Dhaka , Saturday, 9 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।। মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।। শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা কালে জনতার হাতে যুবক আটক।। রামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আরাফাতের  নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার।। রূপগঞ্জে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ।। তিতাসের জিয়ারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেনের শিক্ষকতার দুই যুগপূর্তি।। কোম্পানীগঞ্জে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার- স্বামী পলাতক।। নরসিংদী বৃষ্টির কারনে পশুর হাটে বেচা কেনা কম।। মায়ের সামনে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু।। ঈদুল আযহা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৮ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ।। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিংয়ে সারাদেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাজাপুরের মশিউর রহমান তামিম।। সুন্দরগঞ্জের দহবন্দ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ।। কুমিল্লা পিটিআই কর্তৃক সততা নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন- তানজুরুন নাহার।। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর শুভ সূচনা।। সড়কতো নয় যেন ধান শুকানোর চাতাল।। তিতাসে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত।। ঈদ উপলক্ষে হিলিতে বিনামূল্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে চাল বিতারণ।।  পাবনায় হত্যায় মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।। আই-ইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সভাপতি পিয়াস সম্পাদক ইকবাল।। পাবনা জেলা স্কুল জাতীয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়।। সিলেটে বৃস্পতিবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত-ফের জলাবদ্ধতার শঙ্কা।। জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রফিক আমার নামে মিথ্যাচার চালাচ্ছে- আবুল বাশার  বাদশা।। নিখোঁজের দুদিন পর মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ঘাটলার নিচে।। ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন।। সুন্দরগঞ্জে পশুর হাট নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৩ রাউন্ড গুলি বিনিময়- পুলিশসহ আহত ১০।। নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু।। পাবনায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ জন নিহত আহত -৭ জন।। রূপগঞ্জ কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী রফিক সমর্থকদের উপর হামলা।। ৩৬ দিন পর যুবকের লাশ উত্তোলন- ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের।। শিবচরে আগুনে ১৩ গরু মারা গেছে।।

শেরপুরের ঝিনাইগাতি সীমান্তে হাতির তান্ডবে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি – হতাশায় কৃষক

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:23:39 pm, Saturday, 25 March 2023
  • 170 বার পড়া হয়েছে

মোঃ রাকিবুল হাসান, শেরপুর প্রতিনিধি।।

শেরপুরের ঝিনাইগাতি সীমান্তে ভারত থেকে বন্য হাতি নেমে এসেছে এবং গত ২ দিন থেকে সীমান্তের বোর ফসলের উপর চলছে হাতির তান্ডব। এমন পরিস্থিতে সীমান্তের বোর চাষি ও প্রান্তিক কৃষকের ফসল নষ্ট হওয়ায় আতঙ্কে নিরঘুম রাত কাটাচ্ছে সীমান্তবাসী।

ইতি মধ্যেই বন্য হাতি সীমান্তের বহু জমির ফসল খেয়ে সাবার করে দিয়েছে। এমন অবস্থা দেখে সীমান্তের বাকি কৃষকদের ঘুম হারাম হয়ে পরেছে। সীমান্ত অঞ্চলের কৃষকরা ভাবছে তাদের ফসল ঘরে তুলতে পারবেনা। এ বছর বোর চাষ করতে বিগত বছরের তুলনায় দ্বিগুন খরচ হয়েছে কৃষকের।

কষ্ট অর্জিত উঠতি বোর ফসল বন্য হাতির কারনে ঘরে তুলতে না পারলে সীমাহিন কষ্টের মধ্যে পরবে সীমান্তের কৃষকেরা। গত ২ দিনে সীমান্তের আদিবাসী সম্প্রদায়ের গারো কুচ হাজং সহ আরো অনেক কৃষকের উঠতি বোর ফসল খেয়ে সাবার করে দিয়েছে। ধান খেত বাচাতে কৃষকেরা জীবনের ঝুকি নিয়ে রাত জেগে মশাল জালিয়ে রাত ভর ফসল রক্ষার চেষ্টা করছে। ইতি পূর্বে সীমান্তের কৃষকের ফসল ও ঘর-বাড়ি রক্ষা করতে গিয়ে হাতির পায়ে পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছে। দির্ঘ দিন থেকেই চলছে বন্য হাতি আর মানুষের মধ্যে চলছে বাচা মরার লড়াই।

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বন্য হাতির এই তান্ডব চলছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের এই বিপর্যয়ের মধ্যে মানুষ এমনিতেই চরম দূর্ভোগে রয়েছে এর মধ্যে আবার বন্য হাতির তান্ডবে সীমান্তবাসীর জীবন হতাশা ও সংকিত করে তুলেছে। দীর্ঘ সময় থেকে সীমান্ত অঞ্চলে বন্য হাতির তান্ডবে প্রাণহানী, পুঙ্গত্ব, বাড়ি-ঘর সহ বিভিন্ন ফসলের ব্যপক ক্ষতি সাধন করে চলেছে। অনেক পরিবারের লোকজন প্রাণহানীর ভয়ে অন্যত্রে পারি জমিয়েছে। কিন্তু অনেক দরিদ্র পরিবারের লোকজন ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকেরা বাপ দাদার ভিটে মাটি ছেড়ে যাওয়ার কোন সুযোগ না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে অত্র সীমান্ত অঞ্চলেই বসবাস করছে।

এই সীমান্তবাসীর উৎপাদন কৃত ফসল প্রায়ই হাতির খুরাক হয়। উৎপদন করেও কৃষকরা ফসল ঘরে তুলতে পারে না। পাকা ধান কাটার সময় নেমে আসে ভারত থেকে বন্য হাতির দল। এই সমস্ত বন্য হাতির দলের তান্ডবে তাদের উৎপাদিত ফসল সহ ঘর বাড়ির ক্ষয় ক্ষতি করার সময় লোকজন তাদের ফসল ও ঘরবাড়ি রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে জীবন দিতে হয়। তার পরেও সীমান্তবাসীর উপায় না থাকায় জীবন মরণের ঝুকি নিয়েই বসবাস করতে হচ্ছে সীমান্তে। তাই সীমান্ত বাসীর দাবি তাদের জান মাল রক্ষায় সরকারি ভাবে সুরক্ষা নিশ্চিত করা দরকার। যদি তা না করা হয় ভারত থেকে নেমে আসা বন্য হাতির তান্ডবে মানুষের জান মাল রক্ষা করার কোন উপায় নেই। প্রায় এক যুগ ধরে অর্ধশত প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে শতাধিক বেক্তি পুঙ্গত্ব বরণ করেছে। এছাড়া কোটি কোটি টাকার কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ক্ষতি সাধন করে চলেছে বন্য হাতির দল। রক্ষা করার কোন উপায় নেই!

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।।

শেরপুরের ঝিনাইগাতি সীমান্তে হাতির তান্ডবে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি – হতাশায় কৃষক

আপডেট সময় : 09:23:39 pm, Saturday, 25 March 2023

মোঃ রাকিবুল হাসান, শেরপুর প্রতিনিধি।।

শেরপুরের ঝিনাইগাতি সীমান্তে ভারত থেকে বন্য হাতি নেমে এসেছে এবং গত ২ দিন থেকে সীমান্তের বোর ফসলের উপর চলছে হাতির তান্ডব। এমন পরিস্থিতে সীমান্তের বোর চাষি ও প্রান্তিক কৃষকের ফসল নষ্ট হওয়ায় আতঙ্কে নিরঘুম রাত কাটাচ্ছে সীমান্তবাসী।

ইতি মধ্যেই বন্য হাতি সীমান্তের বহু জমির ফসল খেয়ে সাবার করে দিয়েছে। এমন অবস্থা দেখে সীমান্তের বাকি কৃষকদের ঘুম হারাম হয়ে পরেছে। সীমান্ত অঞ্চলের কৃষকরা ভাবছে তাদের ফসল ঘরে তুলতে পারবেনা। এ বছর বোর চাষ করতে বিগত বছরের তুলনায় দ্বিগুন খরচ হয়েছে কৃষকের।

কষ্ট অর্জিত উঠতি বোর ফসল বন্য হাতির কারনে ঘরে তুলতে না পারলে সীমাহিন কষ্টের মধ্যে পরবে সীমান্তের কৃষকেরা। গত ২ দিনে সীমান্তের আদিবাসী সম্প্রদায়ের গারো কুচ হাজং সহ আরো অনেক কৃষকের উঠতি বোর ফসল খেয়ে সাবার করে দিয়েছে। ধান খেত বাচাতে কৃষকেরা জীবনের ঝুকি নিয়ে রাত জেগে মশাল জালিয়ে রাত ভর ফসল রক্ষার চেষ্টা করছে। ইতি পূর্বে সীমান্তের কৃষকের ফসল ও ঘর-বাড়ি রক্ষা করতে গিয়ে হাতির পায়ে পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছে। দির্ঘ দিন থেকেই চলছে বন্য হাতি আর মানুষের মধ্যে চলছে বাচা মরার লড়াই।

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বন্য হাতির এই তান্ডব চলছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের এই বিপর্যয়ের মধ্যে মানুষ এমনিতেই চরম দূর্ভোগে রয়েছে এর মধ্যে আবার বন্য হাতির তান্ডবে সীমান্তবাসীর জীবন হতাশা ও সংকিত করে তুলেছে। দীর্ঘ সময় থেকে সীমান্ত অঞ্চলে বন্য হাতির তান্ডবে প্রাণহানী, পুঙ্গত্ব, বাড়ি-ঘর সহ বিভিন্ন ফসলের ব্যপক ক্ষতি সাধন করে চলেছে। অনেক পরিবারের লোকজন প্রাণহানীর ভয়ে অন্যত্রে পারি জমিয়েছে। কিন্তু অনেক দরিদ্র পরিবারের লোকজন ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকেরা বাপ দাদার ভিটে মাটি ছেড়ে যাওয়ার কোন সুযোগ না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়ে অত্র সীমান্ত অঞ্চলেই বসবাস করছে।

এই সীমান্তবাসীর উৎপাদন কৃত ফসল প্রায়ই হাতির খুরাক হয়। উৎপদন করেও কৃষকরা ফসল ঘরে তুলতে পারে না। পাকা ধান কাটার সময় নেমে আসে ভারত থেকে বন্য হাতির দল। এই সমস্ত বন্য হাতির দলের তান্ডবে তাদের উৎপাদিত ফসল সহ ঘর বাড়ির ক্ষয় ক্ষতি করার সময় লোকজন তাদের ফসল ও ঘরবাড়ি রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে জীবন দিতে হয়। তার পরেও সীমান্তবাসীর উপায় না থাকায় জীবন মরণের ঝুকি নিয়েই বসবাস করতে হচ্ছে সীমান্তে। তাই সীমান্ত বাসীর দাবি তাদের জান মাল রক্ষায় সরকারি ভাবে সুরক্ষা নিশ্চিত করা দরকার। যদি তা না করা হয় ভারত থেকে নেমে আসা বন্য হাতির তান্ডবে মানুষের জান মাল রক্ষা করার কোন উপায় নেই। প্রায় এক যুগ ধরে অর্ধশত প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে শতাধিক বেক্তি পুঙ্গত্ব বরণ করেছে। এছাড়া কোটি কোটি টাকার কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ক্ষতি সাধন করে চলেছে বন্য হাতির দল। রক্ষা করার কোন উপায় নেই!