
আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।
মানুষ মানুষের জন্য, আর জীবন জীবনের জন্য এতটুকু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু মানুষ পেতে পারেনা? অসাধারণ এই গানের কথা গুলো সত্যি সত্যি শুধু গানের কথায় না থেকে বাস্তবে কি ধরা দিতে পারেনা ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের বাকী জীবনে? পারে ঠিক যদি আমরা সমাজের বিত্তবানরা একটু সহায়তা করি নচেৎ সরকারি সহায়তা পাওয়ার একটু চেষ্টা করি। তবেই এক নিমিষে বদলে যেতে পারে সখিনা খাতুনের জীবন,যদি গানের কথা সত্যি হয়, তাহলে পূরণ হতে পারে তার শেষ জীবনের আশা। তবে কি পূরণ হবে সখিনা খাতুনের শেষ জীবনের স্বপ্ন? পারবে কি সে শেষ জীবনে একটা ভালো ঘরে থেকে মরতে? বলছিলাম
৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের কথা। যে কিনা বর্তমানে ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার উকিল বাড়িতে বাস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,তার স্বামী হানিফ মিয়া পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৪০ বছর আগে। সখিনা-হানিফের দাম্পত্য জীবনে একজন মেয়ের জন্ম হয়। সংসারে অভাব দেখে কাজের খোঁজ প্রায় ৩০ বছর আগে চট্টগ্রাম চলে যান একমাত্র মেয়ে নাজমা বেগম। এখনও ফিরেননি নাজমা। খোঁজও নেন না বৃদ্ধা মায়ের।
এদিকে, স্বামী-সন্তান হারা অসহায় সখিনা খাতুনের দু:খের যেন অন্ত নেই। প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় এক বেলা খাবার জোটলেও অন্য বেলায় না খেয়ে থাকতে হয় সখিনা খাতুনকে। এখানেই শেষ নয়; সখিনা খাতুনের মাথা গোঁজার একমাত্র বসত ঘরটিও নড়বড়ে। যেখানে তার বসতঘর সেটিও অন্যের জমি ওপর। দয়া করে ওই জমিতে সখিনা খাতুনকে থাকতে দিয়েছেন জমির মালিক। তবে বর্ষার সময় পানির ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙে সখিনা খাতুনের। বৃষ্টির পানি পড়ে পুরো ঘরজুড়ে।
তার সাথে কথা বলতে গেলে কান্না জড়িত কন্ঠে সখিনা খাতুন বলেন, বসতঘরটির অবস্থা অত্যান্ত খারাপ। বৃষ্টি হলে অন্যের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। আবার রাতে বৃষ্টি হলে ঘুম না গিয়ে বসে থাকতে হয়। এমন ঘরে কোনো প্রাণীও বাস করে না, অথচ মানুষ হয়েও আমাকে এই ঘরে থাকতে হয়। নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ করা বা এ ঘরটি মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই আমার। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর বিধবা ভাতা পেলেও এখন কি জানি সমস্যা হয়েছে, তাই এখন আর ওই ভাতাও পাচ্ছি না। বয়স হয়েছে। হাঁটতে হয় লাঠিতে ভর করে, তাও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। তাই প্রতিবেশিরা যা দিয়ে যায় তা দিয়েই কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে আছি। সরকারের কাছে দাবী মৃত্যুর আগে যেন একটি ভালো ঘরে থাকতে পারি। আর সরকারের দেয়া সহায়তায় যেন ভালো মত খেয়ে-পরে জীবনের বাকি দিনগুলো পার করতে পারি।
লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সব সময় সখিনা খাতুনকে সহযোগিতার চেষ্টা করি। এছাড়া তার ঘরটি নতুন করে নির্মাণ বা মেরামত করা যায় কিনা তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করবো।
মরণের আগে হলেও যেন একটা ভালো ঘরে থাকতে পারিঃ
লালমোহনের ৮০ বছরের অসহায় বৃদ্ধা সখিনার আকুতি
আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।
মানুষ মানুষের জন্য, আর জীবন জীবনের জন্য এতটুকু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু মানুষ পেতে পারেনা? অসাধারণ এই গানের কথা গুলো সত্যি সত্যি শুধু গানের কথায় না থেকে বাস্তবে কি ধরা দিতে পারেনা ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের বাকী জীবনে? পারে ঠিক যদি আমরা সমাজের বিত্তবানরা একটু সহায়তা করি নচেৎ সরকারি সহায়তা পাওয়ার একটু চেষ্টা করি। তবেই এক নিমিষে বদলে যেতে পারে সখিনা খাতুনের জীবন,যদি গানের কথা সত্যি হয়, তাহলে পূরণ হতে পারে তার শেষ জীবনের আশা। তবে কি পূরণ হবে সখিনা খাতুনের শেষ জীবনের স্বপ্ন? পারবে কি সে শেষ জীবনে একটা ভালো ঘরে থেকে মরতে? বলছিলাম
৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের কথা। যে কিনা বর্তমানে ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার উকিল বাড়িতে বাস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,তার স্বামী হানিফ মিয়া পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৪০ বছর আগে। সখিনা-হানিফের দাম্পত্য জীবনে একজন মেয়ের জন্ম হয়। সংসারে অভাব দেখে কাজের খোঁজ প্রায় ৩০ বছর আগে চট্টগ্রাম চলে যান একমাত্র মেয়ে নাজমা বেগম। এখনও ফিরেননি নাজমা। খোঁজও নেন না বৃদ্ধা মায়ের।
এদিকে, স্বামী-সন্তান হারা অসহায় সখিনা খাতুনের দু:খের যেন অন্ত নেই। প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় এক বেলা খাবার জোটলেও অন্য বেলায় না খেয়ে থাকতে হয় সখিনা খাতুনকে। এখানেই শেষ নয়; সখিনা খাতুনের মাথা গোঁজার একমাত্র বসত ঘরটিও নড়বড়ে। যেখানে তার বসতঘর সেটিও অন্যের জমি ওপর। দয়া করে ওই জমিতে সখিনা খাতুনকে থাকতে দিয়েছেন জমির মালিক। তবে বর্ষার সময় পানির ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙে সখিনা খাতুনের। বৃষ্টির পানি পড়ে পুরো ঘরজুড়ে।
তার সাথে কথা বলতে গেলে কান্না জড়িত কন্ঠে সখিনা খাতুন বলেন, বসতঘরটির অবস্থা অত্যান্ত খারাপ। বৃষ্টি হলে অন্যের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। আবার রাতে বৃষ্টি হলে ঘুম না গিয়ে বসে থাকতে হয়। এমন ঘরে কোনো প্রাণীও বাস করে না, অথচ মানুষ হয়েও আমাকে এই ঘরে থাকতে হয়। নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ করা বা এ ঘরটি মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই আমার। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর বিধবা ভাতা পেলেও এখন কি জানি সমস্যা হয়েছে, তাই এখন আর ওই ভাতাও পাচ্ছি না। বয়স হয়েছে। হাঁটতে হয় লাঠিতে ভর করে, তাও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। তাই প্রতিবেশিরা যা দিয়ে যায় তা দিয়েই কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে আছি। সরকারের কাছে দাবী মৃত্যুর আগে যেন একটি ভালো ঘরে থাকতে পারি। আর সরকারের দেয়া সহায়তায় যেন ভালো মত খেয়ে-পরে জীবনের বাকি দিনগুলো পার করতে পারি।
লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সব সময় সখিনা খাতুনকে সহযোগিতার চেষ্টা করি। এছাড়া তার ঘরটি নতুন করে নির্মাণ বা মেরামত করা যায় কিনা তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করবো।
মরণের আগে হলেও যেন একটা ভালো ঘরে থাকতে পারিঃ
লালমোহনের ৮০ বছরের অসহায় বৃদ্ধা সখিনার আকুতি
আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।
মানুষ মানুষের জন্য, আর জীবন জীবনের জন্য এতটুকু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু মানুষ পেতে পারেনা? অসাধারণ এই গানের কথা গুলো সত্যি সত্যি শুধু গানের কথায় না থেকে বাস্তবে কি ধরা দিতে পারেনা ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের বাকী জীবনে? পারে ঠিক যদি আমরা সমাজের বিত্তবানরা একটু সহায়তা করি নচেৎ সরকারি সহায়তা পাওয়ার একটু চেষ্টা করি। তবেই এক নিমিষে বদলে যেতে পারে সখিনা খাতুনের জীবন,যদি গানের কথা সত্যি হয়, তাহলে পূরণ হতে পারে তার শেষ জীবনের আশা। তবে কি পূরণ হবে সখিনা খাতুনের শেষ জীবনের স্বপ্ন? পারবে কি সে শেষ জীবনে একটা ভালো ঘরে থেকে মরতে? বলছিলাম
৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের কথা। যে কিনা বর্তমানে ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার উকিল বাড়িতে বাস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,তার স্বামী হানিফ মিয়া পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৪০ বছর আগে। সখিনা-হানিফের দাম্পত্য জীবনে একজন মেয়ের জন্ম হয়। সংসারে অভাব দেখে কাজের খোঁজ প্রায় ৩০ বছর আগে চট্টগ্রাম চলে যান একমাত্র মেয়ে নাজমা বেগম। এখনও ফিরেননি নাজমা। খোঁজও নেন না বৃদ্ধা মায়ের।
এদিকে, স্বামী-সন্তান হারা অসহায় সখিনা খাতুনের দু:খের যেন অন্ত নেই। প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় এক বেলা খাবার জোটলেও অন্য বেলায় না খেয়ে থাকতে হয় সখিনা খাতুনকে। এখানেই শেষ নয়; সখিনা খাতুনের মাথা গোঁজার একমাত্র বসত ঘরটিও নড়বড়ে। যেখানে তার বসতঘর সেটিও অন্যের জমি ওপর। দয়া করে ওই জমিতে সখিনা খাতুনকে থাকতে দিয়েছেন জমির মালিক। তবে বর্ষার সময় পানির ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙে সখিনা খাতুনের। বৃষ্টির পানি পড়ে পুরো ঘরজুড়ে।
তার সাথে কথা বলতে গেলে কান্না জড়িত কন্ঠে সখিনা খাতুন বলেন, বসতঘরটির অবস্থা অত্যান্ত খারাপ। বৃষ্টি হলে অন্যের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। আবার রাতে বৃষ্টি হলে ঘুম না গিয়ে বসে থাকতে হয়। এমন ঘরে কোনো প্রাণীও বাস করে না, অথচ মানুষ হয়েও আমাকে এই ঘরে থাকতে হয়। নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ করা বা এ ঘরটি মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই আমার। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর বিধবা ভাতা পেলেও এখন কি জানি সমস্যা হয়েছে, তাই এখন আর ওই ভাতাও পাচ্ছি না। বয়স হয়েছে। হাঁটতে হয় লাঠিতে ভর করে, তাও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। তাই প্রতিবেশিরা যা দিয়ে যায় তা দিয়েই কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে আছি। সরকারের কাছে দাবী মৃত্যুর আগে যেন একটি ভালো ঘরে থাকতে পারি। আর সরকারের দেয়া সহায়তায় যেন ভালো মত খেয়ে-পরে জীবনের বাকি দিনগুলো পার করতে পারি।
লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সব সময় সখিনা খাতুনকে সহযোগিতার চেষ্টা করি। এছাড়া তার ঘরটি নতুন করে নির্মাণ বা মেরামত করা যায় কিনা তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করবো।
মরণের আগে হলেও যেন একটা ভালো ঘরে থাকতে পারিঃ
লালমোহনের ৮০ বছরের অসহায় বৃদ্ধা সখিনার আকুতি
আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।
মানুষ মানুষের জন্য, আর জীবন জীবনের জন্য এতটুকু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারেনা ও বন্ধু মানুষ পেতে পারেনা? অসাধারণ এই গানের কথা গুলো সত্যি সত্যি শুধু গানের কথায় না থেকে বাস্তবে কি ধরা দিতে পারেনা ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের বাকী জীবনে? পারে ঠিক যদি আমরা সমাজের বিত্তবানরা একটু সহায়তা করি নচেৎ সরকারি সহায়তা পাওয়ার একটু চেষ্টা করি। তবেই এক নিমিষে বদলে যেতে পারে সখিনা খাতুনের জীবন,যদি গানের কথা সত্যি হয়, তাহলে পূরণ হতে পারে তার শেষ জীবনের আশা। তবে কি পূরণ হবে সখিনা খাতুনের শেষ জীবনের স্বপ্ন? পারবে কি সে শেষ জীবনে একটা ভালো ঘরে থেকে মরতে? বলছিলাম
৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের কথা। যে কিনা বর্তমানে ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার উকিল বাড়িতে বাস করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,তার স্বামী হানিফ মিয়া পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৪০ বছর আগে। সখিনা-হানিফের দাম্পত্য জীবনে একজন মেয়ের জন্ম হয়। সংসারে অভাব দেখে কাজের খোঁজ প্রায় ৩০ বছর আগে চট্টগ্রাম চলে যান একমাত্র মেয়ে নাজমা বেগম। এখনও ফিরেননি নাজমা। খোঁজও নেন না বৃদ্ধা মায়ের।
এদিকে, স্বামী-সন্তান হারা অসহায় সখিনা খাতুনের দু:খের যেন অন্ত নেই। প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় এক বেলা খাবার জোটলেও অন্য বেলায় না খেয়ে থাকতে হয় সখিনা খাতুনকে। এখানেই শেষ নয়; সখিনা খাতুনের মাথা গোঁজার একমাত্র বসত ঘরটিও নড়বড়ে। যেখানে তার বসতঘর সেটিও অন্যের জমি ওপর। দয়া করে ওই জমিতে সখিনা খাতুনকে থাকতে দিয়েছেন জমির মালিক। তবে বর্ষার সময় পানির ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙে সখিনা খাতুনের। বৃষ্টির পানি পড়ে পুরো ঘরজুড়ে।
তার সাথে কথা বলতে গেলে কান্না জড়িত কন্ঠে সখিনা খাতুন বলেন, বসতঘরটির অবস্থা অত্যান্ত খারাপ। বৃষ্টি হলে অন্যের ঘরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। আবার রাতে বৃষ্টি হলে ঘুম না গিয়ে বসে থাকতে হয়। এমন ঘরে কোনো প্রাণীও বাস করে না, অথচ মানুষ হয়েও আমাকে এই ঘরে থাকতে হয়। নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ করা বা এ ঘরটি মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই আমার। তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর বিধবা ভাতা পেলেও এখন কি জানি সমস্যা হয়েছে, তাই এখন আর ওই ভাতাও পাচ্ছি না। বয়স হয়েছে। হাঁটতে হয় লাঠিতে ভর করে, তাও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। তাই প্রতিবেশিরা যা দিয়ে যায় তা দিয়েই কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে আছি। সরকারের কাছে দাবী মৃত্যুর আগে যেন একটি ভালো ঘরে থাকতে পারি। আর সরকারের দেয়া সহায়তায় যেন ভালো মত খেয়ে-পরে জীবনের বাকি দিনগুলো পার করতে পারি।
লালমোহন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সব সময় সখিনা খাতুনকে সহযোগিতার চেষ্টা করি। এছাড়া তার ঘরটি নতুন করে নির্মাণ বা মেরামত করা যায় কিনা তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করবো।

















