
তৌহিদ বেলাল
কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।।
কক্সবাজার শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বাঁকখালী নদীর তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল দশটা থেকে নদীটির কস্তুরাঘাট মোহনা থেকে এই অভিযান শুরু হয়ে সারাদিন চলে। অভিযানকালে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর, বনবিভাগ, বিআইডব্লিউটিএসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ছিলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সদস্য।
জানা যায়, কক্সবাজার শহরের প্রাণ হিসেবে পরিচিত বাঁকখালী নদীর তীরে দখলের মহোৎসব চলে আসছে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে। নদীর তীরে ৬শ’ হেক্টর প্যারাবন নিধন করে একে একে চলছে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের কাজ। গেল দুই মাসের ব্যবধানে নদীর তীরের শত হেক্টর জমি দখলের পর চলছে স্থাপনা নির্মাণ। শহরতলির খুরুশকুলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য কস্তুরাঘাট পয়েন্টে বাঁকখালী নদীর ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে একটি সেতু। এই সেতুর পাশাপাশি সংযোগ সড়ক তৈরি হওয়ায় সড়কের দুই পাশে প্যারাবন ধ্বংস করে নদী দখলের মহোৎসবে মেতে উঠছে বিভিন্ন প্রভাবশালী চক্র। যদিও এখানে একটি নদীবন্দর করার জন্য সরকারের প্রজ্ঞাপন রয়েছে। এর জন্য এ জমি বিআইডব্লিউটিএকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য হাইকোর্টের রায় রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করার কথা জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান।
তিনি জানান, এই অভিযান সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলবে। কোনোভাবেই নদীদখলের প্রশ্নে ছাড় দেওয়া হবে না

















