Dhaka , Friday, 24 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।। মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।। শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা কালে জনতার হাতে যুবক আটক।। রামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আরাফাতের  নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার।। রূপগঞ্জে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ।। তিতাসের জিয়ারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেনের শিক্ষকতার দুই যুগপূর্তি।। কোম্পানীগঞ্জে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার- স্বামী পলাতক।। নরসিংদী বৃষ্টির কারনে পশুর হাটে বেচা কেনা কম।। মায়ের সামনে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু।। ঈদুল আযহা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৮ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ।। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিংয়ে সারাদেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাজাপুরের মশিউর রহমান তামিম।। সুন্দরগঞ্জের দহবন্দ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ।। কুমিল্লা পিটিআই কর্তৃক সততা নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন- তানজুরুন নাহার।। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর শুভ সূচনা।। সড়কতো নয় যেন ধান শুকানোর চাতাল।। তিতাসে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত।। ঈদ উপলক্ষে হিলিতে বিনামূল্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে চাল বিতারণ।।  পাবনায় হত্যায় মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।। আই-ইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সভাপতি পিয়াস সম্পাদক ইকবাল।। পাবনা জেলা স্কুল জাতীয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়।। সিলেটে বৃস্পতিবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত-ফের জলাবদ্ধতার শঙ্কা।। জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রফিক আমার নামে মিথ্যাচার চালাচ্ছে- আবুল বাশার  বাদশা।। নিখোঁজের দুদিন পর মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ঘাটলার নিচে।। ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন।। সুন্দরগঞ্জে পশুর হাট নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৩ রাউন্ড গুলি বিনিময়- পুলিশসহ আহত ১০।। নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু।। পাবনায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ জন নিহত আহত -৭ জন।। রূপগঞ্জ কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী রফিক সমর্থকদের উপর হামলা।। ৩৬ দিন পর যুবকের লাশ উত্তোলন- ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের।। শিবচরে আগুনে ১৩ গরু মারা গেছে।।

মরণের আগে হলেও যেন একটা ভালো ঘরে থাকতে পারি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:14:39 pm, Friday, 13 May 2022
  • 96 বার পড়া হয়েছে

মরণের আগে হলেও যেন একটা ভালো ঘরে থাকতে পারি

আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।

মানুষ মানুষের জন্য, আর জীবন জীবনের জন্য এতটুকু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু মানুষ পেতে পারেনা? অসাধারণ এই গানের কথা গুলো সত্যি সত্যি শুধু গানের কথায় না থেকে বাস্তবে কি ধরা দিতে পারেনা ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের বাকী জীবনে? পারে ঠিক যদি আমরা সমাজের বিত্তবানরা একটু সহায়তা করি নচেৎ সরকারি সহায়তা পাওয়ার একটু চেষ্টা করি। তবেই এক নিমিষে বদলে যেতে পারে সখিনা খাতুনের জীবন,যদি গানের কথা সত্যি হয়, তাহলে পূরণ হতে পারে তার শেষ জীবনের আশা। তবে কি পূরণ হবে সখিনা খাতুনের শেষ জীবনের স্বপ্ন? পারবে কি সে শেষ জীবনে একটা ভালো ঘরে থেকে মরতে? বলছিলাম

৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের কথা। যে কিনা বর্তমানে ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার উকিল বাড়িতে বাস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,তার স্বামী হানিফ মিয়া পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৪০ বছর আগে। সখিনা-হানিফের দাম্পত্য জীবনে একজন মেয়ের জন্ম হয়। সংসারে অভাব দেখে কাজের খোঁজ প্রায় ৩০ বছর আগে চট্টগ্রাম চলে যান একমাত্র মেয়ে নাজমা বেগম। এখনও ফিরেননি নাজমা। খোঁজও নেন না বৃদ্ধা মায়ের।

এদিকে, স্বামী-সন্তান হারা অসহায় সখিনা খাতুনের দু:খের যেন অন্ত নেই। প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় এক বেলা খাবার জোটলেও অন্য বেলায় না খেয়ে থাকতে হয় সখিনা খাতুনকে। এখানেই শেষ নয়; সখিনা খাতুনের মাথা গোঁজার একমাত্র বসত ঘরটিও নড়বড়ে। যেখানে তার বসতঘর সেটিও অন্যের জমি ওপর। দয়া করে ওই জমিতে সখিনা খাতুনকে থাকতে দিয়েছেন জমির মালিক। তবে বর্ষার সময় পানির ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙে সখিনা খাতুনের। বৃষ্টির পানি পড়ে পুরো ঘরজুড়ে।

তার সাথে কথা বলতে গেলে কান্না জড়িত কন্ঠে সখিনা খাতুন বলেন, বসতঘরটির অবস্থা অত্যান্ত খারাপ। বৃষ্টি হলে অন্যের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। আবার রাতে বৃষ্টি হলে ঘুম না গিয়ে বসে থাকতে হয়। এমন ঘরে কোনো প্রাণীও বাস করে না, অথচ মানুষ হয়েও আমাকে এই ঘরে থাকতে হয়। নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ করা বা এ ঘরটি মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই আমার। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর বিধবা ভাতা পেলেও এখন কি জানি সমস্যা হয়েছে, তাই এখন আর ওই ভাতাও পাচ্ছি না। বয়স হয়েছে। হাঁটতে হয় লাঠিতে ভর করে, তাও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। তাই প্রতিবেশিরা যা দিয়ে যায় তা দিয়েই কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে আছি। সরকারের কাছে দাবী মৃত্যুর আগে যেন একটি ভালো ঘরে থাকতে পারি। আর সরকারের দেয়া সহায়তায় যেন ভালো মত খেয়ে-পরে জীবনের বাকি দিনগুলো পার করতে পারি।

লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সব সময় সখিনা খাতুনকে সহযোগিতার চেষ্টা করি। এছাড়া তার ঘরটি নতুন করে নির্মাণ বা মেরামত করা যায় কিনা তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করবো।

মরণের আগে হলেও যেন একটা ভালো ঘরে থাকতে পারিঃ

লালমোহনের ৮০ বছরের অসহায় বৃদ্ধা সখিনার আকুতি

আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।

মানুষ মানুষের জন্য, আর জীবন জীবনের জন্য এতটুকু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু মানুষ পেতে পারেনা? অসাধারণ এই গানের কথা গুলো সত্যি সত্যি শুধু গানের কথায় না থেকে বাস্তবে কি ধরা দিতে পারেনা ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের বাকী জীবনে? পারে ঠিক যদি আমরা সমাজের বিত্তবানরা একটু সহায়তা করি নচেৎ সরকারি সহায়তা পাওয়ার একটু চেষ্টা করি। তবেই এক নিমিষে বদলে যেতে পারে সখিনা খাতুনের জীবন,যদি গানের কথা সত্যি হয়, তাহলে পূরণ হতে পারে তার শেষ জীবনের আশা। তবে কি পূরণ হবে সখিনা খাতুনের শেষ জীবনের স্বপ্ন? পারবে কি সে শেষ জীবনে একটা ভালো ঘরে থেকে মরতে? বলছিলাম

৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের কথা। যে কিনা বর্তমানে ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার উকিল বাড়িতে বাস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,তার স্বামী হানিফ মিয়া পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৪০ বছর আগে। সখিনা-হানিফের দাম্পত্য জীবনে একজন মেয়ের জন্ম হয়। সংসারে অভাব দেখে কাজের খোঁজ প্রায় ৩০ বছর আগে চট্টগ্রাম চলে যান একমাত্র মেয়ে নাজমা বেগম। এখনও ফিরেননি নাজমা। খোঁজও নেন না বৃদ্ধা মায়ের।

এদিকে, স্বামী-সন্তান হারা অসহায় সখিনা খাতুনের দু:খের যেন অন্ত নেই। প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় এক বেলা খাবার জোটলেও অন্য বেলায় না খেয়ে থাকতে হয় সখিনা খাতুনকে। এখানেই শেষ নয়; সখিনা খাতুনের মাথা গোঁজার একমাত্র বসত ঘরটিও নড়বড়ে। যেখানে তার বসতঘর সেটিও অন্যের জমি ওপর। দয়া করে ওই জমিতে সখিনা খাতুনকে থাকতে দিয়েছেন জমির মালিক। তবে বর্ষার সময় পানির ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙে সখিনা খাতুনের। বৃষ্টির পানি পড়ে পুরো ঘরজুড়ে।

তার সাথে কথা বলতে গেলে কান্না জড়িত কন্ঠে সখিনা খাতুন বলেন, বসতঘরটির অবস্থা অত্যান্ত খারাপ। বৃষ্টি হলে অন্যের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। আবার রাতে বৃষ্টি হলে ঘুম না গিয়ে বসে থাকতে হয়। এমন ঘরে কোনো প্রাণীও বাস করে না, অথচ মানুষ হয়েও আমাকে এই ঘরে থাকতে হয়। নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ করা বা এ ঘরটি মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই আমার। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর বিধবা ভাতা পেলেও এখন কি জানি সমস্যা হয়েছে, তাই এখন আর ওই ভাতাও পাচ্ছি না। বয়স হয়েছে। হাঁটতে হয় লাঠিতে ভর করে, তাও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। তাই প্রতিবেশিরা যা দিয়ে যায় তা দিয়েই কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে আছি। সরকারের কাছে দাবী মৃত্যুর আগে যেন একটি ভালো ঘরে থাকতে পারি। আর সরকারের দেয়া সহায়তায় যেন ভালো মত খেয়ে-পরে জীবনের বাকি দিনগুলো পার করতে পারি।

লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সব সময় সখিনা খাতুনকে সহযোগিতার চেষ্টা করি। এছাড়া তার ঘরটি নতুন করে নির্মাণ বা মেরামত করা যায় কিনা তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করবো।

মরণের আগে হলেও যেন একটা ভালো ঘরে থাকতে পারিঃ

লালমোহনের ৮০ বছরের অসহায় বৃদ্ধা সখিনার আকুতি

আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।

মানুষ মানুষের জন্য, আর জীবন জীবনের জন্য এতটুকু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু মানুষ পেতে পারেনা? অসাধারণ এই গানের কথা গুলো সত্যি সত্যি শুধু গানের কথায় না থেকে বাস্তবে কি ধরা দিতে পারেনা ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের বাকী জীবনে? পারে ঠিক যদি আমরা সমাজের বিত্তবানরা একটু সহায়তা করি নচেৎ সরকারি সহায়তা পাওয়ার একটু চেষ্টা করি। তবেই এক নিমিষে বদলে যেতে পারে সখিনা খাতুনের জীবন,যদি গানের কথা সত্যি হয়, তাহলে পূরণ হতে পারে তার শেষ জীবনের আশা। তবে কি পূরণ হবে সখিনা খাতুনের শেষ জীবনের স্বপ্ন? পারবে কি সে শেষ জীবনে একটা ভালো ঘরে থেকে মরতে? বলছিলাম

৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের কথা। যে কিনা বর্তমানে ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার উকিল বাড়িতে বাস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,তার স্বামী হানিফ মিয়া পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৪০ বছর আগে। সখিনা-হানিফের দাম্পত্য জীবনে একজন মেয়ের জন্ম হয়। সংসারে অভাব দেখে কাজের খোঁজ প্রায় ৩০ বছর আগে চট্টগ্রাম চলে যান একমাত্র মেয়ে নাজমা বেগম। এখনও ফিরেননি নাজমা। খোঁজও নেন না বৃদ্ধা মায়ের।

এদিকে, স্বামী-সন্তান হারা অসহায় সখিনা খাতুনের দু:খের যেন অন্ত নেই। প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় এক বেলা খাবার জোটলেও অন্য বেলায় না খেয়ে থাকতে হয় সখিনা খাতুনকে। এখানেই শেষ নয়; সখিনা খাতুনের মাথা গোঁজার একমাত্র বসত ঘরটিও নড়বড়ে। যেখানে তার বসতঘর সেটিও অন্যের জমি ওপর। দয়া করে ওই জমিতে সখিনা খাতুনকে থাকতে দিয়েছেন জমির মালিক। তবে বর্ষার সময় পানির ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙে সখিনা খাতুনের। বৃষ্টির পানি পড়ে পুরো ঘরজুড়ে।

তার সাথে কথা বলতে গেলে কান্না জড়িত কন্ঠে সখিনা খাতুন বলেন, বসতঘরটির অবস্থা অত্যান্ত খারাপ। বৃষ্টি হলে অন্যের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। আবার রাতে বৃষ্টি হলে ঘুম না গিয়ে বসে থাকতে হয়। এমন ঘরে কোনো প্রাণীও বাস করে না, অথচ মানুষ হয়েও আমাকে এই ঘরে থাকতে হয়। নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ করা বা এ ঘরটি মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই আমার। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর বিধবা ভাতা পেলেও এখন কি জানি সমস্যা হয়েছে, তাই এখন আর ওই ভাতাও পাচ্ছি না। বয়স হয়েছে। হাঁটতে হয় লাঠিতে ভর করে, তাও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। তাই প্রতিবেশিরা যা দিয়ে যায় তা দিয়েই কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে আছি। সরকারের কাছে দাবী মৃত্যুর আগে যেন একটি ভালো ঘরে থাকতে পারি। আর সরকারের দেয়া সহায়তায় যেন ভালো মত খেয়ে-পরে জীবনের বাকি দিনগুলো পার করতে পারি।

লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সব সময় সখিনা খাতুনকে সহযোগিতার চেষ্টা করি। এছাড়া তার ঘরটি নতুন করে নির্মাণ বা মেরামত করা যায় কিনা তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করবো।

মরণের আগে হলেও যেন একটা ভালো ঘরে থাকতে পারিঃ

লালমোহনের ৮০ বছরের অসহায় বৃদ্ধা সখিনার আকুতি

আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।

মানুষ মানুষের জন্য, আর জীবন জীবনের জন্য এতটুকু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু মানুষ পেতে পারেনা? অসাধারণ এই গানের কথা গুলো সত্যি সত্যি শুধু গানের কথায় না থেকে বাস্তবে কি ধরা দিতে পারেনা ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের বাকী জীবনে? পারে ঠিক যদি আমরা সমাজের বিত্তবানরা একটু সহায়তা করি নচেৎ সরকারি সহায়তা পাওয়ার একটু চেষ্টা করি। তবেই এক নিমিষে বদলে যেতে পারে সখিনা খাতুনের জীবন,যদি গানের কথা সত্যি হয়, তাহলে পূরণ হতে পারে তার শেষ জীবনের আশা। তবে কি পূরণ হবে সখিনা খাতুনের শেষ জীবনের স্বপ্ন? পারবে কি সে শেষ জীবনে একটা ভালো ঘরে থেকে মরতে? বলছিলাম

৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের কথা। যে কিনা বর্তমানে ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার উকিল বাড়িতে বাস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,তার স্বামী হানিফ মিয়া পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৪০ বছর আগে। সখিনা-হানিফের দাম্পত্য জীবনে একজন মেয়ের জন্ম হয়। সংসারে অভাব দেখে কাজের খোঁজ প্রায় ৩০ বছর আগে চট্টগ্রাম চলে যান একমাত্র মেয়ে নাজমা বেগম। এখনও ফিরেননি নাজমা। খোঁজও নেন না বৃদ্ধা মায়ের।

এদিকে, স্বামী-সন্তান হারা অসহায় সখিনা খাতুনের দু:খের যেন অন্ত নেই। প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় এক বেলা খাবার জোটলেও অন্য বেলায় না খেয়ে থাকতে হয় সখিনা খাতুনকে। এখানেই শেষ নয়; সখিনা খাতুনের মাথা গোঁজার একমাত্র বসত ঘরটিও নড়বড়ে। যেখানে তার বসতঘর সেটিও অন্যের জমি ওপর। দয়া করে ওই জমিতে সখিনা খাতুনকে থাকতে দিয়েছেন জমির মালিক। তবে বর্ষার সময় পানির ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙে সখিনা খাতুনের। বৃষ্টির পানি পড়ে পুরো ঘরজুড়ে।

তার সাথে কথা বলতে গেলে কান্না জড়িত কন্ঠে সখিনা খাতুন বলেন, বসতঘরটির অবস্থা অত্যান্ত খারাপ। বৃষ্টি হলে অন্যের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। আবার রাতে বৃষ্টি হলে ঘুম না গিয়ে বসে থাকতে হয়। এমন ঘরে কোনো প্রাণীও বাস করে না, অথচ মানুষ হয়েও আমাকে এই ঘরে থাকতে হয়। নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ করা বা এ ঘরটি মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই আমার। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর বিধবা ভাতা পেলেও এখন কি জানি সমস্যা হয়েছে, তাই এখন আর ওই ভাতাও পাচ্ছি না। বয়স হয়েছে। হাঁটতে হয় লাঠিতে ভর করে, তাও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। তাই প্রতিবেশিরা যা দিয়ে যায় তা দিয়েই কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে আছি। সরকারের কাছে দাবী মৃত্যুর আগে যেন একটি ভালো ঘরে থাকতে পারি। আর সরকারের দেয়া সহায়তায় যেন ভালো মত খেয়ে-পরে জীবনের বাকি দিনগুলো পার করতে পারি।

লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সব সময় সখিনা খাতুনকে সহযোগিতার চেষ্টা করি। এছাড়া তার ঘরটি নতুন করে নির্মাণ বা মেরামত করা যায় কিনা তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করবো।

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।।

মরণের আগে হলেও যেন একটা ভালো ঘরে থাকতে পারি

আপডেট সময় : 05:14:39 pm, Friday, 13 May 2022

আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।

মানুষ মানুষের জন্য, আর জীবন জীবনের জন্য এতটুকু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু মানুষ পেতে পারেনা? অসাধারণ এই গানের কথা গুলো সত্যি সত্যি শুধু গানের কথায় না থেকে বাস্তবে কি ধরা দিতে পারেনা ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের বাকী জীবনে? পারে ঠিক যদি আমরা সমাজের বিত্তবানরা একটু সহায়তা করি নচেৎ সরকারি সহায়তা পাওয়ার একটু চেষ্টা করি। তবেই এক নিমিষে বদলে যেতে পারে সখিনা খাতুনের জীবন,যদি গানের কথা সত্যি হয়, তাহলে পূরণ হতে পারে তার শেষ জীবনের আশা। তবে কি পূরণ হবে সখিনা খাতুনের শেষ জীবনের স্বপ্ন? পারবে কি সে শেষ জীবনে একটা ভালো ঘরে থেকে মরতে? বলছিলাম

৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের কথা। যে কিনা বর্তমানে ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার উকিল বাড়িতে বাস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,তার স্বামী হানিফ মিয়া পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৪০ বছর আগে। সখিনা-হানিফের দাম্পত্য জীবনে একজন মেয়ের জন্ম হয়। সংসারে অভাব দেখে কাজের খোঁজ প্রায় ৩০ বছর আগে চট্টগ্রাম চলে যান একমাত্র মেয়ে নাজমা বেগম। এখনও ফিরেননি নাজমা। খোঁজও নেন না বৃদ্ধা মায়ের।

এদিকে, স্বামী-সন্তান হারা অসহায় সখিনা খাতুনের দু:খের যেন অন্ত নেই। প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় এক বেলা খাবার জোটলেও অন্য বেলায় না খেয়ে থাকতে হয় সখিনা খাতুনকে। এখানেই শেষ নয়; সখিনা খাতুনের মাথা গোঁজার একমাত্র বসত ঘরটিও নড়বড়ে। যেখানে তার বসতঘর সেটিও অন্যের জমি ওপর। দয়া করে ওই জমিতে সখিনা খাতুনকে থাকতে দিয়েছেন জমির মালিক। তবে বর্ষার সময় পানির ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙে সখিনা খাতুনের। বৃষ্টির পানি পড়ে পুরো ঘরজুড়ে।

তার সাথে কথা বলতে গেলে কান্না জড়িত কন্ঠে সখিনা খাতুন বলেন, বসতঘরটির অবস্থা অত্যান্ত খারাপ। বৃষ্টি হলে অন্যের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। আবার রাতে বৃষ্টি হলে ঘুম না গিয়ে বসে থাকতে হয়। এমন ঘরে কোনো প্রাণীও বাস করে না, অথচ মানুষ হয়েও আমাকে এই ঘরে থাকতে হয়। নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ করা বা এ ঘরটি মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই আমার। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর বিধবা ভাতা পেলেও এখন কি জানি সমস্যা হয়েছে, তাই এখন আর ওই ভাতাও পাচ্ছি না। বয়স হয়েছে। হাঁটতে হয় লাঠিতে ভর করে, তাও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। তাই প্রতিবেশিরা যা দিয়ে যায় তা দিয়েই কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে আছি। সরকারের কাছে দাবী মৃত্যুর আগে যেন একটি ভালো ঘরে থাকতে পারি। আর সরকারের দেয়া সহায়তায় যেন ভালো মত খেয়ে-পরে জীবনের বাকি দিনগুলো পার করতে পারি।

লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সব সময় সখিনা খাতুনকে সহযোগিতার চেষ্টা করি। এছাড়া তার ঘরটি নতুন করে নির্মাণ বা মেরামত করা যায় কিনা তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করবো।

মরণের আগে হলেও যেন একটা ভালো ঘরে থাকতে পারিঃ

লালমোহনের ৮০ বছরের অসহায় বৃদ্ধা সখিনার আকুতি

আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।

মানুষ মানুষের জন্য, আর জীবন জীবনের জন্য এতটুকু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু মানুষ পেতে পারেনা? অসাধারণ এই গানের কথা গুলো সত্যি সত্যি শুধু গানের কথায় না থেকে বাস্তবে কি ধরা দিতে পারেনা ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের বাকী জীবনে? পারে ঠিক যদি আমরা সমাজের বিত্তবানরা একটু সহায়তা করি নচেৎ সরকারি সহায়তা পাওয়ার একটু চেষ্টা করি। তবেই এক নিমিষে বদলে যেতে পারে সখিনা খাতুনের জীবন,যদি গানের কথা সত্যি হয়, তাহলে পূরণ হতে পারে তার শেষ জীবনের আশা। তবে কি পূরণ হবে সখিনা খাতুনের শেষ জীবনের স্বপ্ন? পারবে কি সে শেষ জীবনে একটা ভালো ঘরে থেকে মরতে? বলছিলাম

৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের কথা। যে কিনা বর্তমানে ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার উকিল বাড়িতে বাস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,তার স্বামী হানিফ মিয়া পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৪০ বছর আগে। সখিনা-হানিফের দাম্পত্য জীবনে একজন মেয়ের জন্ম হয়। সংসারে অভাব দেখে কাজের খোঁজ প্রায় ৩০ বছর আগে চট্টগ্রাম চলে যান একমাত্র মেয়ে নাজমা বেগম। এখনও ফিরেননি নাজমা। খোঁজও নেন না বৃদ্ধা মায়ের।

এদিকে, স্বামী-সন্তান হারা অসহায় সখিনা খাতুনের দু:খের যেন অন্ত নেই। প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় এক বেলা খাবার জোটলেও অন্য বেলায় না খেয়ে থাকতে হয় সখিনা খাতুনকে। এখানেই শেষ নয়; সখিনা খাতুনের মাথা গোঁজার একমাত্র বসত ঘরটিও নড়বড়ে। যেখানে তার বসতঘর সেটিও অন্যের জমি ওপর। দয়া করে ওই জমিতে সখিনা খাতুনকে থাকতে দিয়েছেন জমির মালিক। তবে বর্ষার সময় পানির ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙে সখিনা খাতুনের। বৃষ্টির পানি পড়ে পুরো ঘরজুড়ে।

তার সাথে কথা বলতে গেলে কান্না জড়িত কন্ঠে সখিনা খাতুন বলেন, বসতঘরটির অবস্থা অত্যান্ত খারাপ। বৃষ্টি হলে অন্যের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। আবার রাতে বৃষ্টি হলে ঘুম না গিয়ে বসে থাকতে হয়। এমন ঘরে কোনো প্রাণীও বাস করে না, অথচ মানুষ হয়েও আমাকে এই ঘরে থাকতে হয়। নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ করা বা এ ঘরটি মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই আমার। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর বিধবা ভাতা পেলেও এখন কি জানি সমস্যা হয়েছে, তাই এখন আর ওই ভাতাও পাচ্ছি না। বয়স হয়েছে। হাঁটতে হয় লাঠিতে ভর করে, তাও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। তাই প্রতিবেশিরা যা দিয়ে যায় তা দিয়েই কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে আছি। সরকারের কাছে দাবী মৃত্যুর আগে যেন একটি ভালো ঘরে থাকতে পারি। আর সরকারের দেয়া সহায়তায় যেন ভালো মত খেয়ে-পরে জীবনের বাকি দিনগুলো পার করতে পারি।

লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সব সময় সখিনা খাতুনকে সহযোগিতার চেষ্টা করি। এছাড়া তার ঘরটি নতুন করে নির্মাণ বা মেরামত করা যায় কিনা তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করবো।

মরণের আগে হলেও যেন একটা ভালো ঘরে থাকতে পারিঃ

লালমোহনের ৮০ বছরের অসহায় বৃদ্ধা সখিনার আকুতি

আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।

মানুষ মানুষের জন্য, আর জীবন জীবনের জন্য এতটুকু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু মানুষ পেতে পারেনা? অসাধারণ এই গানের কথা গুলো সত্যি সত্যি শুধু গানের কথায় না থেকে বাস্তবে কি ধরা দিতে পারেনা ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের বাকী জীবনে? পারে ঠিক যদি আমরা সমাজের বিত্তবানরা একটু সহায়তা করি নচেৎ সরকারি সহায়তা পাওয়ার একটু চেষ্টা করি। তবেই এক নিমিষে বদলে যেতে পারে সখিনা খাতুনের জীবন,যদি গানের কথা সত্যি হয়, তাহলে পূরণ হতে পারে তার শেষ জীবনের আশা। তবে কি পূরণ হবে সখিনা খাতুনের শেষ জীবনের স্বপ্ন? পারবে কি সে শেষ জীবনে একটা ভালো ঘরে থেকে মরতে? বলছিলাম

৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের কথা। যে কিনা বর্তমানে ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার উকিল বাড়িতে বাস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,তার স্বামী হানিফ মিয়া পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৪০ বছর আগে। সখিনা-হানিফের দাম্পত্য জীবনে একজন মেয়ের জন্ম হয়। সংসারে অভাব দেখে কাজের খোঁজ প্রায় ৩০ বছর আগে চট্টগ্রাম চলে যান একমাত্র মেয়ে নাজমা বেগম। এখনও ফিরেননি নাজমা। খোঁজও নেন না বৃদ্ধা মায়ের।

এদিকে, স্বামী-সন্তান হারা অসহায় সখিনা খাতুনের দু:খের যেন অন্ত নেই। প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় এক বেলা খাবার জোটলেও অন্য বেলায় না খেয়ে থাকতে হয় সখিনা খাতুনকে। এখানেই শেষ নয়; সখিনা খাতুনের মাথা গোঁজার একমাত্র বসত ঘরটিও নড়বড়ে। যেখানে তার বসতঘর সেটিও অন্যের জমি ওপর। দয়া করে ওই জমিতে সখিনা খাতুনকে থাকতে দিয়েছেন জমির মালিক। তবে বর্ষার সময় পানির ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙে সখিনা খাতুনের। বৃষ্টির পানি পড়ে পুরো ঘরজুড়ে।

তার সাথে কথা বলতে গেলে কান্না জড়িত কন্ঠে সখিনা খাতুন বলেন, বসতঘরটির অবস্থা অত্যান্ত খারাপ। বৃষ্টি হলে অন্যের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। আবার রাতে বৃষ্টি হলে ঘুম না গিয়ে বসে থাকতে হয়। এমন ঘরে কোনো প্রাণীও বাস করে না, অথচ মানুষ হয়েও আমাকে এই ঘরে থাকতে হয়। নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ করা বা এ ঘরটি মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই আমার। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর বিধবা ভাতা পেলেও এখন কি জানি সমস্যা হয়েছে, তাই এখন আর ওই ভাতাও পাচ্ছি না। বয়স হয়েছে। হাঁটতে হয় লাঠিতে ভর করে, তাও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। তাই প্রতিবেশিরা যা দিয়ে যায় তা দিয়েই কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে আছি। সরকারের কাছে দাবী মৃত্যুর আগে যেন একটি ভালো ঘরে থাকতে পারি। আর সরকারের দেয়া সহায়তায় যেন ভালো মত খেয়ে-পরে জীবনের বাকি দিনগুলো পার করতে পারি।

লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সব সময় সখিনা খাতুনকে সহযোগিতার চেষ্টা করি। এছাড়া তার ঘরটি নতুন করে নির্মাণ বা মেরামত করা যায় কিনা তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করবো।

মরণের আগে হলেও যেন একটা ভালো ঘরে থাকতে পারিঃ

লালমোহনের ৮০ বছরের অসহায় বৃদ্ধা সখিনার আকুতি

আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।

মানুষ মানুষের জন্য, আর জীবন জীবনের জন্য এতটুকু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু মানুষ পেতে পারেনা? অসাধারণ এই গানের কথা গুলো সত্যি সত্যি শুধু গানের কথায় না থেকে বাস্তবে কি ধরা দিতে পারেনা ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের বাকী জীবনে? পারে ঠিক যদি আমরা সমাজের বিত্তবানরা একটু সহায়তা করি নচেৎ সরকারি সহায়তা পাওয়ার একটু চেষ্টা করি। তবেই এক নিমিষে বদলে যেতে পারে সখিনা খাতুনের জীবন,যদি গানের কথা সত্যি হয়, তাহলে পূরণ হতে পারে তার শেষ জীবনের আশা। তবে কি পূরণ হবে সখিনা খাতুনের শেষ জীবনের স্বপ্ন? পারবে কি সে শেষ জীবনে একটা ভালো ঘরে থেকে মরতে? বলছিলাম

৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের কথা। যে কিনা বর্তমানে ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার উকিল বাড়িতে বাস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,তার স্বামী হানিফ মিয়া পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৪০ বছর আগে। সখিনা-হানিফের দাম্পত্য জীবনে একজন মেয়ের জন্ম হয়। সংসারে অভাব দেখে কাজের খোঁজ প্রায় ৩০ বছর আগে চট্টগ্রাম চলে যান একমাত্র মেয়ে নাজমা বেগম। এখনও ফিরেননি নাজমা। খোঁজও নেন না বৃদ্ধা মায়ের।

এদিকে, স্বামী-সন্তান হারা অসহায় সখিনা খাতুনের দু:খের যেন অন্ত নেই। প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় এক বেলা খাবার জোটলেও অন্য বেলায় না খেয়ে থাকতে হয় সখিনা খাতুনকে। এখানেই শেষ নয়; সখিনা খাতুনের মাথা গোঁজার একমাত্র বসত ঘরটিও নড়বড়ে। যেখানে তার বসতঘর সেটিও অন্যের জমি ওপর। দয়া করে ওই জমিতে সখিনা খাতুনকে থাকতে দিয়েছেন জমির মালিক। তবে বর্ষার সময় পানির ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙে সখিনা খাতুনের। বৃষ্টির পানি পড়ে পুরো ঘরজুড়ে।

তার সাথে কথা বলতে গেলে কান্না জড়িত কন্ঠে সখিনা খাতুন বলেন, বসতঘরটির অবস্থা অত্যান্ত খারাপ। বৃষ্টি হলে অন্যের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। আবার রাতে বৃষ্টি হলে ঘুম না গিয়ে বসে থাকতে হয়। এমন ঘরে কোনো প্রাণীও বাস করে না, অথচ মানুষ হয়েও আমাকে এই ঘরে থাকতে হয়। নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ করা বা এ ঘরটি মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই আমার। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর বিধবা ভাতা পেলেও এখন কি জানি সমস্যা হয়েছে, তাই এখন আর ওই ভাতাও পাচ্ছি না। বয়স হয়েছে। হাঁটতে হয় লাঠিতে ভর করে, তাও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। তাই প্রতিবেশিরা যা দিয়ে যায় তা দিয়েই কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে আছি। সরকারের কাছে দাবী মৃত্যুর আগে যেন একটি ভালো ঘরে থাকতে পারি। আর সরকারের দেয়া সহায়তায় যেন ভালো মত খেয়ে-পরে জীবনের বাকি দিনগুলো পার করতে পারি।

লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সব সময় সখিনা খাতুনকে সহযোগিতার চেষ্টা করি। এছাড়া তার ঘরটি নতুন করে নির্মাণ বা মেরামত করা যায় কিনা তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করবো।