
আলী হোসেন রুবেল, ভোলা।
ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। আর সকলের মাঝে এ আনন্দ বিলিয়ে দিয়ে ধনী-দরিদ্র পারস্পরিক সৌহার্দ্য বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদুল ফিতরের এ অনাবিল আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার আশা ব্যক্ত করে দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহাকবি মোঃ আহসান উল্লাহ।
ঈদ শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুসলমানদের দুয়ারে আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এ ঈদুল ফিতরে তিনি বিশ্ববাসীর শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর মুসলিম জাহানের প্রধান দুটি ধর্মীয় উৎসবের একটি যা সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন।
ঈদ শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি আরো বলেন, ঈদ সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে সকল মানুষকে। সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের চেতনায় উদ্ভাসিত পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের মাঝে নিয়ে আসুক বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসসহ সব সংকট জয়ের সুসংহত বারতা। করোনা মহামারির অব্যবহিত পরে আগত এ ঈদুল ফিতরে অসহায় মানুষকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে বিত্তবান সবাইকে উদাত্ত আহ্বান জানান হালের এ মহাকবি। মানুষ পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দায়িত্বশীল আচরণ অনুশীলন করে অন্তত বছরে এ একটি দিনে আসুন আমরা সকল মুসলমান ধনী-গরীব, বড়-ছোট ভেদাভেদ ভুলে এক কাতার হয়ে দীর্ঘ এক বছর পর মুসলমানদের ঘরে আসা ঈদুল ফিতরের উৎসব উপভোগ করি। শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হোক পবিত্র ঈদুল ফিতর । মহিমান্বিত শান্তি-সুধায় ভরে উঠুক বসুধা। দেশপ্রেম আর মানবতাবোধের বহ্নিশিখায় জেগে উঠুক প্রতিটি মানবহৃদয়। পরম করুণাময় আল্লাহ-তায়ালার কাছে প্রার্থনা করি- মানুষের জীবন থেকে দূরীভূত হোক মহামারি, দুঃখ-জ্বরা, যুদ্ধ-বিগ্রহ। সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধির ধারায় প্রবাহিত হোক বিশ্বলোক। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেভাবে সব সংকট উত্তরণ করে এগিয়ে যাচ্ছে সঠিক লক্ষ্যে, ঠিক একইভাবে করোনা পরবর্তী যুদ্ধ বিগ্রহের অশুভ প্রভাব জয় করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অভিযাত্রায় নব-উদ্যমে এগিয়ে যাক বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত মার্গে- এ প্রত্যয় নিয়ে সকলকে আবারও ঈদের শুভেচ্ছা। “ঈদ মোবারক”
উল্লেখ্য যে মহাকবি মোঃ আহসান উল্লাহ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য জীবনী নিয়ে “মুজিবনামা” নামে আধুনিক মহাকাব্য রচনা করে অধুনা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন।
দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহাকবি আহসান উল্লাহ
আলী হোসেন রুবেল, ভোলা।
ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। আর সকলের মাঝে এ আনন্দ বিলিয়ে দিয়ে ধনী-দরিদ্র পারস্পরিক সৌহার্দ্য বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদুল ফিতরের এ অনাবিল আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার আশা ব্যক্ত করে দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহাকবি মোঃ আহসান উল্লাহ।
ঈদ শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুসলমানদের দুয়ারে আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এ ঈদুল ফিতরে তিনি বিশ্ববাসীর শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর মুসলিম জাহানের প্রধান দুটি ধর্মীয় উৎসবের একটি যা সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন।
ঈদ শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি আরো বলেন, ঈদ সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে সকল মানুষকে। সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের চেতনায় উদ্ভাসিত পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের মাঝে নিয়ে আসুক বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসসহ সব সংকট জয়ের সুসংহত বারতা। করোনা মহামারির অব্যবহিত পরে আগত এ ঈদুল ফিতরে অসহায় মানুষকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে বিত্তবান সবাইকে উদাত্ত আহ্বান জানান হালের এ মহাকবি। মানুষ পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দায়িত্বশীল আচরণ অনুশীলন করে অন্তত বছরে এ একটি দিনে আসুন আমরা সকল মুসলমান ধনী-গরীব, বড়-ছোট ভেদাভেদ ভুলে এক কাতার হয়ে দীর্ঘ এক বছর পর মুসলমানদের ঘরে আসা ঈদুল ফিতরের উৎসব উপভোগ করি। শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হোক পবিত্র ঈদুল ফিতর । মহিমান্বিত শান্তি-সুধায় ভরে উঠুক বসুধা। দেশপ্রেম আর মানবতাবোধের বহ্নিশিখায় জেগে উঠুক প্রতিটি মানবহৃদয়। পরম করুণাময় আল্লাহ-তায়ালার কাছে প্রার্থনা করি- মানুষের জীবন থেকে দূরীভূত হোক মহামারি, দুঃখ-জ্বরা, যুদ্ধ-বিগ্রহ। সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধির ধারায় প্রবাহিত হোক বিশ্বলোক। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেভাবে সব সংকট উত্তরণ করে এগিয়ে যাচ্ছে সঠিক লক্ষ্যে, ঠিক একইভাবে করোনা পরবর্তী যুদ্ধ বিগ্রহের অশুভ প্রভাব জয় করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অভিযাত্রায় নব-উদ্যমে এগিয়ে যাক বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত মার্গে- এ প্রত্যয় নিয়ে সকলকে আবারও ঈদের শুভেচ্ছা। “ঈদ মোবারক”
উল্লেখ্য যে মহাকবি মোঃ আহসান উল্লাহ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য জীবনী নিয়ে “মুজিবনামা” নামে আধুনিক মহাকাব্য রচনা করে অধুনা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন।
দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহাকবি আহসান উল্লাহ
আলী হোসেন রুবেল, ভোলা।
ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। আর সকলের মাঝে এ আনন্দ বিলিয়ে দিয়ে ধনী-দরিদ্র পারস্পরিক সৌহার্দ্য বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদুল ফিতরের এ অনাবিল আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার আশা ব্যক্ত করে দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহাকবি মোঃ আহসান উল্লাহ।
ঈদ শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুসলমানদের দুয়ারে আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এ ঈদুল ফিতরে তিনি বিশ্ববাসীর শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর মুসলিম জাহানের প্রধান দুটি ধর্মীয় উৎসবের একটি যা সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন।
ঈদ শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি আরো বলেন, ঈদ সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে সকল মানুষকে। সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের চেতনায় উদ্ভাসিত পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের মাঝে নিয়ে আসুক বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসসহ সব সংকট জয়ের সুসংহত বারতা। করোনা মহামারির অব্যবহিত পরে আগত এ ঈদুল ফিতরে অসহায় মানুষকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে বিত্তবান সবাইকে উদাত্ত আহ্বান জানান হালের এ মহাকবি। মানুষ পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দায়িত্বশীল আচরণ অনুশীলন করে অন্তত বছরে এ একটি দিনে আসুন আমরা সকল মুসলমান ধনী-গরীব, বড়-ছোট ভেদাভেদ ভুলে এক কাতার হয়ে দীর্ঘ এক বছর পর মুসলমানদের ঘরে আসা ঈদুল ফিতরের উৎসব উপভোগ করি। শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হোক পবিত্র ঈদুল ফিতর । মহিমান্বিত শান্তি-সুধায় ভরে উঠুক বসুধা। দেশপ্রেম আর মানবতাবোধের বহ্নিশিখায় জেগে উঠুক প্রতিটি মানবহৃদয়। পরম করুণাময় আল্লাহ-তায়ালার কাছে প্রার্থনা করি- মানুষের জীবন থেকে দূরীভূত হোক মহামারি, দুঃখ-জ্বরা, যুদ্ধ-বিগ্রহ। সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধির ধারায় প্রবাহিত হোক বিশ্বলোক। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেভাবে সব সংকট উত্তরণ করে এগিয়ে যাচ্ছে সঠিক লক্ষ্যে, ঠিক একইভাবে করোনা পরবর্তী যুদ্ধ বিগ্রহের অশুভ প্রভাব জয় করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অভিযাত্রায় নব-উদ্যমে এগিয়ে যাক বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত মার্গে- এ প্রত্যয় নিয়ে সকলকে আবারও ঈদের শুভেচ্ছা। “ঈদ মোবারক”
উল্লেখ্য যে মহাকবি মোঃ আহসান উল্লাহ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য জীবনী নিয়ে “মুজিবনামা” নামে আধুনিক মহাকাব্য রচনা করে অধুনা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন।

















