Dhaka , Tuesday, 21 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।। মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।। শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা কালে জনতার হাতে যুবক আটক।। রামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আরাফাতের  নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার।। রূপগঞ্জে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ।। তিতাসের জিয়ারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেনের শিক্ষকতার দুই যুগপূর্তি।। কোম্পানীগঞ্জে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার- স্বামী পলাতক।। নরসিংদী বৃষ্টির কারনে পশুর হাটে বেচা কেনা কম।। মায়ের সামনে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু।। ঈদুল আযহা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৮ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ।। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিংয়ে সারাদেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাজাপুরের মশিউর রহমান তামিম।। সুন্দরগঞ্জের দহবন্দ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ।। কুমিল্লা পিটিআই কর্তৃক সততা নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন- তানজুরুন নাহার।। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর শুভ সূচনা।। সড়কতো নয় যেন ধান শুকানোর চাতাল।। তিতাসে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত।। ঈদ উপলক্ষে হিলিতে বিনামূল্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে চাল বিতারণ।।  পাবনায় হত্যায় মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।। আই-ইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সভাপতি পিয়াস সম্পাদক ইকবাল।। পাবনা জেলা স্কুল জাতীয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়।। সিলেটে বৃস্পতিবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত-ফের জলাবদ্ধতার শঙ্কা।। জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রফিক আমার নামে মিথ্যাচার চালাচ্ছে- আবুল বাশার  বাদশা।। নিখোঁজের দুদিন পর মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ঘাটলার নিচে।। ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন।। সুন্দরগঞ্জে পশুর হাট নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৩ রাউন্ড গুলি বিনিময়- পুলিশসহ আহত ১০।। নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু।। পাবনায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ জন নিহত আহত -৭ জন।। রূপগঞ্জ কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী রফিক সমর্থকদের উপর হামলা।। ৩৬ দিন পর যুবকের লাশ উত্তোলন- ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের।। শিবচরে আগুনে ১৩ গরু মারা গেছে।।

সুজন দও  জীবন যুদ্ধে হার না মানা এক শিক্ষক।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:23:01 am, Saturday, 20 April 2024
  • 95 বার পড়া হয়েছে

সুজন দও  জীবন যুদ্ধে হার না মানা এক শিক্ষক।।

অরবিন্দ রায়

স্টাফ রিপোর্টার।।

সুজন দও জীবন যুদ্ধে হার না মানা  এক শিক্ষক । সুজন চন্দ্র দও একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষক । নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী পাঁচদোনা স্যার কৃষ্ণ গোবিন্দ  গুপ্ত স্কুল এন্ড কলেজের ইংরেজি  বিষয়ের শিক্ষক। প্রতিবন্ধী হয়েও তিনি জীবন যুদ্ধে  হার মানেন নি। শিক্ষক সুজন চন্দ্র দও। তিনি  স্বাভাবিক ভাবে হাটতে পারেন না। জন্মলগ্ন থেকেই তার ডান পা স্বাভাবিকের চাইতে কিছুটা ছোট। স্বাভাবিক  চলাফেরার জন্য  বাঁশের একটি লাঠি তার চলার পথের নিত্য সঙ্গী। তিনি প্রতিদিন পলাশ উপজেলার সানের বাড়ি গ্রাম থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূর থেকে গিয়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।

শারীরিক পঙ্গুত্বের কারনে স্কুল-কলেজে লেখা পড়ার সময় তিনি অনেকের কাছে অবহেলার পাএ হয়েছেন। সুজন দত্তের  মনে ছিল প্রচন্ড আত্নবিশ্বাস, সততা, অান্তরিকতা-পড়ালেখার প্রতি ভালোবাসা। তার স্বপ্ন ছিল শিক্ষক হবার।  তাইতো মানুষের সকল সমালোচনা-অবহেলাকে উপেক্ষা  করে সামনের দিকে  এগিয়ে  চলেন। তিনি ১৯৭৬ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার সানেরবাড়ি গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।
১৯৯১ সালে সানের বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সি , ১৯৯৩ সালে পলাশ শিল্পাঞ্চল  কলেজ থেকে এইচ এস সি , ১৯৯৫ সালে নরসিংদী সরকারি  কলেজ থেকে ৩০০ নম্বরে র ইংরেজি  সহ  বি এ পাশ করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি সানেরবাড়ি  উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজি  শিক্ষক হিসেবে যোগদান  করেন । কিন্ত তার মন তৃপ্ত হয়নি। বড় একটি  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করার স্বপ্ন দেখেন।   ২০০০   সালে পাঁচদোনা স্যার  কৃষ্ণ গোবিন্দ  গুপ্ত উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজি  শিক্ষক হিসেবে  যোগদান করেন ।
২০০৩ সালে পলাশ উপজেলার রাবান গ্রামের তরনী করের ৩য় মেয়ে লীনা রানী করের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার এক মেয়ে এক ছেলে।

সুজন দত্তের সাথে আলাপ করে জানা যায়, তার সংসারে  অভাব  থাকলেও  কোনো অশান্তি  নেই । স্ত্রী লীনা রানী আঁচল দিয়ে তার  সংসার আগলে রেখেছেন।   তার এক মেয়ে, এক ছেলে। সন্তানদের  মানুষ  করাই  তার এক মাএ স্বপ্ন।
২০১০ সালে তিনি ঢাকা টিচার ট্রেনিং  কলেজ থেকে বি এড ডিগ্রী অর্জন করেন। ভালো পড়ানোর  কারনে  তিনি বিদ্যালয়ের ছাএ ছাএীদের প্রিয় শিক্ষক হিসেবে পরিচিতি  লাভ করেছেন।

অধ্যক্ষ মো. মাসুম বিল্লাহ জানান-সুজন দও  একজন সৎ -পরিশ্রমী-দক্ষ ইংরেজি শিক্ষক। অন্য শিক্ষকের মত তিনি বিদ্যালয়ের সকল কাজের পাশাপাশি শ্রেনি শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন।
বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সুকুমার চন্দ্র কর জানান-সুজন দও একজন ভালো মনের  মানুষ। তিনি বিদ্যালয়ের দু, তলা-তিনতলায় গিয়ে ছাএ ছাএীদের ক্লাস নিয়ে থাকেন।

শিক্ষক সুজন দত্ত বলেন-শিক্ষকতা একটি মহান পেশা।  টাকা দিয়ে যে পেশার মূল্যায়ন করা যায় না। তিনি আগামী দিনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের  সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্ঠা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।।

সুজন দও  জীবন যুদ্ধে হার না মানা এক শিক্ষক।।

আপডেট সময় : 07:23:01 am, Saturday, 20 April 2024

অরবিন্দ রায়

স্টাফ রিপোর্টার।।

সুজন দও জীবন যুদ্ধে হার না মানা  এক শিক্ষক । সুজন চন্দ্র দও একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষক । নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী পাঁচদোনা স্যার কৃষ্ণ গোবিন্দ  গুপ্ত স্কুল এন্ড কলেজের ইংরেজি  বিষয়ের শিক্ষক। প্রতিবন্ধী হয়েও তিনি জীবন যুদ্ধে  হার মানেন নি। শিক্ষক সুজন চন্দ্র দও। তিনি  স্বাভাবিক ভাবে হাটতে পারেন না। জন্মলগ্ন থেকেই তার ডান পা স্বাভাবিকের চাইতে কিছুটা ছোট। স্বাভাবিক  চলাফেরার জন্য  বাঁশের একটি লাঠি তার চলার পথের নিত্য সঙ্গী। তিনি প্রতিদিন পলাশ উপজেলার সানের বাড়ি গ্রাম থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূর থেকে গিয়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।

শারীরিক পঙ্গুত্বের কারনে স্কুল-কলেজে লেখা পড়ার সময় তিনি অনেকের কাছে অবহেলার পাএ হয়েছেন। সুজন দত্তের  মনে ছিল প্রচন্ড আত্নবিশ্বাস, সততা, অান্তরিকতা-পড়ালেখার প্রতি ভালোবাসা। তার স্বপ্ন ছিল শিক্ষক হবার।  তাইতো মানুষের সকল সমালোচনা-অবহেলাকে উপেক্ষা  করে সামনের দিকে  এগিয়ে  চলেন। তিনি ১৯৭৬ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার সানেরবাড়ি গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।
১৯৯১ সালে সানের বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সি , ১৯৯৩ সালে পলাশ শিল্পাঞ্চল  কলেজ থেকে এইচ এস সি , ১৯৯৫ সালে নরসিংদী সরকারি  কলেজ থেকে ৩০০ নম্বরে র ইংরেজি  সহ  বি এ পাশ করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি সানেরবাড়ি  উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজি  শিক্ষক হিসেবে যোগদান  করেন । কিন্ত তার মন তৃপ্ত হয়নি। বড় একটি  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করার স্বপ্ন দেখেন।   ২০০০   সালে পাঁচদোনা স্যার  কৃষ্ণ গোবিন্দ  গুপ্ত উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজি  শিক্ষক হিসেবে  যোগদান করেন ।
২০০৩ সালে পলাশ উপজেলার রাবান গ্রামের তরনী করের ৩য় মেয়ে লীনা রানী করের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার এক মেয়ে এক ছেলে।

সুজন দত্তের সাথে আলাপ করে জানা যায়, তার সংসারে  অভাব  থাকলেও  কোনো অশান্তি  নেই । স্ত্রী লীনা রানী আঁচল দিয়ে তার  সংসার আগলে রেখেছেন।   তার এক মেয়ে, এক ছেলে। সন্তানদের  মানুষ  করাই  তার এক মাএ স্বপ্ন।
২০১০ সালে তিনি ঢাকা টিচার ট্রেনিং  কলেজ থেকে বি এড ডিগ্রী অর্জন করেন। ভালো পড়ানোর  কারনে  তিনি বিদ্যালয়ের ছাএ ছাএীদের প্রিয় শিক্ষক হিসেবে পরিচিতি  লাভ করেছেন।

অধ্যক্ষ মো. মাসুম বিল্লাহ জানান-সুজন দও  একজন সৎ -পরিশ্রমী-দক্ষ ইংরেজি শিক্ষক। অন্য শিক্ষকের মত তিনি বিদ্যালয়ের সকল কাজের পাশাপাশি শ্রেনি শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন।
বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সুকুমার চন্দ্র কর জানান-সুজন দও একজন ভালো মনের  মানুষ। তিনি বিদ্যালয়ের দু, তলা-তিনতলায় গিয়ে ছাএ ছাএীদের ক্লাস নিয়ে থাকেন।

শিক্ষক সুজন দত্ত বলেন-শিক্ষকতা একটি মহান পেশা।  টাকা দিয়ে যে পেশার মূল্যায়ন করা যায় না। তিনি আগামী দিনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের  সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্ঠা করছেন।