Dhaka , Thursday, 23 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।। মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।। শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা কালে জনতার হাতে যুবক আটক।। রামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আরাফাতের  নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার।। রূপগঞ্জে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ।। তিতাসের জিয়ারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেনের শিক্ষকতার দুই যুগপূর্তি।। কোম্পানীগঞ্জে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার- স্বামী পলাতক।। নরসিংদী বৃষ্টির কারনে পশুর হাটে বেচা কেনা কম।। মায়ের সামনে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু।। ঈদুল আযহা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৮ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ।। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিংয়ে সারাদেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাজাপুরের মশিউর রহমান তামিম।। সুন্দরগঞ্জের দহবন্দ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ।। কুমিল্লা পিটিআই কর্তৃক সততা নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন- তানজুরুন নাহার।। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর শুভ সূচনা।। সড়কতো নয় যেন ধান শুকানোর চাতাল।। তিতাসে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত।। ঈদ উপলক্ষে হিলিতে বিনামূল্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে চাল বিতারণ।।  পাবনায় হত্যায় মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।। আই-ইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সভাপতি পিয়াস সম্পাদক ইকবাল।। পাবনা জেলা স্কুল জাতীয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়।। সিলেটে বৃস্পতিবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত-ফের জলাবদ্ধতার শঙ্কা।। জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রফিক আমার নামে মিথ্যাচার চালাচ্ছে- আবুল বাশার  বাদশা।। নিখোঁজের দুদিন পর মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ঘাটলার নিচে।। ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন।। সুন্দরগঞ্জে পশুর হাট নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৩ রাউন্ড গুলি বিনিময়- পুলিশসহ আহত ১০।। নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু।। পাবনায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ জন নিহত আহত -৭ জন।। রূপগঞ্জ কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী রফিক সমর্থকদের উপর হামলা।। ৩৬ দিন পর যুবকের লাশ উত্তোলন- ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের।। শিবচরে আগুনে ১৩ গরু মারা গেছে।।

রামগঞ্জে রমজান ঘিরে লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:13:33 am, Friday, 15 March 2024
  • 98 বার পড়া হয়েছে

রামগঞ্জে রমজান ঘিরে লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার।।

মোঃ মাসুদ রানা মনি
রামগঞ্জ-লক্ষ্মীপুর-প্রতিনিধি।।
প্রত্যেক বছর রমজান এলেই রামগঞ্জে বেড়ে যায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য। কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই প্রায় প্রতিবছরই বাজারে একই ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়। বর্তমান রমজানকে ঘিরেও এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি ডিম, ভোজ্যতেল, চিনিসহ বেশকিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। আর দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে অধিক মুনাফা লুটে নিচ্ছে এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীরা। এই কারসাজির দায় নিয়ে উৎপাদক, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। দায় নিচ্ছেন না কেউই।
রমজান মাসকে কেন্দ্র করে রামগঞ্জ বাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম।৬০টাকার নিচে মিলছে না কোন সবজি। এছাড়া ব্রয়লার মুরগী কেজি ২২০ টাকা, কক মুরগী ৩৮০ ও গরুর গোস্ত ৯শ থেকে হাজার টাকা, খাসির মাংস ১১০০-১৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে রামগঞ্জ মাছ ও সবজির বাজারে।
সরেজমিনে রামগঞ্জ কাঁচা বাজার ও মাছ বাজার লক্ষ্মীধর পাড়া বাজার,আথাকরা বাজার ভাটরাবাজার,দল্টাকে বাজার সহজ বেশ কয়েকটি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, করোলার কেজি ১৪০, মুলা ৬০, কচুর লতি ১২০টাকা, কাঁচা মরিছ ১০০, কুমড়া ৫০, টমেটো ৫০, তরি (ধুন্ধুল) ৭০, কাঁচা পেপে ৪৫, ঝিঙ্গা ৭০, চিচিঙ্গা ৬০, পাতাকপি ১০০, দেশী সীম ৮০-১০০, বরবটি ১২০টাকা, শসা ৯০টাকা, বেগুন-৮০-৯০টাকা কেজিদরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া ছোট আকারের কাঁচকলার হালি ৬০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে বাজারে কয়েক সপ্তাহ ধরে মাছের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। আকারভেদে প্রতি কেজি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩৬০-৪০০ টাকায়। চিংড়ি ৫৫০ থেকে ১০০০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙ্গাস ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, পাবদা ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, শোল ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, ট্যাংরা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। দেশি জলাশয়ের মাছের দাম ৮০০-১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ইলিশ মাছ এক হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ।
প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১০০-১৩০  টাকা। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মসুর ডাল ১৩৫-১৫০ টাকা, খেসারি ডাল ১২০-১৫০ টাকা, অ্যাংকরের বেসন ৭৫-৮৫ টাকা এবং বুটের বেসন বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকায়। গত বছর রমজানে ৯০-১১০ টাকা দামের খেজুর এবারে ৩২০- ০ টাকা, যা খুচরা বাজারে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারের ২০০ টাকার খেজুর ৪৮০ টাকায় এবং ৩০০-৩৫০ টাকার খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৮০০ টাকায়। মানসম্মত বা একটু ভালো খেজুর কিনতে হলে তো কোন কথাই নেই, ১৫০০-২০০০ টাকা প্রতি কেজি। গতকাল বাজারে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকা। এছাড়া এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন গতকাল ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে।
বাজার করতে আসা কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলতে চাইলে তারা আক্ষেপ নিয়ে জানান, এ দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পিঁছনে বিবিধ অজুহাত থাকলেও আমাদের আয় বৃদ্ধির কোন অজুহাত নেই। সারাদিন গাধার মতো পরিশ্রম করেও পরিবারের সদস্যের জন্য মাসিক খাবারের খরচ কোনভাবেই মেটাতে পারছি না। প্রতি মাসে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে চলতে হলে ৮-১০ হাজার টাকারন উণের চাপ নিতে হয়।।
ভোক্তাদের অভিযোগ, সরকারের মন্ত্রীরা বা সরকারের পক্ষ থেকে বাজারে কোনো সংকট নেই বলা হলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েই চলছে। বিষয়টি সরকারও স্বীকার করছে, তবে সিন্ডিকেট সৃষ্টিকারী অসাধু ব্যবসায়ী বা বাজার অস্থিতিশীর করার পেছনে যারা কলকাঠি নাড়ছেন, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে না। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা মাঝেমধ্যে অভিযান চালালেও তাতে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে থাকা মাস্টারমাইন্ডরা ধরা পড়ছে না। এ অবস্থায় বেশিরভাগ মানুষের আর্থিক সঙ্গতি বিবেচনা করে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন ভোক্তরা। আলাপকালে বেশ কয়েকজন ভোক্তা এমন দাবি জানান।
আরিফ হোসেন নামের বাজারের এক সবজি ব্যবসায়ী জানান, গত এক মাসের তুলনায় কেজি প্রতি বেড়েছে ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ। পাইকারী বাজারেও বেশি। আমরা নিজেরাও ধারদেনা করে এখন ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন পাইকারী ব্যবসায়ী জানান, কুমিল্লা, ঢাকার কারওয়ান বাজার ও চট্টগ্রাম থেকে এ এলাকায় সবজি আসে। ঘাঁটে ঘাঁটে গাড়ী আটকায় তার উপর গত কয়েকদিন আগে বৃষ্টিতে মওসুমী সবজির ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়েছে। বাধ্য হয়ে মালও কম আনি এখন। কি করবো, পাইকারী বাজারে বস্তা প্রতি সবজির দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৪শ টাকা। স্থানীয় এলাকা বা গ্রাম থেকে সবজি আসবে আরো পরে।  তখন কিছুটা সহনীয় হবে সবজির বাজার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।।

রামগঞ্জে রমজান ঘিরে লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার।।

আপডেট সময় : 10:13:33 am, Friday, 15 March 2024
মোঃ মাসুদ রানা মনি
রামগঞ্জ-লক্ষ্মীপুর-প্রতিনিধি।।
প্রত্যেক বছর রমজান এলেই রামগঞ্জে বেড়ে যায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য। কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই প্রায় প্রতিবছরই বাজারে একই ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়। বর্তমান রমজানকে ঘিরেও এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি ডিম, ভোজ্যতেল, চিনিসহ বেশকিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। আর দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে অধিক মুনাফা লুটে নিচ্ছে এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীরা। এই কারসাজির দায় নিয়ে উৎপাদক, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। দায় নিচ্ছেন না কেউই।
রমজান মাসকে কেন্দ্র করে রামগঞ্জ বাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম।৬০টাকার নিচে মিলছে না কোন সবজি। এছাড়া ব্রয়লার মুরগী কেজি ২২০ টাকা, কক মুরগী ৩৮০ ও গরুর গোস্ত ৯শ থেকে হাজার টাকা, খাসির মাংস ১১০০-১৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে রামগঞ্জ মাছ ও সবজির বাজারে।
সরেজমিনে রামগঞ্জ কাঁচা বাজার ও মাছ বাজার লক্ষ্মীধর পাড়া বাজার,আথাকরা বাজার ভাটরাবাজার,দল্টাকে বাজার সহজ বেশ কয়েকটি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, করোলার কেজি ১৪০, মুলা ৬০, কচুর লতি ১২০টাকা, কাঁচা মরিছ ১০০, কুমড়া ৫০, টমেটো ৫০, তরি (ধুন্ধুল) ৭০, কাঁচা পেপে ৪৫, ঝিঙ্গা ৭০, চিচিঙ্গা ৬০, পাতাকপি ১০০, দেশী সীম ৮০-১০০, বরবটি ১২০টাকা, শসা ৯০টাকা, বেগুন-৮০-৯০টাকা কেজিদরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া ছোট আকারের কাঁচকলার হালি ৬০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে বাজারে কয়েক সপ্তাহ ধরে মাছের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। আকারভেদে প্রতি কেজি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩৬০-৪০০ টাকায়। চিংড়ি ৫৫০ থেকে ১০০০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙ্গাস ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, পাবদা ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, শোল ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, ট্যাংরা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। দেশি জলাশয়ের মাছের দাম ৮০০-১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ইলিশ মাছ এক হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ।
প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১০০-১৩০  টাকা। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মসুর ডাল ১৩৫-১৫০ টাকা, খেসারি ডাল ১২০-১৫০ টাকা, অ্যাংকরের বেসন ৭৫-৮৫ টাকা এবং বুটের বেসন বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকায়। গত বছর রমজানে ৯০-১১০ টাকা দামের খেজুর এবারে ৩২০- ০ টাকা, যা খুচরা বাজারে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারের ২০০ টাকার খেজুর ৪৮০ টাকায় এবং ৩০০-৩৫০ টাকার খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৮০০ টাকায়। মানসম্মত বা একটু ভালো খেজুর কিনতে হলে তো কোন কথাই নেই, ১৫০০-২০০০ টাকা প্রতি কেজি। গতকাল বাজারে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকা। এছাড়া এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন গতকাল ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে।
বাজার করতে আসা কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলতে চাইলে তারা আক্ষেপ নিয়ে জানান, এ দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পিঁছনে বিবিধ অজুহাত থাকলেও আমাদের আয় বৃদ্ধির কোন অজুহাত নেই। সারাদিন গাধার মতো পরিশ্রম করেও পরিবারের সদস্যের জন্য মাসিক খাবারের খরচ কোনভাবেই মেটাতে পারছি না। প্রতি মাসে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে চলতে হলে ৮-১০ হাজার টাকারন উণের চাপ নিতে হয়।।
ভোক্তাদের অভিযোগ, সরকারের মন্ত্রীরা বা সরকারের পক্ষ থেকে বাজারে কোনো সংকট নেই বলা হলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েই চলছে। বিষয়টি সরকারও স্বীকার করছে, তবে সিন্ডিকেট সৃষ্টিকারী অসাধু ব্যবসায়ী বা বাজার অস্থিতিশীর করার পেছনে যারা কলকাঠি নাড়ছেন, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে না। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা মাঝেমধ্যে অভিযান চালালেও তাতে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে থাকা মাস্টারমাইন্ডরা ধরা পড়ছে না। এ অবস্থায় বেশিরভাগ মানুষের আর্থিক সঙ্গতি বিবেচনা করে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন ভোক্তরা। আলাপকালে বেশ কয়েকজন ভোক্তা এমন দাবি জানান।
আরিফ হোসেন নামের বাজারের এক সবজি ব্যবসায়ী জানান, গত এক মাসের তুলনায় কেজি প্রতি বেড়েছে ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ। পাইকারী বাজারেও বেশি। আমরা নিজেরাও ধারদেনা করে এখন ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন পাইকারী ব্যবসায়ী জানান, কুমিল্লা, ঢাকার কারওয়ান বাজার ও চট্টগ্রাম থেকে এ এলাকায় সবজি আসে। ঘাঁটে ঘাঁটে গাড়ী আটকায় তার উপর গত কয়েকদিন আগে বৃষ্টিতে মওসুমী সবজির ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়েছে। বাধ্য হয়ে মালও কম আনি এখন। কি করবো, পাইকারী বাজারে বস্তা প্রতি সবজির দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৪শ টাকা। স্থানীয় এলাকা বা গ্রাম থেকে সবজি আসবে আরো পরে।  তখন কিছুটা সহনীয় হবে সবজির বাজার।