Dhaka , Friday, 6 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।। মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।। শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা কালে জনতার হাতে যুবক আটক।। রামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আরাফাতের  নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার।। রূপগঞ্জে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ।। তিতাসের জিয়ারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেনের শিক্ষকতার দুই যুগপূর্তি।। কোম্পানীগঞ্জে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার- স্বামী পলাতক।। নরসিংদী বৃষ্টির কারনে পশুর হাটে বেচা কেনা কম।। মায়ের সামনে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু।। ঈদুল আযহা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৮ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ।। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিংয়ে সারাদেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাজাপুরের মশিউর রহমান তামিম।। সুন্দরগঞ্জের দহবন্দ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ।। কুমিল্লা পিটিআই কর্তৃক সততা নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন- তানজুরুন নাহার।। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর শুভ সূচনা।। সড়কতো নয় যেন ধান শুকানোর চাতাল।। তিতাসে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত।। ঈদ উপলক্ষে হিলিতে বিনামূল্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে চাল বিতারণ।।  পাবনায় হত্যায় মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।। আই-ইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সভাপতি পিয়াস সম্পাদক ইকবাল।। পাবনা জেলা স্কুল জাতীয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়।। সিলেটে বৃস্পতিবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত-ফের জলাবদ্ধতার শঙ্কা।। জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রফিক আমার নামে মিথ্যাচার চালাচ্ছে- আবুল বাশার  বাদশা।। নিখোঁজের দুদিন পর মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ঘাটলার নিচে।। ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন।। সুন্দরগঞ্জে পশুর হাট নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৩ রাউন্ড গুলি বিনিময়- পুলিশসহ আহত ১০।। নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু।। পাবনায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ জন নিহত আহত -৭ জন।। রূপগঞ্জ কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী রফিক সমর্থকদের উপর হামলা।। ৩৬ দিন পর যুবকের লাশ উত্তোলন- ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের।। শিবচরে আগুনে ১৩ গরু মারা গেছে।।

জগন্নাথপুরে পতিত জমিতে আউশের বাম্পার ফলন ।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:50:26 pm, Friday, 4 August 2023
  • 94 বার পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুরে পতিত জমিতে আউশের বাম্পার ফলন ।।

জগন্নাথপুর

(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।।

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। জমিতে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলন পেয়ে কৃষকদের মুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি।
জানাগেছে, বেশ কিছু দিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে আউশ ধান কাটার ধুম পড়েছে। এর মধ্যে জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি অধিপ্তরের উদ্যোগে উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের মিরপুর বাজারের পাশের হাওরে উৎপাদিত স্থানীয় হলিয়ারপাড়া গ্রামের কৃষক রুহেল মিয়ার জমির পাকা ধান আনুষ্ঠানিক ভাবে কর্তন করা হয়েছে। এ সময় নমুনা শস্য কর্তনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ সহ অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কৃষকেরা অংশ গ্রহণ করেন।
এনামুল হক, আছলম উদ্দিন, রহিম আলী, গপেশ দাস, আবদুল কাদির সহ উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে অনেকে জানান, হাওর বেষ্টিত উপজেলা হচ্ছে জগন্নাথপুর। এ উপজেলায় নিচু জলাভূমির পরিমাণ বেশি। যে কারণে বোরো ধান বেশি আবাদ হয়ে থাকে। তুলনায় উঁচু জমির পরিমাণ কম। তার উপর সকল জমি আবাদ হয় না। বোরো’র পরে রয়েছে আমনের অবস্থান। উপজেলাজুড়ে আমন কমবেশি আবাদ হয়। তবে আউশে কৃষকদের যতো অনীহা। পরিমাণে কম হলেও আউশ আবাদের যতেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তবুও কাঙ্খিত আউশ আবাদ হচ্ছে না। ফলে অধিকাংশ আউশ জমি পতিত থাকে। কারণ হিসেবে তারা জানান, যে সময় আউশ রোপন হয়, তখন তেমন বৃষ্টিপাত হয় না। ফলে পানির অভাবে জমি আবাদ কষ্টকর হয়ে যায়। তার উপর উঁচু জমি হওয়ায় কয়েকবার করে হালচাষ করতে হয়। এতে খরচ ও কষ্ট বেশি হয় থাকে। সেই তুলনায় ফলন হয় কম। এসব নানা কারণে আউশ আবাদে কৃষকরা পিছিয়ে থাকেন।
তবে এবার জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আউশ আবাদে কৃষকদের নানা ভাবে উৎসাহিত করা হয়। কৃষকদের খরচ কমাতে সরকারি কৃষি প্রণোদনা হিসেবে উন্নতমানের ধানের বীজ, সার সহ অন্যান্য উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। মাঠে ময়দানে গিয়ে জমি আবাদে শিখিয়ে দেয়া হয় নানা কলা-কৌশল ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ। এতে অনেক অনাবাদি পতিত জমি এবার আবাদের আওতায় এসেছে। সেই সাথে কম খরচে জমি আবাদ করতে পেরেছেন কৃষকরা। অন্য বছরের তুলনায় এবার জমিতে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে। কেদার প্রতি কমপক্ষে ১২ থেকে ১৩ মণ ধান পেয়ে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। রুহেল মিয়া সহ অন্যান্য কৃষকরা জানান, এবার কৃষি অধিদপ্তরের কৃষি সহায়তা ও পরামর্শে জমি আবাদ করে কম খরচে বেশি ধান পাওয়ায় অনেক খুশি হয়েছি। আগামীতে আরো বেশি করে আউশ জমি আবাদ করবো।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ৪ আগস্ট শুক্রবার জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ জানান, জগন্নাথপুর উপজেলায় দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে আউশ ধান। এবার উপজেলার কলকলিয়া, পাটলি ও মিরপুর ইউনিয়ন এলাকার উঁচু জমিতে আউশ বেশি আবাদ হয়েছে। সরকার কৃষি প্রণোদনা দিয়ে কৃষকদের জমি আবাদে উৎসাহিত করছে। কৃষকেরাও সরকারি প্রণোদনার সুফল পাচ্ছেন। তাই জমিতে ভালো ধান পেয়ে কৃষকরা অনেক খুশি হয়েছেন। সবাই আগামীতে আউশ আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন। এতে আশা করছি, আগামীতে সকল পতিত জমি আবাদের আওতায় চলে আসবে এবং আউশ আরো জনিপ্রয় হয়ে উঠবে। এবার জগন্নাথপুর উপজেলায় ২২৫১ হেক্টর আউশ জমি আবাদ হয়েছে। এতে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৭৭৫ মেট্রিকটন ধান। তবে এবার প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলন হওয়ায় কৃষক ভাইদের সাথে আমরাও খুশি হয়েছি

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।।

জগন্নাথপুরে পতিত জমিতে আউশের বাম্পার ফলন ।।

আপডেট সময় : 04:50:26 pm, Friday, 4 August 2023

জগন্নাথপুর

(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।।

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। জমিতে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলন পেয়ে কৃষকদের মুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি।
জানাগেছে, বেশ কিছু দিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে আউশ ধান কাটার ধুম পড়েছে। এর মধ্যে জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি অধিপ্তরের উদ্যোগে উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের মিরপুর বাজারের পাশের হাওরে উৎপাদিত স্থানীয় হলিয়ারপাড়া গ্রামের কৃষক রুহেল মিয়ার জমির পাকা ধান আনুষ্ঠানিক ভাবে কর্তন করা হয়েছে। এ সময় নমুনা শস্য কর্তনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ সহ অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও কৃষকেরা অংশ গ্রহণ করেন।
এনামুল হক, আছলম উদ্দিন, রহিম আলী, গপেশ দাস, আবদুল কাদির সহ উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে অনেকে জানান, হাওর বেষ্টিত উপজেলা হচ্ছে জগন্নাথপুর। এ উপজেলায় নিচু জলাভূমির পরিমাণ বেশি। যে কারণে বোরো ধান বেশি আবাদ হয়ে থাকে। তুলনায় উঁচু জমির পরিমাণ কম। তার উপর সকল জমি আবাদ হয় না। বোরো’র পরে রয়েছে আমনের অবস্থান। উপজেলাজুড়ে আমন কমবেশি আবাদ হয়। তবে আউশে কৃষকদের যতো অনীহা। পরিমাণে কম হলেও আউশ আবাদের যতেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তবুও কাঙ্খিত আউশ আবাদ হচ্ছে না। ফলে অধিকাংশ আউশ জমি পতিত থাকে। কারণ হিসেবে তারা জানান, যে সময় আউশ রোপন হয়, তখন তেমন বৃষ্টিপাত হয় না। ফলে পানির অভাবে জমি আবাদ কষ্টকর হয়ে যায়। তার উপর উঁচু জমি হওয়ায় কয়েকবার করে হালচাষ করতে হয়। এতে খরচ ও কষ্ট বেশি হয় থাকে। সেই তুলনায় ফলন হয় কম। এসব নানা কারণে আউশ আবাদে কৃষকরা পিছিয়ে থাকেন।
তবে এবার জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আউশ আবাদে কৃষকদের নানা ভাবে উৎসাহিত করা হয়। কৃষকদের খরচ কমাতে সরকারি কৃষি প্রণোদনা হিসেবে উন্নতমানের ধানের বীজ, সার সহ অন্যান্য উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। মাঠে ময়দানে গিয়ে জমি আবাদে শিখিয়ে দেয়া হয় নানা কলা-কৌশল ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ। এতে অনেক অনাবাদি পতিত জমি এবার আবাদের আওতায় এসেছে। সেই সাথে কম খরচে জমি আবাদ করতে পেরেছেন কৃষকরা। অন্য বছরের তুলনায় এবার জমিতে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে। কেদার প্রতি কমপক্ষে ১২ থেকে ১৩ মণ ধান পেয়ে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। রুহেল মিয়া সহ অন্যান্য কৃষকরা জানান, এবার কৃষি অধিদপ্তরের কৃষি সহায়তা ও পরামর্শে জমি আবাদ করে কম খরচে বেশি ধান পাওয়ায় অনেক খুশি হয়েছি। আগামীতে আরো বেশি করে আউশ জমি আবাদ করবো।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ৪ আগস্ট শুক্রবার জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ জানান, জগন্নাথপুর উপজেলায় দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে আউশ ধান। এবার উপজেলার কলকলিয়া, পাটলি ও মিরপুর ইউনিয়ন এলাকার উঁচু জমিতে আউশ বেশি আবাদ হয়েছে। সরকার কৃষি প্রণোদনা দিয়ে কৃষকদের জমি আবাদে উৎসাহিত করছে। কৃষকেরাও সরকারি প্রণোদনার সুফল পাচ্ছেন। তাই জমিতে ভালো ধান পেয়ে কৃষকরা অনেক খুশি হয়েছেন। সবাই আগামীতে আউশ আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন। এতে আশা করছি, আগামীতে সকল পতিত জমি আবাদের আওতায় চলে আসবে এবং আউশ আরো জনিপ্রয় হয়ে উঠবে। এবার জগন্নাথপুর উপজেলায় ২২৫১ হেক্টর আউশ জমি আবাদ হয়েছে। এতে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৭৭৫ মেট্রিকটন ধান। তবে এবার প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলন হওয়ায় কৃষক ভাইদের সাথে আমরাও খুশি হয়েছি