Dhaka , Tuesday, 28 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।। মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।। শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা কালে জনতার হাতে যুবক আটক।। রামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আরাফাতের  নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার।। রূপগঞ্জে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ।। তিতাসের জিয়ারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেনের শিক্ষকতার দুই যুগপূর্তি।। কোম্পানীগঞ্জে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার- স্বামী পলাতক।। নরসিংদী বৃষ্টির কারনে পশুর হাটে বেচা কেনা কম।। মায়ের সামনে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু।। ঈদুল আযহা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৮ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ।। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিংয়ে সারাদেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাজাপুরের মশিউর রহমান তামিম।। সুন্দরগঞ্জের দহবন্দ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ।। কুমিল্লা পিটিআই কর্তৃক সততা নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন- তানজুরুন নাহার।। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর শুভ সূচনা।। সড়কতো নয় যেন ধান শুকানোর চাতাল।। তিতাসে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত।। ঈদ উপলক্ষে হিলিতে বিনামূল্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে চাল বিতারণ।।  পাবনায় হত্যায় মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।। আই-ইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সভাপতি পিয়াস সম্পাদক ইকবাল।। পাবনা জেলা স্কুল জাতীয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়।। সিলেটে বৃস্পতিবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত-ফের জলাবদ্ধতার শঙ্কা।। জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রফিক আমার নামে মিথ্যাচার চালাচ্ছে- আবুল বাশার  বাদশা।। নিখোঁজের দুদিন পর মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ঘাটলার নিচে।। ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন।। সুন্দরগঞ্জে পশুর হাট নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৩ রাউন্ড গুলি বিনিময়- পুলিশসহ আহত ১০।। নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু।। পাবনায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ জন নিহত আহত -৭ জন।। রূপগঞ্জ কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী রফিক সমর্থকদের উপর হামলা।। ৩৬ দিন পর যুবকের লাশ উত্তোলন- ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের।। শিবচরে আগুনে ১৩ গরু মারা গেছে।।

মহেশখালীতে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখি ও তাদের তৈরী দৃষ্টিনন্দন বাসা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:31:56 pm, Thursday, 28 July 2022
  • 101 বার পড়া হয়েছে

মহেশখালীতে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখি ও তাদের তৈরী দৃষ্টিনন্দন বাসা

সরওয়ার কামাল কক্সবাজার।।

কক্সবাজার জেলার পাহাড় সমৃদ্ধ সবুজ শ্যামল ভরপুর সৃষ্টির আদলে গড়া দৃষ্টিনন্দন দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর গ্রাম-অঞ্চলে আগের মত এখন আর চোখে পড়েনা বাবুই পাখির কারুকার্যে তৈরী দৃষ্টিনন্দন বাসা ও বাবুই পাখি। বাবুই পাখিরা বাসা তৈরী করত তাল গাছ, নারিকেল গাছ ও খেজুর গাছের ডালে। পাখিটি দেখতে ছোট হলেও বুদ্ধিতে সব পাখিকে হার মানায়। আগেকার সময়ে মহেশখালীর বিভিন্ন পল্লী এলাকায় চোখে পড়ত দৃষ্টিনন্দন বাবুই পাখির বাসা। কিন্তু কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে আবহমান বাংলার সেই ঐতিহ্যবাহী নিপুন বাসা তৈরির কারীগর বাবুই পাখি ও তাদের বাসা। পাখিটি সু-নিপূণ ভাবে খড়ের ফালি, ধানের পাতা, তালের কচিপাতা, ঝাউ কাঁশবনের লতাপাতা দিয়ে সু-উঁচু তালগাছ নারীকেল গাছে চমৎকার আকৃতির বাসা তৈরি করত বুদ্ধিমান বাবুই পাখিরা। বাবুই পাখির বাসা যেমন দৃষ্টিনন্দন তেমনি মজবুত। মাঝে-মধ্যে খেজুর কিংবা অন্যান্য গাছের শাখাতেও দৃষ্টিনন্দন বাসাটি বাধেঁ। ছোট পাখিটি বুদ্ধিমান ও মেধাবী বলেই এরা সুন্দর বাসা তৈরি করে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও প্রবল ঝড়ের বাতাসে সাথে মোকাবেলা করে টিকে থাকে তাদের বাসা। মুক্ত বোননের বাবুই পাখির বাসাটি টেনেও ছেড়া খুব কঠিন। এরা এক বাসা থেকে আরেক বাসায় যায়, পছন্দের সঙ্গীয় খোঁজতে। সঙ্গী পছন্দ হলে স্ত্রী বাবুইকে সঙ্গী বানানোর জন্য খাল-বিল ও ডোবাই গোসল করে ফুর্তিতে নেচে বেড়ায় গাছের ডালে ডালে। পরে এরা উঁচু তালগাছ, নারিকেল গাছ বা সুপারি গাছের ঢালে বাসা তৈরির কাজ শুরু করে। স্ত্রী বাবুই পাখি প্রেরণা পেয়ে পুরুষ বাবুই খুবই শিল্প সম্মত ভাবে নিপুন বাসা তৈরি করে। মানব সমাজের এক শ্রেণীর লোভী শিকারী বাবইু পাখি সহ তাদের পছন্দনীয় বৃক্ষাদি নিধন করার কারনে, হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখি ও তাদের বাসা। বাবুই খাবারের জন্য ঝাঁক বেধেঁ নামে ধান ক্ষেত ও বিভিন্ন অনাবাধি জমিতে, এসময় সুযোগটাই নেই লোভী শিকারীরা। তারা জাল পেতে রাখে জালে আটকা পড়ে শত শত বাবুই। প্রতিটি পাখি থেকে একশ থেকে দেড়শ গ্রাম মাংস পাওয়া যায়। সামান্য লোভের জন্য এভাবেই বাবুই পাখি নিধন চলছে অহরহ। বাবুই শিকার অব্যাহত থাকলে এ উপজেলা থেকে একদিনের বুদ্ধিমান পাখির বিলুপ্তি ঘটবে বলে মনে করেন সচেতন মহল। পুরুষ বাবুই পাখি কেবল বাসা তৈরি করে। স্ত্রী বাবুই ডিম দেওয়ার সঙ্গে পুরুষ বাবুই খোঁজতে থাকে আরেক সঙ্গীকে। পুরুষ বাবুই এক মৌসুমে একাধিক বাসা তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ এরা ঘর-সংসার করতে পারে একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে, তাতেই স্ত্রী বাবুই’র বাধা নেই। প্রজনন প্রক্রিয়ায় স্ত্রী বাবুই ডিমের তাপ দেওয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চা দেয় এবং ৩/৪ সপ্তাহ পর বাবুই বাচ্চা ছেড়ে উড়ে যায়। স্ত্রী বাবুই দুধ- ধান সংগ্রহ করে এনে বাচ্চাদের খাওয়ায়। হারিয়ে যাওয়া বাবুই পাখি গত কয়েক বছর আগেও মহেশখালীতে চোখে পড়ার মত ছিল বিভিন্ন এলাকায়। কিন্তু ছোট বুদ্ধিমান এ পাখি আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। বাসা বোননের কারিগর বাবুই পাখিদের বিলুপ্তির পথ থেকে রক্ষার একটি মাত্র উপায় মানব সমাজের সচেতন মানুষরা ঐক্যবন্ধ হয়ে লোভি শিকারীদের প্রতিহত করার মধ্য দিয়ে বিলুপ্তি ঠেকানো সম্ভব বলে মনে করেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।।

মহেশখালীতে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখি ও তাদের তৈরী দৃষ্টিনন্দন বাসা

আপডেট সময় : 06:31:56 pm, Thursday, 28 July 2022

সরওয়ার কামাল কক্সবাজার।।

কক্সবাজার জেলার পাহাড় সমৃদ্ধ সবুজ শ্যামল ভরপুর সৃষ্টির আদলে গড়া দৃষ্টিনন্দন দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর গ্রাম-অঞ্চলে আগের মত এখন আর চোখে পড়েনা বাবুই পাখির কারুকার্যে তৈরী দৃষ্টিনন্দন বাসা ও বাবুই পাখি। বাবুই পাখিরা বাসা তৈরী করত তাল গাছ, নারিকেল গাছ ও খেজুর গাছের ডালে। পাখিটি দেখতে ছোট হলেও বুদ্ধিতে সব পাখিকে হার মানায়। আগেকার সময়ে মহেশখালীর বিভিন্ন পল্লী এলাকায় চোখে পড়ত দৃষ্টিনন্দন বাবুই পাখির বাসা। কিন্তু কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে আবহমান বাংলার সেই ঐতিহ্যবাহী নিপুন বাসা তৈরির কারীগর বাবুই পাখি ও তাদের বাসা। পাখিটি সু-নিপূণ ভাবে খড়ের ফালি, ধানের পাতা, তালের কচিপাতা, ঝাউ কাঁশবনের লতাপাতা দিয়ে সু-উঁচু তালগাছ নারীকেল গাছে চমৎকার আকৃতির বাসা তৈরি করত বুদ্ধিমান বাবুই পাখিরা। বাবুই পাখির বাসা যেমন দৃষ্টিনন্দন তেমনি মজবুত। মাঝে-মধ্যে খেজুর কিংবা অন্যান্য গাছের শাখাতেও দৃষ্টিনন্দন বাসাটি বাধেঁ। ছোট পাখিটি বুদ্ধিমান ও মেধাবী বলেই এরা সুন্দর বাসা তৈরি করে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও প্রবল ঝড়ের বাতাসে সাথে মোকাবেলা করে টিকে থাকে তাদের বাসা। মুক্ত বোননের বাবুই পাখির বাসাটি টেনেও ছেড়া খুব কঠিন। এরা এক বাসা থেকে আরেক বাসায় যায়, পছন্দের সঙ্গীয় খোঁজতে। সঙ্গী পছন্দ হলে স্ত্রী বাবুইকে সঙ্গী বানানোর জন্য খাল-বিল ও ডোবাই গোসল করে ফুর্তিতে নেচে বেড়ায় গাছের ডালে ডালে। পরে এরা উঁচু তালগাছ, নারিকেল গাছ বা সুপারি গাছের ঢালে বাসা তৈরির কাজ শুরু করে। স্ত্রী বাবুই পাখি প্রেরণা পেয়ে পুরুষ বাবুই খুবই শিল্প সম্মত ভাবে নিপুন বাসা তৈরি করে। মানব সমাজের এক শ্রেণীর লোভী শিকারী বাবইু পাখি সহ তাদের পছন্দনীয় বৃক্ষাদি নিধন করার কারনে, হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখি ও তাদের বাসা। বাবুই খাবারের জন্য ঝাঁক বেধেঁ নামে ধান ক্ষেত ও বিভিন্ন অনাবাধি জমিতে, এসময় সুযোগটাই নেই লোভী শিকারীরা। তারা জাল পেতে রাখে জালে আটকা পড়ে শত শত বাবুই। প্রতিটি পাখি থেকে একশ থেকে দেড়শ গ্রাম মাংস পাওয়া যায়। সামান্য লোভের জন্য এভাবেই বাবুই পাখি নিধন চলছে অহরহ। বাবুই শিকার অব্যাহত থাকলে এ উপজেলা থেকে একদিনের বুদ্ধিমান পাখির বিলুপ্তি ঘটবে বলে মনে করেন সচেতন মহল। পুরুষ বাবুই পাখি কেবল বাসা তৈরি করে। স্ত্রী বাবুই ডিম দেওয়ার সঙ্গে পুরুষ বাবুই খোঁজতে থাকে আরেক সঙ্গীকে। পুরুষ বাবুই এক মৌসুমে একাধিক বাসা তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ এরা ঘর-সংসার করতে পারে একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে, তাতেই স্ত্রী বাবুই’র বাধা নেই। প্রজনন প্রক্রিয়ায় স্ত্রী বাবুই ডিমের তাপ দেওয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চা দেয় এবং ৩/৪ সপ্তাহ পর বাবুই বাচ্চা ছেড়ে উড়ে যায়। স্ত্রী বাবুই দুধ- ধান সংগ্রহ করে এনে বাচ্চাদের খাওয়ায়। হারিয়ে যাওয়া বাবুই পাখি গত কয়েক বছর আগেও মহেশখালীতে চোখে পড়ার মত ছিল বিভিন্ন এলাকায়। কিন্তু ছোট বুদ্ধিমান এ পাখি আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। বাসা বোননের কারিগর বাবুই পাখিদের বিলুপ্তির পথ থেকে রক্ষার একটি মাত্র উপায় মানব সমাজের সচেতন মানুষরা ঐক্যবন্ধ হয়ে লোভি শিকারীদের প্রতিহত করার মধ্য দিয়ে বিলুপ্তি ঠেকানো সম্ভব বলে মনে করেন সচেতন মহল।