
এম আবুুুু হেনা সাগর, ঈদগাঁও।।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ,কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় তিনটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কাউন্সিল শেষ হলেও এখন অসম্পন্ন রয়েছে আরো দুইটি ইউনিয়ন। এই নিয়ে তুনমূল নেতাকর্মী দের মাঝে চাঙ্গাভাব বিরাজ করছে। স্থবিরতা কাটিয়ে এবার আশা জাগাচ্ছেন নেতাকর্মীদের মাঝে।
দীর্ঘদিন পর সদর উপজেলা থেকে আলাদা হয়ে ঈদগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগ আহবায়ক কমিটি অনুমোদন প্রদান করেছেন জেলা আওয়ামীলীগ। কিন্তু উপজেলার আওতাধীন ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ঈদগাঁও,জালালাবাদ এবং পােকখালী ইউনিয়নে ঝাঁকজমকপূর্ণ ও গনতান্ত্রিক পরিবেশে সম্মেলনসহ কাউন্সিল সম্পন্ন হয়েছে। এতেই সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক পদে উঠে এসেছে নতুন নেতৃত্ব। তবে অসমাপ্ত রয়েছে ইসলামাবাদ ও ইসলামপুর ইউনিয়ন সম্মেলন।
এদিকে দুই ইউনিয়নে মাঠ গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন নেতাকর্মীরা। দীর্ঘদিন ধরে কমিটিতে থাকা নেতাকর্মীদের পাশাপাশি নতুন নেতৃত্বে আসতে মরিয়া যুবলীগ-ছাত্রলীগ থেকে উঠে আসা ত্যাগী, পরীক্ষিত নেতারা। এমনকি তারা নিরবে কিংবা প্রকাশ্যে পুরনো কাউন্সিলদের সাথে যোগাযোগ রক্ষাসহ সু-সম্পর্ক বজায় রেখে চলছেন।
তৃনমূল নেতাকর্মীদের মতে, ইউনিয়ন কাউন্সিলে দীর্ঘসময় ধরে আন্দোলন সংগ্রামে, মাঠে ময়দানে যাদের শ্রম,ত্যাগ-তিতিক্ষা রয়েছে এবং সৎ, সাহসী নেতাদের নেতৃত্বের আসনে বসালে দলের কার্যক্রম এগিয়ে যাবে।
সাবেক এক যুবনেতা জানান, তারুন্যে নির্ভর মূলদল শক্তিশালী হবে, দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম চাঙ্গা হবে। নবীন প্রবীনের সমন্বয়ে দল কে এগিয়ে নেবে। যদি আওয়ামী লীগে যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মী রা স্থান পায়।
শ্রমিকলীগ নেতা আমজাদ হোসেন ছোটন রাজা বলেন, দলের দু:
সময়ে যারা রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করে শ্রম দিয়েছিল কিংবা আওয়ামী পরিবারের সন্তান তাদেরকে মূল্যায়ন করা হউক।

















