গা গ্রামের আয়ুব আলী জানান, গত দু’বছরে গমের চাষ না করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছিল কৃষি বিভাগ থেকে। কিন্তু এ বছর সহড়াতলা ও হাড়াভাঙ্গা মাঠে ৭ বিঘা জমিতে গমের চাষ করেছেন তিনি। আবহাওয়া অনুকুল তাই ভাল ফলনের আশা করছেন তিনি। একই কথা জানালেন, হাড়াভাঙ্গা গ্রামের রফিকুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক ও সাহারুল মেম্বার। এরা সকলেই এক একর করে গম চাষ করেছেন।
গাংনী উপজেলা বামন্দী গ্রামের ফরিদ জানান, গেল বছর এক বিঘা জমিতে গম চাষ করেছিলেন তিনি। বøাস্ট রোগে আক্রান্ত হবার কারণে এবার গম চাষ করবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু কৃষি অফিস থেকে বøাস্ট প্রতিরোধি গম চাষ করার পরামর্শ দেয়ায় এক একর জমিতে গম চাষ করেছেন। কৃষি অফিসের পরামর্শে সার ও বালাই নাশক প্রয়োগ করছেন তিনি। ভাল ফলন পাবেন বলেও আশাবাদী।
গাংনী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানান, গত কয়েক বছর গম ক্ষেতে বøাস্ট রোগ দেখা দেয়ায় চাষিদেরকে গম চাষে নিরুৎসাহিত করা হয়। গেল বছর অনেকেই গম চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছে। এ বছর বøাস্ট প্রতিরোধি গম বারি ৩০ ও ৩৩ জাতের গম চাষের জন্য প্রণোদনা দেয়ার পাশাপাশি চাষ করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়। সেই সাথে সার ও বালাই নাশক প্রয়োগের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। অনুকুল আবহাওয়া থাকলে বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে

















