Dhaka , Friday, 16 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।। মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।। শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা কালে জনতার হাতে যুবক আটক।। রামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আরাফাতের  নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার।। রূপগঞ্জে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ।। তিতাসের জিয়ারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেনের শিক্ষকতার দুই যুগপূর্তি।। কোম্পানীগঞ্জে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার- স্বামী পলাতক।। নরসিংদী বৃষ্টির কারনে পশুর হাটে বেচা কেনা কম।। মায়ের সামনে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু।। ঈদুল আযহা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৮ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ।। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিংয়ে সারাদেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাজাপুরের মশিউর রহমান তামিম।। সুন্দরগঞ্জের দহবন্দ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ।। কুমিল্লা পিটিআই কর্তৃক সততা নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন- তানজুরুন নাহার।। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর শুভ সূচনা।। সড়কতো নয় যেন ধান শুকানোর চাতাল।। তিতাসে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত।। ঈদ উপলক্ষে হিলিতে বিনামূল্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে চাল বিতারণ।।  পাবনায় হত্যায় মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।। আই-ইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সভাপতি পিয়াস সম্পাদক ইকবাল।। পাবনা জেলা স্কুল জাতীয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়।। সিলেটে বৃস্পতিবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত-ফের জলাবদ্ধতার শঙ্কা।। জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রফিক আমার নামে মিথ্যাচার চালাচ্ছে- আবুল বাশার  বাদশা।। নিখোঁজের দুদিন পর মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ঘাটলার নিচে।। ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন।। সুন্দরগঞ্জে পশুর হাট নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৩ রাউন্ড গুলি বিনিময়- পুলিশসহ আহত ১০।। নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু।। পাবনায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ জন নিহত আহত -৭ জন।। রূপগঞ্জ কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী রফিক সমর্থকদের উপর হামলা।। ৩৬ দিন পর যুবকের লাশ উত্তোলন- ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের।। শিবচরে আগুনে ১৩ গরু মারা গেছে।।

গাংনীতে বিধবা সাহেরার দু’মুঠো ভাতের জন্য আহাজরী

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:35:45 pm, Sunday, 9 July 2023
  • 111 বার পড়া হয়েছে

গাংনীতে বিধবা সাহেরার দু’মুঠো ভাতের জন্য আহাজরী

মেহেরপুর

জুরাইস ইসলাম।।

পুত্র বধুদের মানষিক নির্যাতন আর মেয়েদের অবহেলা এখন নিত্য দিনের ঘটনা বৃদ্ধা সাহেরা। বাড়ির উঠানে একটি টিনের ছাপড়া ঘরে বৃদ্ধার ঠাঁই মিলেছে। সেখানেই প্রসাব পায়খানা খাওয়া ও গোসলের ব্যবস্থা। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে গিয়ে বাক প্রতিবন্ধী এই সাহেরা ধুকে ধুকে মরছে। সাহেরা খাতুন গাংনীর উপজেলা কল্যাণপুর উত্তর পাড়ার মৃত খেলাফত মÐলের স্ত্রী।
বৃদ্ধা সাহেরা খাতুনের বয়স আশির উর্ধে¦। সংসারে রয়েছে তিন ছেলে ৫ মেয়ে। সকলেই স্বাবলম্বী। বড় ছেলে হকাজ্জেল কৃষিকাজ করে। মেজ ছেলে তুষার ও ছোট ছেলে হানিফ প্রবাসি। স্বামী গত হয়েছেন ১৭ বছর আগে। সন্তানদের বড় করে তুলতে অনেক কষ্ট জবীনে সংগ্রাম করতে হয়েছে তাকে। আশা ছিল সন্তানেরা বৃদ্ধ বয়সে কামাই করে খাওয়াবে আর মৃত্যুর সময় সৃষ্টিকর্তার নামটি কানে দিবে। কিন্তু না, তা হয়নি। হতভাগা মায়ের জীবনে নেমে এসেছে সুখের বদলে দুঃখের ঘনঘটা। পাষÐ সন্তানেরা সম্পদ ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধ মাকে দেখভাল করেন না। স্বামীর রেখে যাওয়া জমির দুই আনা অংশ হিসেবে ৫ কাঠা জমি পান সাহেরা। ওই জমির কিছু অংশ বিক্রি করে ২৫ হাজার টাকা পেলে সাহেরার মেয়ে মেহেন্নীগার। সেই সাথে সুÑকৌশুলে হাতিয়ে নেন মায়ের গলার চেইন ও কানের পাশা।
এদিকে কৌশলে ৫ বোনকে ফাঁকি দিয়ে ৫ কাঠা জমি লিখে নেন তিন ছেলে। মেয়েদের কাছে থাকা অর্থ ও গয়না না পাওয়ায় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সইতে হয় সাহেরাকে। অপরদিকে মেয়েরাও কোন খোঁজ খবর নেন না। সব মিলিয়ে সাহেরার জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার। সাহেরাকে ছেলেদের দালান কোঠায় ঠাঁই হয়নি। উঠানের এক কোণে টিনের ছাপড়া ঘরে তাকে রাখা হয়েছে। সেখানেই প্রসাব পায়খানা খাওয়া ও গোসলের ব্যবস্থা। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে গিয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী এই সাহেরা ধুকে ধুকে মরছে। তবে পুত্র বধুরা বলেছেন, বৃদ্ধ আছে বেশ সুখে শান্তিতে।
সাহেরার দেবর হারেজ আলী জানান, সাহেরা খাতুনের স্বামী মারা যাবার পর তিনি নিজেই রান্না বান্না করে খাওয়া দাওয়া করতেন। তার নিজের একটা গাভী ছিল। সেটি বিক্রি করে নগদ ৫০ হাজার টাকা জমা দেন কাউছার মেম্বরের কাছে। সাহেরা অসুস্থ হবার পর ১০ হাজার টাকা খরচ করে। বাকি টাকা রয়ে যায় মেম্বরের কাছে। আবার বয়স্কভাতা প্রাপ্ত টাকা গুলোও সন্তানেরা ভাগ করে নিয়ে নেয়।
প্রতিবেশি বাবলু জানান, মায়ের ভরন পোষন ও ভাত দেয়ার বিষয়ে তিন ভায়ের মধ্যে সমঝোতা হয়। ১০ দিন করে একেক সন্তান মাকে খাওয়াবে ও যতœ নিবে। অথচ কেউ সঠিকভাবে তা করেন না। যার কাছেই যাক সেখানেই অবহেলার পাত্র তিনি। ঠিক মতো খাবার দেন না। করেন না গোসলের ব্যবস্থা। তবে মেজ ছেলের স্ত্রী রুপিয়া জানান, কোন অবহেলা করা হয় না। সকলেই যতœ নেন কোন অবহেলা নেই। তবে মেয়েরা সম্পদ থেকে বঞ্চিত ও তার গচ্ছিত টাকা হাতিয়ে নিতে না পেরে মাকে দেখভাল করেন না উপরন্ত নানা ধরনের ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে সম্মানহানী করে।
প্রতিবেশি সাজিয়া খাতুন জানান, সন্তানদের কারো কোন অভাব নেই সংসারে। মেয়েরাও বেশ ধনি। টাকা পয়সার কারণে বৃদ্ধ মহিলাটাকে কেউ দেখে না। তিনি আরো জানান, গত শনিবার ছেলে ও মেয়েদের দ্ব›েদ্বর কারণে তাকে রাস্তায় রেখে গেছে। ছেলের বউরা মেয়ের বাড়িতে রেখে আসলে মেয়েরাও বাড়ি থেকে রাস্তায় ফেলে রাখে। স্থানীয় লোকজনের প্রতিবাদে অবশেষে ছেলের বউরা বাড়িতে নিয়ে যান।
মেজ ছেলের স্ত্রীসহ অন্যান্যরা জানান, যতই আদর যতœ করা হয়, তার পরও বাড়ির পাশে মেয়ে আছে তার কাছে যাওয়া ও দেখার জন্য ছটফট করেন সাহেরা। মেয়েদেরকে খবর দেয়া হলেও তারা কেউ আসে না। এক পর্যায়ে শনিবার মেয়ের বাড়িতে দিয়ে আসা হয়। সম্পদ না পাওয়ার কারণে মেয়েরা বাড়িতে না রেখে রাস্তায় রেখে যায়। পরে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
এ ব্যাপারে সাহেরার মেয়ে মেহেন্নীগার জানান, মাকে তার বাড়িতে না, বাড়ির পাশে রেখে যায় ভাবীরা। তারপর তাদের বাড়ির পাশে রেখে আসা হয়। মায়ের জমি জমা ফেরত দিলে তারাও মায়ের সেবা যতœ করবেন বলে জানান। তিনি আরো জানান, মায়ের বিষয় নিয়ে গ্রামে ও কয়েকবার পুলিশ ক্যাম্পে সালিশ হলেও কোন সমঝোতা আসেনি।
এ ব্যাপারে কাউছার মেম্বর জানান, তার কাছে ৪০ হাজার টাকা গচ্ছিত আছে। যে কোন সময় চিকিৎসা বা তার দাফন কাফনে টাকাগুলো লাগতে পারে। তবে মেয়ের কাছে রাখা টাকাগুলো দিচ্ছেন না তারা। সালিশ বৈঠকেও কোন সুরাহা হয়নি।
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, এ ব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।।

গাংনীতে বিধবা সাহেরার দু’মুঠো ভাতের জন্য আহাজরী

আপডেট সময় : 03:35:45 pm, Sunday, 9 July 2023

মেহেরপুর

জুরাইস ইসলাম।।

পুত্র বধুদের মানষিক নির্যাতন আর মেয়েদের অবহেলা এখন নিত্য দিনের ঘটনা বৃদ্ধা সাহেরা। বাড়ির উঠানে একটি টিনের ছাপড়া ঘরে বৃদ্ধার ঠাঁই মিলেছে। সেখানেই প্রসাব পায়খানা খাওয়া ও গোসলের ব্যবস্থা। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে গিয়ে বাক প্রতিবন্ধী এই সাহেরা ধুকে ধুকে মরছে। সাহেরা খাতুন গাংনীর উপজেলা কল্যাণপুর উত্তর পাড়ার মৃত খেলাফত মÐলের স্ত্রী।
বৃদ্ধা সাহেরা খাতুনের বয়স আশির উর্ধে¦। সংসারে রয়েছে তিন ছেলে ৫ মেয়ে। সকলেই স্বাবলম্বী। বড় ছেলে হকাজ্জেল কৃষিকাজ করে। মেজ ছেলে তুষার ও ছোট ছেলে হানিফ প্রবাসি। স্বামী গত হয়েছেন ১৭ বছর আগে। সন্তানদের বড় করে তুলতে অনেক কষ্ট জবীনে সংগ্রাম করতে হয়েছে তাকে। আশা ছিল সন্তানেরা বৃদ্ধ বয়সে কামাই করে খাওয়াবে আর মৃত্যুর সময় সৃষ্টিকর্তার নামটি কানে দিবে। কিন্তু না, তা হয়নি। হতভাগা মায়ের জীবনে নেমে এসেছে সুখের বদলে দুঃখের ঘনঘটা। পাষÐ সন্তানেরা সম্পদ ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধ মাকে দেখভাল করেন না। স্বামীর রেখে যাওয়া জমির দুই আনা অংশ হিসেবে ৫ কাঠা জমি পান সাহেরা। ওই জমির কিছু অংশ বিক্রি করে ২৫ হাজার টাকা পেলে সাহেরার মেয়ে মেহেন্নীগার। সেই সাথে সুÑকৌশুলে হাতিয়ে নেন মায়ের গলার চেইন ও কানের পাশা।
এদিকে কৌশলে ৫ বোনকে ফাঁকি দিয়ে ৫ কাঠা জমি লিখে নেন তিন ছেলে। মেয়েদের কাছে থাকা অর্থ ও গয়না না পাওয়ায় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সইতে হয় সাহেরাকে। অপরদিকে মেয়েরাও কোন খোঁজ খবর নেন না। সব মিলিয়ে সাহেরার জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার। সাহেরাকে ছেলেদের দালান কোঠায় ঠাঁই হয়নি। উঠানের এক কোণে টিনের ছাপড়া ঘরে তাকে রাখা হয়েছে। সেখানেই প্রসাব পায়খানা খাওয়া ও গোসলের ব্যবস্থা। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করতে গিয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী এই সাহেরা ধুকে ধুকে মরছে। তবে পুত্র বধুরা বলেছেন, বৃদ্ধ আছে বেশ সুখে শান্তিতে।
সাহেরার দেবর হারেজ আলী জানান, সাহেরা খাতুনের স্বামী মারা যাবার পর তিনি নিজেই রান্না বান্না করে খাওয়া দাওয়া করতেন। তার নিজের একটা গাভী ছিল। সেটি বিক্রি করে নগদ ৫০ হাজার টাকা জমা দেন কাউছার মেম্বরের কাছে। সাহেরা অসুস্থ হবার পর ১০ হাজার টাকা খরচ করে। বাকি টাকা রয়ে যায় মেম্বরের কাছে। আবার বয়স্কভাতা প্রাপ্ত টাকা গুলোও সন্তানেরা ভাগ করে নিয়ে নেয়।
প্রতিবেশি বাবলু জানান, মায়ের ভরন পোষন ও ভাত দেয়ার বিষয়ে তিন ভায়ের মধ্যে সমঝোতা হয়। ১০ দিন করে একেক সন্তান মাকে খাওয়াবে ও যতœ নিবে। অথচ কেউ সঠিকভাবে তা করেন না। যার কাছেই যাক সেখানেই অবহেলার পাত্র তিনি। ঠিক মতো খাবার দেন না। করেন না গোসলের ব্যবস্থা। তবে মেজ ছেলের স্ত্রী রুপিয়া জানান, কোন অবহেলা করা হয় না। সকলেই যতœ নেন কোন অবহেলা নেই। তবে মেয়েরা সম্পদ থেকে বঞ্চিত ও তার গচ্ছিত টাকা হাতিয়ে নিতে না পেরে মাকে দেখভাল করেন না উপরন্ত নানা ধরনের ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে সম্মানহানী করে।
প্রতিবেশি সাজিয়া খাতুন জানান, সন্তানদের কারো কোন অভাব নেই সংসারে। মেয়েরাও বেশ ধনি। টাকা পয়সার কারণে বৃদ্ধ মহিলাটাকে কেউ দেখে না। তিনি আরো জানান, গত শনিবার ছেলে ও মেয়েদের দ্ব›েদ্বর কারণে তাকে রাস্তায় রেখে গেছে। ছেলের বউরা মেয়ের বাড়িতে রেখে আসলে মেয়েরাও বাড়ি থেকে রাস্তায় ফেলে রাখে। স্থানীয় লোকজনের প্রতিবাদে অবশেষে ছেলের বউরা বাড়িতে নিয়ে যান।
মেজ ছেলের স্ত্রীসহ অন্যান্যরা জানান, যতই আদর যতœ করা হয়, তার পরও বাড়ির পাশে মেয়ে আছে তার কাছে যাওয়া ও দেখার জন্য ছটফট করেন সাহেরা। মেয়েদেরকে খবর দেয়া হলেও তারা কেউ আসে না। এক পর্যায়ে শনিবার মেয়ের বাড়িতে দিয়ে আসা হয়। সম্পদ না পাওয়ার কারণে মেয়েরা বাড়িতে না রেখে রাস্তায় রেখে যায়। পরে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
এ ব্যাপারে সাহেরার মেয়ে মেহেন্নীগার জানান, মাকে তার বাড়িতে না, বাড়ির পাশে রেখে যায় ভাবীরা। তারপর তাদের বাড়ির পাশে রেখে আসা হয়। মায়ের জমি জমা ফেরত দিলে তারাও মায়ের সেবা যতœ করবেন বলে জানান। তিনি আরো জানান, মায়ের বিষয় নিয়ে গ্রামে ও কয়েকবার পুলিশ ক্যাম্পে সালিশ হলেও কোন সমঝোতা আসেনি।
এ ব্যাপারে কাউছার মেম্বর জানান, তার কাছে ৪০ হাজার টাকা গচ্ছিত আছে। যে কোন সময় চিকিৎসা বা তার দাফন কাফনে টাকাগুলো লাগতে পারে। তবে মেয়ের কাছে রাখা টাকাগুলো দিচ্ছেন না তারা। সালিশ বৈঠকেও কোন সুরাহা হয়নি।
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, এ ব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।