Dhaka , Friday, 24 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।। মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।। শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা কালে জনতার হাতে যুবক আটক।। রামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আরাফাতের  নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার।। রূপগঞ্জে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ।। তিতাসের জিয়ারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেনের শিক্ষকতার দুই যুগপূর্তি।। কোম্পানীগঞ্জে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার- স্বামী পলাতক।। নরসিংদী বৃষ্টির কারনে পশুর হাটে বেচা কেনা কম।। মায়ের সামনে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু।। ঈদুল আযহা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৮ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ।। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিংয়ে সারাদেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাজাপুরের মশিউর রহমান তামিম।। সুন্দরগঞ্জের দহবন্দ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ।। কুমিল্লা পিটিআই কর্তৃক সততা নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন- তানজুরুন নাহার।। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর শুভ সূচনা।। সড়কতো নয় যেন ধান শুকানোর চাতাল।। তিতাসে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত।। ঈদ উপলক্ষে হিলিতে বিনামূল্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে চাল বিতারণ।।  পাবনায় হত্যায় মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।। আই-ইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সভাপতি পিয়াস সম্পাদক ইকবাল।। পাবনা জেলা স্কুল জাতীয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়।। সিলেটে বৃস্পতিবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত-ফের জলাবদ্ধতার শঙ্কা।। জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রফিক আমার নামে মিথ্যাচার চালাচ্ছে- আবুল বাশার  বাদশা।। নিখোঁজের দুদিন পর মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ঘাটলার নিচে।। ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন।। সুন্দরগঞ্জে পশুর হাট নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৩ রাউন্ড গুলি বিনিময়- পুলিশসহ আহত ১০।। নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু।। পাবনায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ জন নিহত আহত -৭ জন।। রূপগঞ্জ কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী রফিক সমর্থকদের উপর হামলা।। ৩৬ দিন পর যুবকের লাশ উত্তোলন- ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের।। শিবচরে আগুনে ১৩ গরু মারা গেছে।।

পাবনায় ভুল চিকিৎসায় হাসমত আলীর মৃত্যু।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:07:55 am, Wednesday, 14 February 2024
  • 146 বার পড়া হয়েছে

পাবনায় ভুল চিকিৎসায় হাসমত আলীর মৃত্যু।।

পাবনা প্রতিনিধি।।
পাবনায় ভুল চিকিৎসায় হাসমত আলী শেখ-৪০-নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 
পল্লিচিকিৎসক পরপর চারটি ইনজেকশন পুশ করতেই ওই যুবক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বলে অভিযোগ স্বজনদের। মঙ্গলবার-১৩ ফেব্রুয়ারি-সকালে সদর উপজেলার দোগাছী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 
নিহত হাসমত আলী শেখ দোগাছী ইউনিয়নের দোগাছী মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আবুল মজিদ প্রামানিকের ছেলে। তিনি জর্দান প্রবাসী ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি দেশে ফিরে আসেন। দুই সন্তানের জনক হাসমত নানা ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। 
অভিযুক্ত পল্লিচিকিৎসকের নাম আতিকুজ্জামান সুমন। তিনি দোগাছী ইউনিয়নের চিথুলিয়া গ্রামের আব্দুল জব্বার শেখের ছেলে। 
ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগে সুমনের ওষুধের দোকান ভাঙচুর ও দোকানের সব ওষুধ আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন হাসমতের স্বজনরা। খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিন ধরে বুকে জ্বালাপোড়া ও যন্ত্রণায় ভুগছিলেন হাসমত। গতকাল রাতে পল্লিচিকিৎসক সুমন দুটি গ্যাসের ট্যাবলেট দিলে তা খাওয়ার পরও বুকে ব্যথা ও যন্ত্রণা ভালো হয়নি। 
আজ সকালে বুকের ব্যথা ও যন্ত্রণা বেশি হলে পল্লিচিকিৎসক সুমনকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তিনি গিয়ে পরপর চারটি ইনজেকশন পুশ করেন। ইনজেকশন পুশ করার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন হাসমত।
নিহত হাসমতের চাচা মো. ইসরাইল বলেন, পল্লিচিকিৎসক সুমন ইনজেকশন পুশ করার সঙ্গে সঙ্গে হাসমত মারা যায়। আমাদের মনে বুঝ দেওয়ার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলাম। 
কিন্তু দোগাছী বাজার পার হতেই মরদেহ আবার বাড়িতে নিয়ে আছি। কোনো প্রকার অনুমতি না থাকলেও সুমন এলাকায় ওষুদের দোকানের মধ্যে চেম্বার বসিয়ে শত শত রোগী দেখেন। রোগী গেলেই ইনজেকশন পুশ করার অভ্যাস তার আগে থেকেই। 
গ্রামের মানুষকে শুধু ইনজেকশন দেয়। এর আগেও তুলিয়া আক্তার ও মর্জিনা খাতুন নামে দুই নারী সুমনের ভুল চিকিৎসায় মারা গেছে। আগে বিচার হয়নি তাই এখনো অনিয়ম করেই যাচ্ছে। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।  
নিহত হাসমতের স্ত্রীর ঈশিতা খাতুন বলেন, আমার স্বামী বিভিন্ন সময়ে ছোটখাটো অসুস্থ হলে সুমনের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে থাকে। গত তিন দিন ধরে বুকে ব্যথা ও যন্ত্রণায় ভুগছিল। গতকাল রাতে তার-সুমন-থেকে গ্যাসের ট্যাবলেট নিয়ে খায়। 
সকালে অসুস্থ বেশি হলে সুমনকে আমার স্বামী ফোন করে ডাকে। স্বামীকে বারবার বলি যে পাবনায় যেতে হবে। সে এ কথা না শুনে ওই ডাক্তারকেই ডাকে। এরপর সে আমার বাড়িতে এসে পরপর চারটি ইনজেকশন পুশ করে। এক মিনিটের মধ্যেই স্বামী আমার হাতের ওপর মারা যায়। এ ঘটনার আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পল্লিচিকিৎসক আতিকুজ্জামান সুমন বলেন, হাসমত আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আমরা সব সময় একসঙ্গে চলাচল করেছি। সকালে তার বুকে ব্যথা বেশি হলে আমি গিয়ে প্রথমে হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলেছি। 
এরপর একটা সার্জেল গ্যাসের ইনজেকশন পুশ করি। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় সে। তার মৃত্যুর জন্য আমি কোনোভাবেই দায়ী নয়। অযথা আমার ওষুধের দোকান ভাঙচুর করে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ওষুধ পুড়িয়ে দিয়েছে।
এর আগেও ভুল চিকিৎসায় দুইজনের মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সম্পর্কে আমি জানি না।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম  বলেন, ঘটনার পর আমরা নিহতের বাড়িতে গিয়েছিলাম। পরিবার ও এলাকাবাসীর কাছ থেকে শুনেছি যে বুকে ব্যথা ও যন্ত্রণা বেশি হলে নিহতের বন্ধু পল্লিচিকিৎসক সুমনকে মোবাইলে ডেকে আনলে তিনি ইনজেকশন পুশ করেন। 
এরপর তিনি-হাসমত-মারা যান। এরপর বিক্ষুব্ধ লোকজন তার দোকানের সব ওষুধ পুড়িয়ে দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এরপর সপাতালে ময়নাতদন্ত করা হয়। 
তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা অসম্ভব। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দোষী সাব্যস্ত হলে অভিযুক্ত পল্লিচিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাবনার সিভিল সার্জন ডা. শহিদুল্লাহ দেওয়ান বলেন, এ বিষয়ে এখনো আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। পল্লিচিকিৎসকদের কোনো অনুমোদন থাকে না। সেজন্য ওইভাবে রোগীর রেজিস্ট্রারও থাকে না। 
যদি কোনো ক্লিনিক বা হাসপাতাল হতো তাহলে রেজিস্ট্রার থাকতো। তখন আমরা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তদন্ত করতে পারতাম। যদি কেউ অভিযোগ দেয় তাহলে খতিয়ে দেখা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।।

পাবনায় ভুল চিকিৎসায় হাসমত আলীর মৃত্যু।।

আপডেট সময় : 04:07:55 am, Wednesday, 14 February 2024
পাবনা প্রতিনিধি।।
পাবনায় ভুল চিকিৎসায় হাসমত আলী শেখ-৪০-নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 
পল্লিচিকিৎসক পরপর চারটি ইনজেকশন পুশ করতেই ওই যুবক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বলে অভিযোগ স্বজনদের। মঙ্গলবার-১৩ ফেব্রুয়ারি-সকালে সদর উপজেলার দোগাছী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 
নিহত হাসমত আলী শেখ দোগাছী ইউনিয়নের দোগাছী মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আবুল মজিদ প্রামানিকের ছেলে। তিনি জর্দান প্রবাসী ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি দেশে ফিরে আসেন। দুই সন্তানের জনক হাসমত নানা ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। 
অভিযুক্ত পল্লিচিকিৎসকের নাম আতিকুজ্জামান সুমন। তিনি দোগাছী ইউনিয়নের চিথুলিয়া গ্রামের আব্দুল জব্বার শেখের ছেলে। 
ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগে সুমনের ওষুধের দোকান ভাঙচুর ও দোকানের সব ওষুধ আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন হাসমতের স্বজনরা। খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিন ধরে বুকে জ্বালাপোড়া ও যন্ত্রণায় ভুগছিলেন হাসমত। গতকাল রাতে পল্লিচিকিৎসক সুমন দুটি গ্যাসের ট্যাবলেট দিলে তা খাওয়ার পরও বুকে ব্যথা ও যন্ত্রণা ভালো হয়নি। 
আজ সকালে বুকের ব্যথা ও যন্ত্রণা বেশি হলে পল্লিচিকিৎসক সুমনকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তিনি গিয়ে পরপর চারটি ইনজেকশন পুশ করেন। ইনজেকশন পুশ করার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন হাসমত।
নিহত হাসমতের চাচা মো. ইসরাইল বলেন, পল্লিচিকিৎসক সুমন ইনজেকশন পুশ করার সঙ্গে সঙ্গে হাসমত মারা যায়। আমাদের মনে বুঝ দেওয়ার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলাম। 
কিন্তু দোগাছী বাজার পার হতেই মরদেহ আবার বাড়িতে নিয়ে আছি। কোনো প্রকার অনুমতি না থাকলেও সুমন এলাকায় ওষুদের দোকানের মধ্যে চেম্বার বসিয়ে শত শত রোগী দেখেন। রোগী গেলেই ইনজেকশন পুশ করার অভ্যাস তার আগে থেকেই। 
গ্রামের মানুষকে শুধু ইনজেকশন দেয়। এর আগেও তুলিয়া আক্তার ও মর্জিনা খাতুন নামে দুই নারী সুমনের ভুল চিকিৎসায় মারা গেছে। আগে বিচার হয়নি তাই এখনো অনিয়ম করেই যাচ্ছে। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।  
নিহত হাসমতের স্ত্রীর ঈশিতা খাতুন বলেন, আমার স্বামী বিভিন্ন সময়ে ছোটখাটো অসুস্থ হলে সুমনের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে থাকে। গত তিন দিন ধরে বুকে ব্যথা ও যন্ত্রণায় ভুগছিল। গতকাল রাতে তার-সুমন-থেকে গ্যাসের ট্যাবলেট নিয়ে খায়। 
সকালে অসুস্থ বেশি হলে সুমনকে আমার স্বামী ফোন করে ডাকে। স্বামীকে বারবার বলি যে পাবনায় যেতে হবে। সে এ কথা না শুনে ওই ডাক্তারকেই ডাকে। এরপর সে আমার বাড়িতে এসে পরপর চারটি ইনজেকশন পুশ করে। এক মিনিটের মধ্যেই স্বামী আমার হাতের ওপর মারা যায়। এ ঘটনার আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পল্লিচিকিৎসক আতিকুজ্জামান সুমন বলেন, হাসমত আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আমরা সব সময় একসঙ্গে চলাচল করেছি। সকালে তার বুকে ব্যথা বেশি হলে আমি গিয়ে প্রথমে হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলেছি। 
এরপর একটা সার্জেল গ্যাসের ইনজেকশন পুশ করি। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় সে। তার মৃত্যুর জন্য আমি কোনোভাবেই দায়ী নয়। অযথা আমার ওষুধের দোকান ভাঙচুর করে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ওষুধ পুড়িয়ে দিয়েছে।
এর আগেও ভুল চিকিৎসায় দুইজনের মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সম্পর্কে আমি জানি না।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম  বলেন, ঘটনার পর আমরা নিহতের বাড়িতে গিয়েছিলাম। পরিবার ও এলাকাবাসীর কাছ থেকে শুনেছি যে বুকে ব্যথা ও যন্ত্রণা বেশি হলে নিহতের বন্ধু পল্লিচিকিৎসক সুমনকে মোবাইলে ডেকে আনলে তিনি ইনজেকশন পুশ করেন। 
এরপর তিনি-হাসমত-মারা যান। এরপর বিক্ষুব্ধ লোকজন তার দোকানের সব ওষুধ পুড়িয়ে দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এরপর সপাতালে ময়নাতদন্ত করা হয়। 
তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা অসম্ভব। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দোষী সাব্যস্ত হলে অভিযুক্ত পল্লিচিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাবনার সিভিল সার্জন ডা. শহিদুল্লাহ দেওয়ান বলেন, এ বিষয়ে এখনো আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। পল্লিচিকিৎসকদের কোনো অনুমোদন থাকে না। সেজন্য ওইভাবে রোগীর রেজিস্ট্রারও থাকে না। 
যদি কোনো ক্লিনিক বা হাসপাতাল হতো তাহলে রেজিস্ট্রার থাকতো। তখন আমরা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তদন্ত করতে পারতাম। যদি কেউ অভিযোগ দেয় তাহলে খতিয়ে দেখা হবে।