Dhaka , Friday, 8 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।। মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।। শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা কালে জনতার হাতে যুবক আটক।। রামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আরাফাতের  নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার।। রূপগঞ্জে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী বিতরণ।। তিতাসের জিয়ারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেনের শিক্ষকতার দুই যুগপূর্তি।। কোম্পানীগঞ্জে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার- স্বামী পলাতক।। নরসিংদী বৃষ্টির কারনে পশুর হাটে বেচা কেনা কম।। মায়ের সামনে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু।। ঈদুল আযহা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৮ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ।। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিংয়ে সারাদেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে রাজাপুরের মশিউর রহমান তামিম।। সুন্দরগঞ্জের দহবন্দ ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ।। কুমিল্লা পিটিআই কর্তৃক সততা নৈতিকতা ও শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন- তানজুরুন নাহার।। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সদরপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর শুভ সূচনা।। সড়কতো নয় যেন ধান শুকানোর চাতাল।। তিতাসে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত।। ঈদ উপলক্ষে হিলিতে বিনামূল্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে চাল বিতারণ।।  পাবনায় হত্যায় মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।। আই-ইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সভাপতি পিয়াস সম্পাদক ইকবাল।। পাবনা জেলা স্কুল জাতীয় পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়।। সিলেটে বৃস্পতিবার সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত-ফের জলাবদ্ধতার শঙ্কা।। জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রফিক আমার নামে মিথ্যাচার চালাচ্ছে- আবুল বাশার  বাদশা।। নিখোঁজের দুদিন পর মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ঘাটলার নিচে।। ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন।। সুন্দরগঞ্জে পশুর হাট নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৩ রাউন্ড গুলি বিনিময়- পুলিশসহ আহত ১০।। নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু।। পাবনায় শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নছিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ জন নিহত আহত -৭ জন।। রূপগঞ্জ কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী রফিক সমর্থকদের উপর হামলা।। ৩৬ দিন পর যুবকের লাশ উত্তোলন- ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের।। শিবচরে আগুনে ১৩ গরু মারা গেছে।।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানের বাজার কম থাকায় কৃষকদের লোকসান।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:48:19 pm, Tuesday, 30 May 2023
  • 151 বার পড়া হয়েছে

মোঃ রাকিবুল হাসান

 শেরপুর প্রতিনিধি।।

 

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলা একটি কৃষি প্রধান এলাকা। তাই এলাকার অধিকাংশ লোক কৃষি ফসল উৎপাদনের সাথে যুক্ত। আয়ের প্রধান উৎস হলো ধান, পাট, গম, ভুট্টা, সরিষা ও নানা জাতের শাকসবজি। তবে প্রধান হিসাবে কৃষকেরা ধান উৎপাদনের উপর নির্ভরশীল। উৎপাদিত ধান নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বারতি ধান বাজারে বিক্রি করে থাকে। যাহ দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদায় যুগান্তকারী ভূমিকা রেখে আসছে। সূত্র মতে জানা যায় শেরপুর জেলার ৫ টি উপজেলাতেই প্রচুর পরিমানে ধান উৎপাদন হয়ে থাকে। যে কারনে শেরপুর জেলাকে খাদ্যে উৎপাদনের ভান্ডার হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও অত্র এলকার উৎপাদিত ধানের চাউল মান সম্মত হওয়ায় দেশে এই জেলার চাউলের ব‍্যাপক চাহিদা। কিন্তু কৃষকের উৎপাদিত ফসলের মূল্য ও বাজার বিক্রয় মূল্য হিসাব করলে কৃষক ও প্রান্তিক চাষিরা লাভের পরিবর্তে লোকসানে আছে। কারণ বাজারে প্রতি মন ধানের মূল্য ৯শ’ থেকে ৯শ ৫০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। তাও আবার ৪০ কেজির স্থলে ৪২/৪৩ কেজিতে এক মন হিসেবে বিক্রি করতে হয়। উল্লেখ‍্য চলতি বোর মৌসুমে কৃষকের প্রতি একর জমিতে ফসল উৎপাদন করতে ৫০ হাজার থেকে ৫৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। প্রতি একর জমিতে ধান উৎপাদন হয়েছে ৫৫/৬০ মন। তাতে কৃষকের উৎপাদিত ধানের মূল্য সমান বা কিছু কম। সরকার ধান ক্রয়ের মূল্য নির্ধারণ করেছে প্রতি মণ ১২শ’ টাকা। কিন্তু অত্র উপজেলায় সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের বরাদ্দ ১৩৫০ মেট্রিক টন। প্রতিজন কৃষকের বরাদ্দ ৩ মেট্রিক টন করে সরকারি গুদামে ধান দিতে পারবে। এতে অত্র উপজেলা ৭টি ইউনিয়নে মাত্র ৪৫০ জন কৃষক এই সুবিধা পেয়েছে। সিংহভাগ কৃষক উক্ত সরকারি গুদামে ধান বিক্রির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। উল্লেখ্য অত্র উপজেলার প্রায় ১৯ হাজার ৬শ’ ৩৬ জন পরিবার ধান উৎপাদনের সাথে সরাসরি যুক্ত। অত্র উপজেলায় অকৃষি ভুক্ত কৃষক ১ হাজার ৪শ ২৭ জন। শ্রেনী ভুক্ত প্রান্তিক চাষি ৭শ ৩ জন, ক্ষুদ্র কৃষক ২ হাজার ৮শ ৫১ জন, মাঝারি চাষি ৬ হাজার ৮শ ৫৩ জন, বড় চাষি ৬ হাজার ৬শ ২ জন, ১২শ’ লোক রয়েছে বর্গা চাষী। আংশিকভাবে যুক্ত রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫শ’ পরিবারের লোক। কৃষকদের কাছ থেকে জানা যায় সরকারি গুদামে লটারির মাধ্যমে ধান নেওয়ায় অধিকাংশ কৃষক বিরম্বনায় পরেছে। যদি কৃষকদের কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ১ জন কৃষককে ৩ মেট্রিক টন ধানের পরিবর্তে ১/২ মেট্রিক টন ধানের পরিমান করে দেওয়া হতো তাহলে আরো অনেক কৃষক লোকসানের হাত থেকে বেচে যেতো। কৃষকদের দাবি সরকারিভাবে আরো বরাদ্দ বৃদ্ধি করা এবং সহজভাবে গুদামে ধান বিক্রির পথ উন্মুক্ত করা। প্রকাশ থাকে যে ঝিনাইগাতী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে প্রতি বছর বোর উৎপাদন হয় ১৪ হাজার হেক্টরের উর্ধ্বে এবং আমন উৎপাদন হয় ১৭ হাজার হেক্টরের মতো। তাই এলাকার কৃষক ও প্রান্তিক চাষীদের দাবি যাতে সরকারি গুদামে প্রতি মণ সরকারি মূল্যে সহজে বিক্রি করতে পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছে এলাকার দরিদ্র কৃষকেরা।

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ধানের বাজার কম থাকায় কৃষকদের লোকসান।

আপডেট সময় : 04:48:19 pm, Tuesday, 30 May 2023

মোঃ রাকিবুল হাসান

 শেরপুর প্রতিনিধি।।

 

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলা একটি কৃষি প্রধান এলাকা। তাই এলাকার অধিকাংশ লোক কৃষি ফসল উৎপাদনের সাথে যুক্ত। আয়ের প্রধান উৎস হলো ধান, পাট, গম, ভুট্টা, সরিষা ও নানা জাতের শাকসবজি। তবে প্রধান হিসাবে কৃষকেরা ধান উৎপাদনের উপর নির্ভরশীল। উৎপাদিত ধান নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বারতি ধান বাজারে বিক্রি করে থাকে। যাহ দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদায় যুগান্তকারী ভূমিকা রেখে আসছে। সূত্র মতে জানা যায় শেরপুর জেলার ৫ টি উপজেলাতেই প্রচুর পরিমানে ধান উৎপাদন হয়ে থাকে। যে কারনে শেরপুর জেলাকে খাদ্যে উৎপাদনের ভান্ডার হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও অত্র এলকার উৎপাদিত ধানের চাউল মান সম্মত হওয়ায় দেশে এই জেলার চাউলের ব‍্যাপক চাহিদা। কিন্তু কৃষকের উৎপাদিত ফসলের মূল্য ও বাজার বিক্রয় মূল্য হিসাব করলে কৃষক ও প্রান্তিক চাষিরা লাভের পরিবর্তে লোকসানে আছে। কারণ বাজারে প্রতি মন ধানের মূল্য ৯শ’ থেকে ৯শ ৫০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। তাও আবার ৪০ কেজির স্থলে ৪২/৪৩ কেজিতে এক মন হিসেবে বিক্রি করতে হয়। উল্লেখ‍্য চলতি বোর মৌসুমে কৃষকের প্রতি একর জমিতে ফসল উৎপাদন করতে ৫০ হাজার থেকে ৫৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। প্রতি একর জমিতে ধান উৎপাদন হয়েছে ৫৫/৬০ মন। তাতে কৃষকের উৎপাদিত ধানের মূল্য সমান বা কিছু কম। সরকার ধান ক্রয়ের মূল্য নির্ধারণ করেছে প্রতি মণ ১২শ’ টাকা। কিন্তু অত্র উপজেলায় সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের বরাদ্দ ১৩৫০ মেট্রিক টন। প্রতিজন কৃষকের বরাদ্দ ৩ মেট্রিক টন করে সরকারি গুদামে ধান দিতে পারবে। এতে অত্র উপজেলা ৭টি ইউনিয়নে মাত্র ৪৫০ জন কৃষক এই সুবিধা পেয়েছে। সিংহভাগ কৃষক উক্ত সরকারি গুদামে ধান বিক্রির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। উল্লেখ্য অত্র উপজেলার প্রায় ১৯ হাজার ৬শ’ ৩৬ জন পরিবার ধান উৎপাদনের সাথে সরাসরি যুক্ত। অত্র উপজেলায় অকৃষি ভুক্ত কৃষক ১ হাজার ৪শ ২৭ জন। শ্রেনী ভুক্ত প্রান্তিক চাষি ৭শ ৩ জন, ক্ষুদ্র কৃষক ২ হাজার ৮শ ৫১ জন, মাঝারি চাষি ৬ হাজার ৮শ ৫৩ জন, বড় চাষি ৬ হাজার ৬শ ২ জন, ১২শ’ লোক রয়েছে বর্গা চাষী। আংশিকভাবে যুক্ত রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫শ’ পরিবারের লোক। কৃষকদের কাছ থেকে জানা যায় সরকারি গুদামে লটারির মাধ্যমে ধান নেওয়ায় অধিকাংশ কৃষক বিরম্বনায় পরেছে। যদি কৃষকদের কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ১ জন কৃষককে ৩ মেট্রিক টন ধানের পরিবর্তে ১/২ মেট্রিক টন ধানের পরিমান করে দেওয়া হতো তাহলে আরো অনেক কৃষক লোকসানের হাত থেকে বেচে যেতো। কৃষকদের দাবি সরকারিভাবে আরো বরাদ্দ বৃদ্ধি করা এবং সহজভাবে গুদামে ধান বিক্রির পথ উন্মুক্ত করা। প্রকাশ থাকে যে ঝিনাইগাতী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে প্রতি বছর বোর উৎপাদন হয় ১৪ হাজার হেক্টরের উর্ধ্বে এবং আমন উৎপাদন হয় ১৭ হাজার হেক্টরের মতো। তাই এলাকার কৃষক ও প্রান্তিক চাষীদের দাবি যাতে সরকারি গুদামে প্রতি মণ সরকারি মূল্যে সহজে বিক্রি করতে পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছে এলাকার দরিদ্র কৃষকেরা।