Dhaka , Monday, 20 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।। মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।। শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা কালে জনতার হাতে যুবক আটক।। রামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আরাফাতের  নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার।। রূপগঞ্জে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ।। তিতাসের জিয়ারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেনের শিক্ষকতার দুই যুগপূর্তি।। কোম্পানীগঞ্জে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার- স্বামী পলাতক।। নরসিংদী বৃষ্টির কারনে পশুর হাটে বেচা কেনা কম।। মায়ের সামনে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু।। ঈদুল আযহা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৮ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ।। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিংয়ে সারাদেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাজাপুরের মশিউর রহমান তামিম।। সুন্দরগঞ্জের দহবন্দ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ।। কুমিল্লা পিটিআই কর্তৃক সততা নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন- তানজুরুন নাহার।। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর শুভ সূচনা।। সড়কতো নয় যেন ধান শুকানোর চাতাল।। তিতাসে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত।। ঈদ উপলক্ষে হিলিতে বিনামূল্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে চাল বিতারণ।।  পাবনায় হত্যায় মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।। আই-ইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সভাপতি পিয়াস সম্পাদক ইকবাল।। পাবনা জেলা স্কুল জাতীয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়।। সিলেটে বৃস্পতিবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত-ফের জলাবদ্ধতার শঙ্কা।। জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রফিক আমার নামে মিথ্যাচার চালাচ্ছে- আবুল বাশার  বাদশা।। নিখোঁজের দুদিন পর মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ঘাটলার নিচে।। ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন।। সুন্দরগঞ্জে পশুর হাট নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৩ রাউন্ড গুলি বিনিময়- পুলিশসহ আহত ১০।। নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু।। পাবনায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ জন নিহত আহত -৭ জন।। রূপগঞ্জ কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী রফিক সমর্থকদের উপর হামলা।। ৩৬ দিন পর যুবকের লাশ উত্তোলন- ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের।। শিবচরে আগুনে ১৩ গরু মারা গেছে।।

জাজিরা পৌর সড়কে বছর পেরোলেও আলোর মুখ দেখেনি আলোকসজ্জা প্রকল্প।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 08:57:50 am, Thursday, 16 May 2024
  • 56 বার পড়া হয়েছে

জাজিরা পৌর সড়কে বছর পেরোলেও আলোর মুখ দেখেনি আলোকসজ্জা প্রকল্প।।

শরীয়তপুর প্রতিনিধি।।

অনুমোদনের এক বছর পেড়িয়ে গেলেও শরীয়তপুরের জাজিরা পৌরসভার সড়কে আলোর মুখ দেখেনি ‘আলোকসজ্জা’ প্রকল্প। জানতে চাইলে দায়সারা বক্তব্য দিচ্ছেন মেয়র।

সড়কবাতি স্থাপণ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও  কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ না দেখে পৌরসভার বাসিন্দাদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ। তারা বলছেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে জাজিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত। রাজধানী থেকে সরাসরি দিন-রাত আসা যাওয়া করে বিভিন্ন এলাকার মানুষ। অথচ পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে সড়কবাতি না থাকায় রাত হলে পৌরসভা এলাকা একটি ভূতুড়ে এলাকায় পরিণত হয়।

জাজিরা পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের মার্চে পৌরসভার বিভিন্ন সড়কে ৭৫ টি সড়কবাতি স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন হয়। প্রকল্পটির ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। এ প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়েছে মেসার্স জেরিন ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। অথচ ঠিকাদার বলছেন কাজটি কে করবে তা মেয়র জানে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে জাজিরা পৌরসভাটি -খ- শ্রেণি থেকে উন্নীত হয়ে “ক’ শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। কিন্তু পৌরবাসীর দাবী-খ- শ্রেণি থাকা অবস্থায় পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা দিতে ব্যর্থ হয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। এখন “ক” শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে পৌরসভার শ্রেণি উন্নত হওয়া নিয়ে। পৌরসভার শ্রেণি উন্নত হওয়ায় আসলে লাভ হয়েছে কার? পৌরবাসীর নাকি পৌরসভা কর্তৃপক্ষের। কারন যেখানে পৌরসভাটি -খ- শ্রেণির থাকা অবস্থায় একটি সড়কবাতি স্থাপনের টেন্ডার অনুমোদন হয়েছে তার মেয়াদ শেষ হলেও বাস্তবায়ন হয়নি। অথচ পৌরসভাটি “ক” শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলরদের সম্মানি ও কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি ঠিকই বেড়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পৌরসভার একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ নিয়ে বলেন- আমরা জাজিরার মানুষ আসলে অনেক আবেগী। যারা মুখে একটু হাসি নিয়ে কথা বলে তাদের অনেক ভালোবেসে ফেলি এবং বিশ্বাস করে নিজেদের প্রতিনিধি বানাই। অথচ তারা নির্বাচিত হয়ে আমাদের কথা মনে রাখেনা। সবাই নিজেদের আখের গুছানোয় ব্যস্ত। তারা আরো বলেন, সড়কবাতির মত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে চললেও মেয়রের পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হলোনা। তাহলে কি মেয়র আমাদের থেকে অসাধু ঠিকাদারদের কথা বেশী ভাবেন।

বিষয়টি নিয়ে সড়কবাতি স্থাপন প্রকল্পের দায়িত্ব পাওয়া ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জেরিন ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী জাকির সরদারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সংবাদ মাধ্যম কে  বলেন- আমার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি পেলেও কাজটি আমি নিজে করছিনা। কে করবে তা মেয়র জানে। আমার লাইসেন্স ব্যবহার করে আমাদের মেয়র অনেক প্রকল্পের কাজ করেন। আমি শুধু বিল উঠানোর সময় স্বাক্ষর করে দেই। সেখানে আমার একটি পারসেন্টিস থাকে।

এবিষয়ে  জানতে চাইলে জাজিরা পৌরসভার মেয়র মো: ইদ্রিস মিয়া  বলেন- সড়কের পাশে গাছ থাকার কারনে সড়কবাতি প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়নি। এখন গাছ কাটা ছাড়াই কাজ শুরু করা হবে। মালামাল ক্রয়ের জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মেয়রের কাছে সড়কবাতি(আলোকসজ্জা- প্রকল্পের অনুমোদনের কপি চাইলে, তিনি বলেন- এগুলো দেখার সাংবাদিকদের কোন এখতিয়ার নেই। চাইলে শুধু তথ্য দেয়া যেতে পারে।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা -ইউএনও- সাদিয়া ইসলাম লুনা বলেন- সড়কবাতি প্রকল্পের কাজ পৌরসভার নিজস্ব কাজ। এখানে আমাদের কিছু করার নাই। তবে আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো কি কারণে সড়কবাতির -আলোকসজ্জা- কাজ শুরু করা হয়নি। জাজিরায় রাতের বেলা সড়কে অন্ধকার নেমে আসে। বাতিগুলো লাগানো থাকলে পৌরবাসীর জন্য অনেক ভালো হবে চলাচল করতে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।।

জাজিরা পৌর সড়কে বছর পেরোলেও আলোর মুখ দেখেনি আলোকসজ্জা প্রকল্প।।

আপডেট সময় : 08:57:50 am, Thursday, 16 May 2024

শরীয়তপুর প্রতিনিধি।।

অনুমোদনের এক বছর পেড়িয়ে গেলেও শরীয়তপুরের জাজিরা পৌরসভার সড়কে আলোর মুখ দেখেনি ‘আলোকসজ্জা’ প্রকল্প। জানতে চাইলে দায়সারা বক্তব্য দিচ্ছেন মেয়র।

সড়কবাতি স্থাপণ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও  কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ না দেখে পৌরসভার বাসিন্দাদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ। তারা বলছেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে জাজিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত। রাজধানী থেকে সরাসরি দিন-রাত আসা যাওয়া করে বিভিন্ন এলাকার মানুষ। অথচ পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে সড়কবাতি না থাকায় রাত হলে পৌরসভা এলাকা একটি ভূতুড়ে এলাকায় পরিণত হয়।

জাজিরা পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের মার্চে পৌরসভার বিভিন্ন সড়কে ৭৫ টি সড়কবাতি স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন হয়। প্রকল্পটির ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। এ প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়েছে মেসার্স জেরিন ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। অথচ ঠিকাদার বলছেন কাজটি কে করবে তা মেয়র জানে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে জাজিরা পৌরসভাটি -খ- শ্রেণি থেকে উন্নীত হয়ে “ক’ শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। কিন্তু পৌরবাসীর দাবী-খ- শ্রেণি থাকা অবস্থায় পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা দিতে ব্যর্থ হয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। এখন “ক” শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে পৌরসভার শ্রেণি উন্নত হওয়া নিয়ে। পৌরসভার শ্রেণি উন্নত হওয়ায় আসলে লাভ হয়েছে কার? পৌরবাসীর নাকি পৌরসভা কর্তৃপক্ষের। কারন যেখানে পৌরসভাটি -খ- শ্রেণির থাকা অবস্থায় একটি সড়কবাতি স্থাপনের টেন্ডার অনুমোদন হয়েছে তার মেয়াদ শেষ হলেও বাস্তবায়ন হয়নি। অথচ পৌরসভাটি “ক” শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলরদের সম্মানি ও কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি ঠিকই বেড়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পৌরসভার একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ নিয়ে বলেন- আমরা জাজিরার মানুষ আসলে অনেক আবেগী। যারা মুখে একটু হাসি নিয়ে কথা বলে তাদের অনেক ভালোবেসে ফেলি এবং বিশ্বাস করে নিজেদের প্রতিনিধি বানাই। অথচ তারা নির্বাচিত হয়ে আমাদের কথা মনে রাখেনা। সবাই নিজেদের আখের গুছানোয় ব্যস্ত। তারা আরো বলেন, সড়কবাতির মত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে চললেও মেয়রের পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হলোনা। তাহলে কি মেয়র আমাদের থেকে অসাধু ঠিকাদারদের কথা বেশী ভাবেন।

বিষয়টি নিয়ে সড়কবাতি স্থাপন প্রকল্পের দায়িত্ব পাওয়া ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জেরিন ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী জাকির সরদারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সংবাদ মাধ্যম কে  বলেন- আমার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি পেলেও কাজটি আমি নিজে করছিনা। কে করবে তা মেয়র জানে। আমার লাইসেন্স ব্যবহার করে আমাদের মেয়র অনেক প্রকল্পের কাজ করেন। আমি শুধু বিল উঠানোর সময় স্বাক্ষর করে দেই। সেখানে আমার একটি পারসেন্টিস থাকে।

এবিষয়ে  জানতে চাইলে জাজিরা পৌরসভার মেয়র মো: ইদ্রিস মিয়া  বলেন- সড়কের পাশে গাছ থাকার কারনে সড়কবাতি প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়নি। এখন গাছ কাটা ছাড়াই কাজ শুরু করা হবে। মালামাল ক্রয়ের জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মেয়রের কাছে সড়কবাতি(আলোকসজ্জা- প্রকল্পের অনুমোদনের কপি চাইলে, তিনি বলেন- এগুলো দেখার সাংবাদিকদের কোন এখতিয়ার নেই। চাইলে শুধু তথ্য দেয়া যেতে পারে।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা -ইউএনও- সাদিয়া ইসলাম লুনা বলেন- সড়কবাতি প্রকল্পের কাজ পৌরসভার নিজস্ব কাজ। এখানে আমাদের কিছু করার নাই। তবে আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো কি কারণে সড়কবাতির -আলোকসজ্জা- কাজ শুরু করা হয়নি। জাজিরায় রাতের বেলা সড়কে অন্ধকার নেমে আসে। বাতিগুলো লাগানো থাকলে পৌরবাসীর জন্য অনেক ভালো হবে চলাচল করতে।