
হোসাইন রুবেল ভোলা॥
আামাদের ভোলার রত্ন, তথা বাংলাদেশের রাজনীতির আইকন, ভোলাবাসী সহ আমার রাজনৈতিক অভিভাবক,পরম শ্রোদ্বা ভাজন নেতা,আধুনিক ভোলার রুপকার, ৬৯ এর গণঅভুথ্যানের মহা নায়ক,সাবেক ডাকসুর ভিপি,বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবন্ধু উপাদিতে ঘোষণা করা, সেই মহান নেতা,বাংলাদেশের কিংবদন্তী পার্লামেন্টরিয়ান ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ সাবেক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুই বারের অত্যন্ত সফল শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী, তোফায়েল ভাই দীর্ঘদিন অসুস্থ থেকে ভারত,সিঙ্গাপুর সহ বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়ে মহান আল্লাহর রহমতে আমাদের মাঝে ফিরে আসায় আমাদের ভোলাবাসী সহ আমার মনে বেশ শক্তি ও সাহস বাড়ার পাশাপাশি চাঞ্চল্য এসেছে।
এই প্রিয় নেতার মধ্যেই যেন আমার জীবন। কারণ আমি আমার এই নেতাকে অত্যন্ত কাছ থেকে দেখেছি,এবং তার বেশ আদর আর ভালোবাসা এই ভোলাতে আমি সবচেয়ে বেশি পেয়েছি। আর তাই আমার মনে হয়, প্রিয় নেতার মধ্যেই আমার আত্না । এই জন্য নেতার অসুস্থ কালীন সময় আমি প্রতি নামাজের পর আল্লাহর কাছে অনেক ফরিয়াদ করেছি। আর তাই মহান আল্লাহ পাক আমাকে যেমন এত তাড়াতাড়ি অভিভাবক হীন করেনি,তেমনি আমাদের ভোলাবাসীকেও করেনি অভিভাবক শূণ্য। আমাদের ভোলাবাসীর মহা মূল্যবান রত্ন তোফায়েল ভাই আমাদের মাঝে ফিরে আসাতে ভোলার তেরটি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের তৃণমূল থেকে শুরু করে ভোলা জেলা আওয়ামীলীগের সকল নেতাকর্মীদের মধ্যে ঈদের মতো একটা খুশির আমেজ এসেছে।
তেমনি নেতার অসুস্থতার খবরে আমাদের আওয়মীলীগের সকল নেতাকর্মীদের মধ্যে বেশ দুচিন্তা আর হতাশা কাজ করেছিলো বলে,আমরা প্রতিনিয়ত ভোলার কোথাও না কোথাও প্রিয় নেতার সুস্থতার জন্য আমাদের মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া মুনাজাত করেছি। অবশেষে সৃষ্টিকর্তা হয়তো আমাদের সেই আর্তনাদ গ্রহণ করে ভোলার অভিভাবক,প্রিয় নেতাকে সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিয়েছেন। তাই মহান আল্লাহর কাছে আমরা হাজার-হাজার শুকরিয়া জ্ঞাপণ করছি। সেই সাথে বিধাতাকে প্রতিনিয়ত বলবো,তিনি যেন আমাদের এই মহান নেতা তোফায়েল ভাইকে আরো পঞ্চাশ বছর নেক হায়াৎ দিয়ে আমাদের মাঝে বাঁচিয়ে রাখেন।

















